সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

ভয় পাচ্ছি করোনাভাইরাস স্যুয়ারেজ হয়ে পানিতে মিশে যাচ্ছে কি না: ড. বিজন শীল। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস স্যুয়ারেজ হয়ে পানিতে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল।

করোনাভাইরাসের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দেশের আলোচিত এই বিজ্ঞানী এমন আশঙ্কা করেন। সম্প্রতি তিনি করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি টেস্টের কিট উদ্ভাবনের মাধ্যমে আলোচনায় উঠে আসেন।

করোনার উপসর্গ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রথম দিকে করোনার লক্ষণ ছিল সামান্য জ্বর, সর্দি-কাশি ও গলাব্যথা থেকে শ্বাসকষ্ট।

কিন্তু এখন ডায়রিয়া কমন হয়ে পড়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। এখান থেকে আমি ভয় পাচ্ছি স্যুয়ারেজ হয়ে এই ভাইরাস পানিতে যাচ্ছে কি না।
তিনি বলেন, পানিতে করোনাভাইরাস কী অবস্থায় ছড়ায়, সে সম্পর্কে কিন্তু এখনও পরিষ্কার ধারণা আসেনি। যেমনটা শুরুতে বাতাসে ছড়ায় না বলা হলেও এখন সেটা হচ্ছে।

করোনার দ্বিতীয়বার সংক্রমণ নিয়ে ড. বিজন কুমার শীল বলেন, অনেকেই দ্বিতীয়বার সংক্রমণের কথা বলছেন। যারা বলছেন তারা কিসের ভিত্তিতে বলছেন, কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন কি না, সেটা দেখতে হবে। এটা হতে পারে অনেকের মধ্যে ভাইরাস দীর্ঘদিন মুখে বা নাকের ভেতর থেকে যায়। হয়তো দেখা গেল তার অন্য কোনও কারণে সর্দি বা হাঁচি-কাশি হল, তখন যদি তার পরীক্ষা করা হয়?হয়তো আরটিপিসিআর টেস্টের রেজাল্ট পজিটিভ আসবে। কিন্তু সেই উপসর্গ ওই ভাইরাসের জন্য নয়।

কারণ ওই ভাইরাস ডেড ভাইরাস, সক্রিয় নয়। তবুও বলব, এই বিষয়গুলো নিয়ে দেশে ভালো একটা সমীক্ষা হওয়া প্রয়োজন, যা থেকে মিউটেশন পরিস্থিতি যেমন বুঝতে পারা যাবে, আবার রি-ইনফেশন নিয়ে মানুষের বিভ্রান্তিও দূর হবে।
করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে ড. বিজন কুমার বলেন, এ ক্ষেত্রে মিউটেশনের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলে সুফল পাওয়া কিছুটা কঠিন হবে। কারণ এখন করোনা সংক্রমণ হচ্ছে মিউকাস অ্যাসোসিয়েটেড। ভ্যাকসিন হতে হবে সেই মোতাবেক। অ্যান্টিবডি কিভাবে কতটা হচ্ছে, না হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করবে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা। সূত্র: কালেরকণ্ঠ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভয় পাচ্ছি করোনাভাইরাস স্যুয়ারেজ হয়ে পানিতে মিশে যাচ্ছে কি না: ড. বিজন শীল। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস স্যুয়ারেজ হয়ে পানিতে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল।

করোনাভাইরাসের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দেশের আলোচিত এই বিজ্ঞানী এমন আশঙ্কা করেন। সম্প্রতি তিনি করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি টেস্টের কিট উদ্ভাবনের মাধ্যমে আলোচনায় উঠে আসেন।

করোনার উপসর্গ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রথম দিকে করোনার লক্ষণ ছিল সামান্য জ্বর, সর্দি-কাশি ও গলাব্যথা থেকে শ্বাসকষ্ট।

কিন্তু এখন ডায়রিয়া কমন হয়ে পড়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। এখান থেকে আমি ভয় পাচ্ছি স্যুয়ারেজ হয়ে এই ভাইরাস পানিতে যাচ্ছে কি না।
তিনি বলেন, পানিতে করোনাভাইরাস কী অবস্থায় ছড়ায়, সে সম্পর্কে কিন্তু এখনও পরিষ্কার ধারণা আসেনি। যেমনটা শুরুতে বাতাসে ছড়ায় না বলা হলেও এখন সেটা হচ্ছে।

করোনার দ্বিতীয়বার সংক্রমণ নিয়ে ড. বিজন কুমার শীল বলেন, অনেকেই দ্বিতীয়বার সংক্রমণের কথা বলছেন। যারা বলছেন তারা কিসের ভিত্তিতে বলছেন, কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন কি না, সেটা দেখতে হবে। এটা হতে পারে অনেকের মধ্যে ভাইরাস দীর্ঘদিন মুখে বা নাকের ভেতর থেকে যায়। হয়তো দেখা গেল তার অন্য কোনও কারণে সর্দি বা হাঁচি-কাশি হল, তখন যদি তার পরীক্ষা করা হয়?হয়তো আরটিপিসিআর টেস্টের রেজাল্ট পজিটিভ আসবে। কিন্তু সেই উপসর্গ ওই ভাইরাসের জন্য নয়।

কারণ ওই ভাইরাস ডেড ভাইরাস, সক্রিয় নয়। তবুও বলব, এই বিষয়গুলো নিয়ে দেশে ভালো একটা সমীক্ষা হওয়া প্রয়োজন, যা থেকে মিউটেশন পরিস্থিতি যেমন বুঝতে পারা যাবে, আবার রি-ইনফেশন নিয়ে মানুষের বিভ্রান্তিও দূর হবে।
করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে ড. বিজন কুমার বলেন, এ ক্ষেত্রে মিউটেশনের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলে সুফল পাওয়া কিছুটা কঠিন হবে। কারণ এখন করোনা সংক্রমণ হচ্ছে মিউকাস অ্যাসোসিয়েটেড। ভ্যাকসিন হতে হবে সেই মোতাবেক। অ্যান্টিবডি কিভাবে কতটা হচ্ছে, না হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করবে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা। সূত্র: কালেরকণ্ঠ