সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, চালকদের সম্মাননা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত

লঞ্চের কেবিনে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণে প্রেমিক গ্রেপ্তার। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০ ২৫৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: বেড়াতে নেয়ার কথা বলে লঞ্চের কেবিনে কিশোরীকে (১৭) একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে সালাউদ্দিন (৩০) নামে কথিত প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।

গ্রেফতার সালাউদ্দিনকে বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। এর আগে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করলে রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত সালাউদ্দিনকে আটক করে।

সালাউদ্দিন চাঁদপুর পৌরসভার উত্তর জিটি রোডের সিদ্দিক আলীর ছেলে। সে ফতুল্লার আমতলা প্রেম রোড এলাকার বাবুল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থেকে ফতুল্লায় ঝুটের ব্যবসা করতো বলে জানা গেছে।

ভুক্তভুগী কিশোরী জানান, তিনি ফতুল্লার এনায়েতনগর এলাকার একটি হোসিয়ারীতে কাজ করতো। সেখানে সালাউদ্দিনের সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর বিগত ৩ বছর ধরে প্রেম চলে তার সাথে। এরই মধ্যে বিয়ের কথাও হয় প্রেমিকের সাথে তার। তিনি আরও জানায়, গত ১১ জানুয়ারি সকালে ফতুল্লার পঞ্চবটি বাসস্ট্যান্ডে তাকে তার প্রেমিক আসতে বলে। এরপর সেখান থেকে কৌশলে তাকে অপহরণ করে ঢাকার সদরঘাট এলাকায় নিয়ে যায়। কিশোরী লঞ্চে উঠতে গড়িমসি করে। প্রেমিক আশ্বাস দেয় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে বিয়ে করবে। এরপর চাঁদপুরগামী একটি লঞ্চের কেবিনে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে চাঁদপুর থেকে ফিরে আসার পথেও সালাউদ্দিন তাকে পুনরায় যৌন নির্যাতন করে। বিকেলে তাকে সাইনবোর্ড এলাকায় রেখে সালাউদ্দিন তার বাসায় চলে যায়। ঘটনার পর একাধিকবার সালাউদ্দিনকে ফোন করা হলেও সে তার মোবাইল ফোন রিসিভ করেনি।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আসলাম হোসেন সাংবাদিকদের জানান, নির্যাতিত কিশোরী মঙ্গলবার রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দিলে অভিযুক্তকে রাতেই প্রথমে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত সালাউদ্দিন কিশোরীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইনে মামলা নিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লঞ্চের কেবিনে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণে প্রেমিক গ্রেপ্তার। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: বেড়াতে নেয়ার কথা বলে লঞ্চের কেবিনে কিশোরীকে (১৭) একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে সালাউদ্দিন (৩০) নামে কথিত প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।

গ্রেফতার সালাউদ্দিনকে বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। এর আগে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করলে রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত সালাউদ্দিনকে আটক করে।

সালাউদ্দিন চাঁদপুর পৌরসভার উত্তর জিটি রোডের সিদ্দিক আলীর ছেলে। সে ফতুল্লার আমতলা প্রেম রোড এলাকার বাবুল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থেকে ফতুল্লায় ঝুটের ব্যবসা করতো বলে জানা গেছে।

ভুক্তভুগী কিশোরী জানান, তিনি ফতুল্লার এনায়েতনগর এলাকার একটি হোসিয়ারীতে কাজ করতো। সেখানে সালাউদ্দিনের সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর বিগত ৩ বছর ধরে প্রেম চলে তার সাথে। এরই মধ্যে বিয়ের কথাও হয় প্রেমিকের সাথে তার। তিনি আরও জানায়, গত ১১ জানুয়ারি সকালে ফতুল্লার পঞ্চবটি বাসস্ট্যান্ডে তাকে তার প্রেমিক আসতে বলে। এরপর সেখান থেকে কৌশলে তাকে অপহরণ করে ঢাকার সদরঘাট এলাকায় নিয়ে যায়। কিশোরী লঞ্চে উঠতে গড়িমসি করে। প্রেমিক আশ্বাস দেয় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে বিয়ে করবে। এরপর চাঁদপুরগামী একটি লঞ্চের কেবিনে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে চাঁদপুর থেকে ফিরে আসার পথেও সালাউদ্দিন তাকে পুনরায় যৌন নির্যাতন করে। বিকেলে তাকে সাইনবোর্ড এলাকায় রেখে সালাউদ্দিন তার বাসায় চলে যায়। ঘটনার পর একাধিকবার সালাউদ্দিনকে ফোন করা হলেও সে তার মোবাইল ফোন রিসিভ করেনি।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আসলাম হোসেন সাংবাদিকদের জানান, নির্যাতিত কিশোরী মঙ্গলবার রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দিলে অভিযুক্তকে রাতেই প্রথমে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত সালাউদ্দিন কিশোরীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইনে মামলা নিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।