সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

নীলফামারীতে বন্যায় ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ ১৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃগোলাম রাব্বানী ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। দিন দিন বেড়েই চলছে পানিবন্দির সংখ্যা।

সোমবার তিস্তা অববাহিকায় বন্যার কারনে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৪০ হাজার মানুষ। উজানের পাহাড়ী ঢল ও ভারী বর্ষনের ফলে তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫২.৬০) স্বাভাবিক, সকাল ৬টায় (৫৩দশমিক ১.২ সেন্টিমিটার) ৫৫ সেন্টিমিটার উপড় দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বন্যা ও ভাঙ্গনের কারনে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করেছে।

জনপ্রনিধিদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী পানিবন্দি হয়ে পড়েছে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৮ হাজার পরিবারের প্রায় ৪০হাজার মানুষ। রবিবার সন্ধা হতে সোমবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫৩দশমিক ০.৪সেন্টিমিটার) ৫৪ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

সোমবার দুপুর হতে বিকেল পর্যন্ত তিস্তার পানি কমে বিপদসীমার (৫২দশমিক৭৮ সেন্টিমিটার) ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে দিয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (পাউবো)।বন্যার কারনে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৮ হাজার পরিবারের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।

ডালিয়া (পাউবো) ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতের কারনে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫৩দশমিক ০.৪সেন্টিমিটার) ৫৪ সেন্টিমিটার উপড় দিয়ে প্রবাহিত হয়।

বিকেলে তিস্তা নদীর পানি কমে বিপদসীমার (৫২দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার) ১৮সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে এবং আমরা সব সময় সতর্কবস্থায় রয়েছি।

বন্যার কারনে ভাঙ্গন ঠেকাতে ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নে ১৯শ ও খালিশা চাপানী ইউনিয়নে ১শ জিও ব্যাগ বিতরন করা হয়েছে। এছাড়া ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানিবন্দিদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নীলফামারীতে বন্যায় ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০

মোঃগোলাম রাব্বানী ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। দিন দিন বেড়েই চলছে পানিবন্দির সংখ্যা।

সোমবার তিস্তা অববাহিকায় বন্যার কারনে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৪০ হাজার মানুষ। উজানের পাহাড়ী ঢল ও ভারী বর্ষনের ফলে তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫২.৬০) স্বাভাবিক, সকাল ৬টায় (৫৩দশমিক ১.২ সেন্টিমিটার) ৫৫ সেন্টিমিটার উপড় দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বন্যা ও ভাঙ্গনের কারনে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করেছে।

জনপ্রনিধিদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী পানিবন্দি হয়ে পড়েছে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৮ হাজার পরিবারের প্রায় ৪০হাজার মানুষ। রবিবার সন্ধা হতে সোমবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫৩দশমিক ০.৪সেন্টিমিটার) ৫৪ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

সোমবার দুপুর হতে বিকেল পর্যন্ত তিস্তার পানি কমে বিপদসীমার (৫২দশমিক৭৮ সেন্টিমিটার) ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে দিয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (পাউবো)।বন্যার কারনে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৮ হাজার পরিবারের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।

ডালিয়া (পাউবো) ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতের কারনে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫৩দশমিক ০.৪সেন্টিমিটার) ৫৪ সেন্টিমিটার উপড় দিয়ে প্রবাহিত হয়।

বিকেলে তিস্তা নদীর পানি কমে বিপদসীমার (৫২দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার) ১৮সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে এবং আমরা সব সময় সতর্কবস্থায় রয়েছি।

বন্যার কারনে ভাঙ্গন ঠেকাতে ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নে ১৯শ ও খালিশা চাপানী ইউনিয়নে ১শ জিও ব্যাগ বিতরন করা হয়েছে। এছাড়া ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানিবন্দিদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরন করেছেন।