সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

করোনায় শাহানারা আব্দুল্লাহ মৃত্যু এ নিয়ে বরিশালে তোলপাড়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২০ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
প্রথমে হেপাটাইটিসে আক্রান্ত এবং পরে অসুস্থ অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী সাহানারা বেগম। কিন্তু তার মৃত্যু করোনায় হয়েছে বলে প্রচার করছে কে বা কারা, যা নিয়ে বরিশালে তোলপাড় চলছে।

বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক পদে থাকা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর স্ত্রী সাহানারা বেগম গত ৭ জুন রোববার রাতে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর মা।

সাহানারা বেগমের ভাই আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মফিজুল ইসলাম কামাল বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন আমার বড় বোন সাহানারা বেগম। ঢাকায় নিজ বাসভবনে থাকাবস্থায় জণ্ডিসে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বিএসএমএমইউয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। কিন্তু সম্প্রতি একটি অপ-প্রচার চালানো হচ্ছে যে তিনি নাকি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এটি পুরোপুরি মিথ্যা। কে বা কারা এই অপপ্রচার চালাচ্ছে আমরা জানি না। বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রচণ্ড বিব্রত।

সাহানারা বেগমের মেজ ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক সেরনিয়াবাত মঈন উদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক যে আমার মায়ের মৃত্যুর কারণ যেখানে দিবালোকের মতো স্পষ্ট, সেখানে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মা মারা যাওয়ার পর হাসপাতাল থেকে দেয়া ডেথ সার্টিফিকেটে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হার্ট অ্যাটাকের কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার করোনা পরীক্ষাও করা হয়। তাতে ফলাফল নেগেটিভ আসে। তাছাড়া দেশ এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমার মা যদি করোনা আক্রান্তও হতেন তাহলে সেটা লুকোনোর মতো তো কিছু ছিল না। মায়ের মৃত্যুর পর বরিশালে তার জানাজা এবং দাফন হয়েছে। প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরাও সব জানেন। তারপরও কেন এভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সেটা আমাদের বোধগম্য নয়।

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, সাহানারা বেগমের মতো একজন প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদ এবং সংস্কৃতি কর্মীর মৃত্যু নিয়ে এভাবে অপপ্রচারের আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা আশা করব, যে বা যারাই এ সব অপপ্রচার চালাচ্ছেন তারা যেন এই হীন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেন।

এ দিকে আলোচ্য প্রচারণার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সাহানারা বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেয়া হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। শুক্রবার ওই বিবৃতি বিভিন্ন সংবাদপত্রের অফিসে পৌঁছে দেয়া হয়।

সুত্র: যুগান্তর

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনায় শাহানারা আব্দুল্লাহ মৃত্যু এ নিয়ে বরিশালে তোলপাড়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
প্রথমে হেপাটাইটিসে আক্রান্ত এবং পরে অসুস্থ অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী সাহানারা বেগম। কিন্তু তার মৃত্যু করোনায় হয়েছে বলে প্রচার করছে কে বা কারা, যা নিয়ে বরিশালে তোলপাড় চলছে।

বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক পদে থাকা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর স্ত্রী সাহানারা বেগম গত ৭ জুন রোববার রাতে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর মা।

সাহানারা বেগমের ভাই আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মফিজুল ইসলাম কামাল বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন আমার বড় বোন সাহানারা বেগম। ঢাকায় নিজ বাসভবনে থাকাবস্থায় জণ্ডিসে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বিএসএমএমইউয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। কিন্তু সম্প্রতি একটি অপ-প্রচার চালানো হচ্ছে যে তিনি নাকি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এটি পুরোপুরি মিথ্যা। কে বা কারা এই অপপ্রচার চালাচ্ছে আমরা জানি না। বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রচণ্ড বিব্রত।

সাহানারা বেগমের মেজ ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক সেরনিয়াবাত মঈন উদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক যে আমার মায়ের মৃত্যুর কারণ যেখানে দিবালোকের মতো স্পষ্ট, সেখানে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মা মারা যাওয়ার পর হাসপাতাল থেকে দেয়া ডেথ সার্টিফিকেটে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হার্ট অ্যাটাকের কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার করোনা পরীক্ষাও করা হয়। তাতে ফলাফল নেগেটিভ আসে। তাছাড়া দেশ এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমার মা যদি করোনা আক্রান্তও হতেন তাহলে সেটা লুকোনোর মতো তো কিছু ছিল না। মায়ের মৃত্যুর পর বরিশালে তার জানাজা এবং দাফন হয়েছে। প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরাও সব জানেন। তারপরও কেন এভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সেটা আমাদের বোধগম্য নয়।

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, সাহানারা বেগমের মতো একজন প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদ এবং সংস্কৃতি কর্মীর মৃত্যু নিয়ে এভাবে অপপ্রচারের আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা আশা করব, যে বা যারাই এ সব অপপ্রচার চালাচ্ছেন তারা যেন এই হীন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেন।

এ দিকে আলোচ্য প্রচারণার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সাহানারা বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেয়া হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। শুক্রবার ওই বিবৃতি বিভিন্ন সংবাদপত্রের অফিসে পৌঁছে দেয়া হয়।

সুত্র: যুগান্তর