সংবাদ শিরোনাম ::
সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট

র‌্যাব-৮, এর অভিযানে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ০৫ ভূয়া ডাক্তার আটক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২০ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

র‌্যাব-৮, বরিশাল এর অভিযানে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ০৫ ভূয়া ডাক্তার আটক।

এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন যাবৎ পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানধীন ভান্ডারিয়া পৌরসভা এলাকায় কয়েকজন ভূয়া ডাক্তার লোকজনকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এমন সংবাদ প্রাপ্তিতে র‌্যাব-৮, বরিশালের একটি আভিযানিক দল ঐ এলাকায় মোঃ ইয়াসিন খন্দকার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পিরোজপুর ও ডাঃ মোঃ এ.আইচ.এম. ফাহাদ, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভান্ডারিয়া এর সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এবং হাতেনাতে শামীম আকন, জনতা ডেন্টাল কেয়ারের মোঃ ফাইজুল হক রানা, মডার্ন ডেন্টাল কেয়ারের মোঃ বাবুল হোসেন, মহিউদ্দিন আহম্মেদ পলাশ, জসিম উদ্দিন শাহীন ও শামীম আকনের ক্লিনিক ভবন মালিক আব্দুল কাদের হাওলাদার’কে আটক করে। তারা সহজ সরল মানুষকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা করে আসছে যা খুবই বিপজ্জনক। তারা তাদের স্বপক্ষে কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং মোবাইল কোর্টের সামনে তাদের দোষ স্বীকার করে। মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত শামীম আকনকে বছরের জেল, মোঃ ফাইজুল হক রানাকে ৬ মাসের ,মহিউদ্দিন আহম্মেদ পলাশকে ৬ মাসের, জসিম উদ্দিন শাহীনকে ৪ মাস ও মোঃ বাবুল হোসেনকে ২ মাস এবং আব্দুল কাদের হাওলাদারকে শামীম আকনকে বাসা ভাড়া দিয়ে উক্ত কাজে সহযোগিতা করার দায়ে ১৫,০০০/- টাকা জরিমানা করেন। ৫ জন ভূয়া ডাক্তারের ৫টি চেম্বার ও ক্লিনিক সিলগালা করা হয়। উল্লেখ্য শামীম আকন বহুদিন ধরে জাব দিয়ে ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগানোর মত চিকিৎসা দিয়ে আসছে। এক্ষেত্রে সে গাছগাছালি ছাড়াও গরুর মূত্র চিকিৎসা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে এবং ইট দিয়ে ভাঙ্গা হাত বা পায়ে টানা দেয়। তার কোন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকার পরেও সে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রোগের চিকিৎসা করে। তার ক্লিনিক থেকে ৫ জন রোগীকে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানন্তরিত করা হয়েছে। অন্য সব ভূয়া ডাক্তার অবৈধভাবে দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে আসছিল। এ সময় স্থানীয় লোকজন সন্তোষ প্রকাশ করেন।
র‌্যাবের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

র‌্যাব-৮, এর অভিযানে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ০৫ ভূয়া ডাক্তার আটক।

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২০

র‌্যাব-৮, বরিশাল এর অভিযানে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ০৫ ভূয়া ডাক্তার আটক।

এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন যাবৎ পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানধীন ভান্ডারিয়া পৌরসভা এলাকায় কয়েকজন ভূয়া ডাক্তার লোকজনকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এমন সংবাদ প্রাপ্তিতে র‌্যাব-৮, বরিশালের একটি আভিযানিক দল ঐ এলাকায় মোঃ ইয়াসিন খন্দকার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পিরোজপুর ও ডাঃ মোঃ এ.আইচ.এম. ফাহাদ, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভান্ডারিয়া এর সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এবং হাতেনাতে শামীম আকন, জনতা ডেন্টাল কেয়ারের মোঃ ফাইজুল হক রানা, মডার্ন ডেন্টাল কেয়ারের মোঃ বাবুল হোসেন, মহিউদ্দিন আহম্মেদ পলাশ, জসিম উদ্দিন শাহীন ও শামীম আকনের ক্লিনিক ভবন মালিক আব্দুল কাদের হাওলাদার’কে আটক করে। তারা সহজ সরল মানুষকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা করে আসছে যা খুবই বিপজ্জনক। তারা তাদের স্বপক্ষে কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং মোবাইল কোর্টের সামনে তাদের দোষ স্বীকার করে। মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত শামীম আকনকে বছরের জেল, মোঃ ফাইজুল হক রানাকে ৬ মাসের ,মহিউদ্দিন আহম্মেদ পলাশকে ৬ মাসের, জসিম উদ্দিন শাহীনকে ৪ মাস ও মোঃ বাবুল হোসেনকে ২ মাস এবং আব্দুল কাদের হাওলাদারকে শামীম আকনকে বাসা ভাড়া দিয়ে উক্ত কাজে সহযোগিতা করার দায়ে ১৫,০০০/- টাকা জরিমানা করেন। ৫ জন ভূয়া ডাক্তারের ৫টি চেম্বার ও ক্লিনিক সিলগালা করা হয়। উল্লেখ্য শামীম আকন বহুদিন ধরে জাব দিয়ে ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগানোর মত চিকিৎসা দিয়ে আসছে। এক্ষেত্রে সে গাছগাছালি ছাড়াও গরুর মূত্র চিকিৎসা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে এবং ইট দিয়ে ভাঙ্গা হাত বা পায়ে টানা দেয়। তার কোন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকার পরেও সে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রোগের চিকিৎসা করে। তার ক্লিনিক থেকে ৫ জন রোগীকে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানন্তরিত করা হয়েছে। অন্য সব ভূয়া ডাক্তার অবৈধভাবে দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে আসছিল। এ সময় স্থানীয় লোকজন সন্তোষ প্রকাশ করেন।
র‌্যাবের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।