সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, চালকদের সম্মাননা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত নানা আয়োজনে ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত

র‌্যাব-৮, এর অভিযানে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ০৫ ভূয়া ডাক্তার আটক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২০ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

র‌্যাব-৮, বরিশাল এর অভিযানে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ০৫ ভূয়া ডাক্তার আটক।

এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন যাবৎ পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানধীন ভান্ডারিয়া পৌরসভা এলাকায় কয়েকজন ভূয়া ডাক্তার লোকজনকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এমন সংবাদ প্রাপ্তিতে র‌্যাব-৮, বরিশালের একটি আভিযানিক দল ঐ এলাকায় মোঃ ইয়াসিন খন্দকার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পিরোজপুর ও ডাঃ মোঃ এ.আইচ.এম. ফাহাদ, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভান্ডারিয়া এর সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এবং হাতেনাতে শামীম আকন, জনতা ডেন্টাল কেয়ারের মোঃ ফাইজুল হক রানা, মডার্ন ডেন্টাল কেয়ারের মোঃ বাবুল হোসেন, মহিউদ্দিন আহম্মেদ পলাশ, জসিম উদ্দিন শাহীন ও শামীম আকনের ক্লিনিক ভবন মালিক আব্দুল কাদের হাওলাদার’কে আটক করে। তারা সহজ সরল মানুষকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা করে আসছে যা খুবই বিপজ্জনক। তারা তাদের স্বপক্ষে কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং মোবাইল কোর্টের সামনে তাদের দোষ স্বীকার করে। মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত শামীম আকনকে বছরের জেল, মোঃ ফাইজুল হক রানাকে ৬ মাসের ,মহিউদ্দিন আহম্মেদ পলাশকে ৬ মাসের, জসিম উদ্দিন শাহীনকে ৪ মাস ও মোঃ বাবুল হোসেনকে ২ মাস এবং আব্দুল কাদের হাওলাদারকে শামীম আকনকে বাসা ভাড়া দিয়ে উক্ত কাজে সহযোগিতা করার দায়ে ১৫,০০০/- টাকা জরিমানা করেন। ৫ জন ভূয়া ডাক্তারের ৫টি চেম্বার ও ক্লিনিক সিলগালা করা হয়। উল্লেখ্য শামীম আকন বহুদিন ধরে জাব দিয়ে ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগানোর মত চিকিৎসা দিয়ে আসছে। এক্ষেত্রে সে গাছগাছালি ছাড়াও গরুর মূত্র চিকিৎসা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে এবং ইট দিয়ে ভাঙ্গা হাত বা পায়ে টানা দেয়। তার কোন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকার পরেও সে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রোগের চিকিৎসা করে। তার ক্লিনিক থেকে ৫ জন রোগীকে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানন্তরিত করা হয়েছে। অন্য সব ভূয়া ডাক্তার অবৈধভাবে দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে আসছিল। এ সময় স্থানীয় লোকজন সন্তোষ প্রকাশ করেন।
র‌্যাবের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

র‌্যাব-৮, এর অভিযানে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ০৫ ভূয়া ডাক্তার আটক।

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২০

র‌্যাব-৮, বরিশাল এর অভিযানে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ০৫ ভূয়া ডাক্তার আটক।

এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন যাবৎ পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানধীন ভান্ডারিয়া পৌরসভা এলাকায় কয়েকজন ভূয়া ডাক্তার লোকজনকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এমন সংবাদ প্রাপ্তিতে র‌্যাব-৮, বরিশালের একটি আভিযানিক দল ঐ এলাকায় মোঃ ইয়াসিন খন্দকার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পিরোজপুর ও ডাঃ মোঃ এ.আইচ.এম. ফাহাদ, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভান্ডারিয়া এর সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এবং হাতেনাতে শামীম আকন, জনতা ডেন্টাল কেয়ারের মোঃ ফাইজুল হক রানা, মডার্ন ডেন্টাল কেয়ারের মোঃ বাবুল হোসেন, মহিউদ্দিন আহম্মেদ পলাশ, জসিম উদ্দিন শাহীন ও শামীম আকনের ক্লিনিক ভবন মালিক আব্দুল কাদের হাওলাদার’কে আটক করে। তারা সহজ সরল মানুষকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা করে আসছে যা খুবই বিপজ্জনক। তারা তাদের স্বপক্ষে কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং মোবাইল কোর্টের সামনে তাদের দোষ স্বীকার করে। মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত শামীম আকনকে বছরের জেল, মোঃ ফাইজুল হক রানাকে ৬ মাসের ,মহিউদ্দিন আহম্মেদ পলাশকে ৬ মাসের, জসিম উদ্দিন শাহীনকে ৪ মাস ও মোঃ বাবুল হোসেনকে ২ মাস এবং আব্দুল কাদের হাওলাদারকে শামীম আকনকে বাসা ভাড়া দিয়ে উক্ত কাজে সহযোগিতা করার দায়ে ১৫,০০০/- টাকা জরিমানা করেন। ৫ জন ভূয়া ডাক্তারের ৫টি চেম্বার ও ক্লিনিক সিলগালা করা হয়। উল্লেখ্য শামীম আকন বহুদিন ধরে জাব দিয়ে ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগানোর মত চিকিৎসা দিয়ে আসছে। এক্ষেত্রে সে গাছগাছালি ছাড়াও গরুর মূত্র চিকিৎসা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে এবং ইট দিয়ে ভাঙ্গা হাত বা পায়ে টানা দেয়। তার কোন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকার পরেও সে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রোগের চিকিৎসা করে। তার ক্লিনিক থেকে ৫ জন রোগীকে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানন্তরিত করা হয়েছে। অন্য সব ভূয়া ডাক্তার অবৈধভাবে দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে আসছিল। এ সময় স্থানীয় লোকজন সন্তোষ প্রকাশ করেন।
র‌্যাবের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।