সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

করোনা দূর্যোগে একজন মানবিক নেতার অদৃশ্যমান গল্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী প্রতিনিধি : যখন বিশ্বজুড়ে করোনায় থমকে গেছে সারাদেশ। আজও মানুষের জীবন যাত্রার মান বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে স্থবিরতা। এমনতাবস্থায় বৈশ্বিক এই মহামারী মোকাবেলায় মানবিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করার বিকল্প নেই। সচেতনতা ও মানবিক প্রচেষ্টায় এ দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব। বাংলাদেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিলে শুরু থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক জনাব ডাবলু সরকার দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই যুদ্ধে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। পুরো বিশ্বে যখন করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলো এবং বাংলাদেশে এই ভাইরাস সনাক্ত হওয়ার পূর্বে জনাব ডাবলু সরকার শহরের গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকাগুলোতে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন এবং সচেতনতামূলক বাণী পৌঁছে দেন মানুষের দোড়গোড়ায়।

লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষ গুলো গৃহবন্দি হয়ে পড়লে তাদের উপার্জন বন্ধ হয়ে যায়, ফলশ্রুতিতে তারা পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়ে। ঠিক সেই সময় নিম্নআয়ের মানুষের পাশে মানবতার হাত বাড়িয়ে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন তিনি। অসহায়দের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন নিজ সাধ্যমত। লকডাউন এর শুরু থেকে আজ অবধি কোন না কোন শ্রমজীবীর দরজায় ছুটে যাচ্ছেন তিনি। জনাব ডাবলু সরকার ছোট্ট সোনামণিদের কথা চিন্তা করে তাদের জন্য ল্যাকটোজেন দুধ বাচ্চাদের মায়ের হাতে তুলে দেন। এই অনন্য কাজটির কারণে তিনি অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার (নিম্ন আয়ের) মানুষের পাশে দাড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এবং তৃতীয় লিঙ্গের কর্মহীন মানুষের মাঝেও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর তিনি স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে নিজহাতে বিভিন্ন অটোরিক্সা, ব্যাটারিচালিত রিক্সাসহ অন্যান্য যানবাহনে জীবাণুনাশক স্প্রে করেন। পাশাপাশি তিনি নিম্নআয়ের মানুষদের সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করে যাচ্ছেন।

তিনি পুরো রমযান মাসব্যাপী নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন এবং সেহেরির জন্য খাবার বিতরণ করতেও দেখা যায়।

আমরা প্রতিনিয়ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজশাহীর স্থানীয় গণমাধ্যম গুলোর মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি, তিনি প্রতিনিয়ত মৃত্যুবরণকারী মুসলমান ভাইদের জানাযার নামাযে অংশগ্রহণ করছেন আবার হিন্দুধর্মাবলম্বী ভাইদের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানেও তাকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে এই করোনাকালীন সময়ে। সবাই যখন করোনার ভয়াবহতায় নিরুপায় হয়ে বাসায় অবস্থান করছে ঠিক সেই সময় তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে উপস্থিত থাকছেন সব জায়গায়। আমরা সকলে জানি বর্তমান সময়ে অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা মেডিকেল হাসপাতাল। মেডিকেল হাসপাতাল গুলোতে নিজ দলের কোন কর্মী তথা পরিচিতজন অসুস্থ থাকলে স্ব-শরীরে মেডিকেলে উপস্থিত হয়ে সহমর্মিতা জানাচ্ছেন যা অতুলনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত।

এই করোনাকালীন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র নির্দেশে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করছেন । বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে উপস্থিত থেকে নিজ দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বৃক্ষ রোপন করেছেন।

রাজশাহীতে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি সাধ্যমত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের খোঁজখবর রাখছেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাসায় পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য সামগ্রী নিজ উদ্যোগে পৌঁছে দিচ্ছেন যেন আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবার সঙ্গরোধে থাকতে পারে। এর পাশাপাশি তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি তথা তাদের পরিবার তার সাথে অথবা স্ব স্ব ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।

পরিশেষে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মান্না দে’র একটি গানের কথা মনে পড়ছে। যদি কাগজে লেখো নাম, কাগজ ছিড়ে যাবে। পাথরে লেখো নাম, পাথর ক্ষয়ে যাবে, হৃদয়ে লেখো নাম, সে নাম রয়ে যাবে আজীবন। একদিন হয়তোবা পৃথিবী সুস্থ হয়ে উঠবে এবং প্রিয় নেতা জনাব মোঃ ডাবলু সরকারের নাম রাজশাহীর মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় থেকে যাবে৷

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনা দূর্যোগে একজন মানবিক নেতার অদৃশ্যমান গল্প

আপডেট সময় : ০৫:০৮:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০

রাজশাহী প্রতিনিধি : যখন বিশ্বজুড়ে করোনায় থমকে গেছে সারাদেশ। আজও মানুষের জীবন যাত্রার মান বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে স্থবিরতা। এমনতাবস্থায় বৈশ্বিক এই মহামারী মোকাবেলায় মানবিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করার বিকল্প নেই। সচেতনতা ও মানবিক প্রচেষ্টায় এ দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব। বাংলাদেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিলে শুরু থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক জনাব ডাবলু সরকার দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই যুদ্ধে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। পুরো বিশ্বে যখন করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলো এবং বাংলাদেশে এই ভাইরাস সনাক্ত হওয়ার পূর্বে জনাব ডাবলু সরকার শহরের গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকাগুলোতে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন এবং সচেতনতামূলক বাণী পৌঁছে দেন মানুষের দোড়গোড়ায়।

লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষ গুলো গৃহবন্দি হয়ে পড়লে তাদের উপার্জন বন্ধ হয়ে যায়, ফলশ্রুতিতে তারা পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়ে। ঠিক সেই সময় নিম্নআয়ের মানুষের পাশে মানবতার হাত বাড়িয়ে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন তিনি। অসহায়দের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন নিজ সাধ্যমত। লকডাউন এর শুরু থেকে আজ অবধি কোন না কোন শ্রমজীবীর দরজায় ছুটে যাচ্ছেন তিনি। জনাব ডাবলু সরকার ছোট্ট সোনামণিদের কথা চিন্তা করে তাদের জন্য ল্যাকটোজেন দুধ বাচ্চাদের মায়ের হাতে তুলে দেন। এই অনন্য কাজটির কারণে তিনি অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার (নিম্ন আয়ের) মানুষের পাশে দাড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এবং তৃতীয় লিঙ্গের কর্মহীন মানুষের মাঝেও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর তিনি স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে নিজহাতে বিভিন্ন অটোরিক্সা, ব্যাটারিচালিত রিক্সাসহ অন্যান্য যানবাহনে জীবাণুনাশক স্প্রে করেন। পাশাপাশি তিনি নিম্নআয়ের মানুষদের সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করে যাচ্ছেন।

তিনি পুরো রমযান মাসব্যাপী নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন এবং সেহেরির জন্য খাবার বিতরণ করতেও দেখা যায়।

আমরা প্রতিনিয়ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজশাহীর স্থানীয় গণমাধ্যম গুলোর মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি, তিনি প্রতিনিয়ত মৃত্যুবরণকারী মুসলমান ভাইদের জানাযার নামাযে অংশগ্রহণ করছেন আবার হিন্দুধর্মাবলম্বী ভাইদের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানেও তাকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে এই করোনাকালীন সময়ে। সবাই যখন করোনার ভয়াবহতায় নিরুপায় হয়ে বাসায় অবস্থান করছে ঠিক সেই সময় তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে উপস্থিত থাকছেন সব জায়গায়। আমরা সকলে জানি বর্তমান সময়ে অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা মেডিকেল হাসপাতাল। মেডিকেল হাসপাতাল গুলোতে নিজ দলের কোন কর্মী তথা পরিচিতজন অসুস্থ থাকলে স্ব-শরীরে মেডিকেলে উপস্থিত হয়ে সহমর্মিতা জানাচ্ছেন যা অতুলনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত।

এই করোনাকালীন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র নির্দেশে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করছেন । বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে উপস্থিত থেকে নিজ দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বৃক্ষ রোপন করেছেন।

রাজশাহীতে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি সাধ্যমত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের খোঁজখবর রাখছেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাসায় পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য সামগ্রী নিজ উদ্যোগে পৌঁছে দিচ্ছেন যেন আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবার সঙ্গরোধে থাকতে পারে। এর পাশাপাশি তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি তথা তাদের পরিবার তার সাথে অথবা স্ব স্ব ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।

পরিশেষে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মান্না দে’র একটি গানের কথা মনে পড়ছে। যদি কাগজে লেখো নাম, কাগজ ছিড়ে যাবে। পাথরে লেখো নাম, পাথর ক্ষয়ে যাবে, হৃদয়ে লেখো নাম, সে নাম রয়ে যাবে আজীবন। একদিন হয়তোবা পৃথিবী সুস্থ হয়ে উঠবে এবং প্রিয় নেতা জনাব মোঃ ডাবলু সরকারের নাম রাজশাহীর মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় থেকে যাবে৷