সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, চালকদের সম্মাননা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত নানা আয়োজনে ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত

পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা ফাঁসাতে গিয়ে বাবা নিজেই আসামি। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ ২২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা গ্রামে পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা করতে গিয়ে পালক পিতা ওই ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটু নিজেই আসামি হয়ে জেল খেটেছেন। ধর্ষণ ঘটনার মূল আসামি মাসুদ মিয়ার বিচার এবং মিথ্যা ধর্ষণ মামলা থেকে পালক পিতার অব্যাহতি, সুবিচারসহ পুলিশের অন্যায়-দুর্নীতির প্রতিকারের দাবি জানিয়ে সোমবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেই মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় চার নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটুর সাথে তার বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তাকে ফাঁসাতে নানা ফন্দি আঁটেন। চেয়ারম্যানের নিকটতম প্রতিবেশী একই ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্তলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মাসুদ মিয়া তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এই প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরেই গত ৩ মে রাতে নিজ বাড়িতে তাকে একা পেয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে মাসুদ মিয়া। কিন্তু পরে মাসুদ মিয়া পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পর দিন ৪ মে ধর্ষিত মেয়েকে নিয়ে ইদ্রিস আলী ও তার স্ত্রী শিউলী বেগম থানায় ধর্ষক মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে চেয়ারম্যানের প্রভাবে তাদের বেআইনিভাবে আটক করে হাজতে রাখে পুলিশ। সেখানে তাদের গালিগালাজ ও মারপিট করা হয়। শুধু তাই নয়, পুলিশ জোর করে মেয়েকে দিয়ে উল্টো চেংটুর বিরুদ্ধেই ধর্ষণ ও অকাল গর্ভপাত ঘটানোর মিথ্যা অভিযোগে জোর করে স্বাক্ষর নিয়ে মামলা দায়ের করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী, শিউলী বেগম, ধর্ষিতা, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, প্রকৃত পক্ষে একটি নিরীহ ছেলেকে ফাঁসাতে গিয়ে ইদ্রিস নিজেই ফেঁসে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা ফাঁসাতে গিয়ে বাবা নিজেই আসামি। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা গ্রামে পালিত মেয়ের ধর্ষণের মামলা করতে গিয়ে পালক পিতা ওই ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটু নিজেই আসামি হয়ে জেল খেটেছেন। ধর্ষণ ঘটনার মূল আসামি মাসুদ মিয়ার বিচার এবং মিথ্যা ধর্ষণ মামলা থেকে পালক পিতার অব্যাহতি, সুবিচারসহ পুলিশের অন্যায়-দুর্নীতির প্রতিকারের দাবি জানিয়ে সোমবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেই মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় চার নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটুর সাথে তার বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তাকে ফাঁসাতে নানা ফন্দি আঁটেন। চেয়ারম্যানের নিকটতম প্রতিবেশী একই ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্তলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মাসুদ মিয়া তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এই প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরেই গত ৩ মে রাতে নিজ বাড়িতে তাকে একা পেয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে মাসুদ মিয়া। কিন্তু পরে মাসুদ মিয়া পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পর দিন ৪ মে ধর্ষিত মেয়েকে নিয়ে ইদ্রিস আলী ও তার স্ত্রী শিউলী বেগম থানায় ধর্ষক মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে চেয়ারম্যানের প্রভাবে তাদের বেআইনিভাবে আটক করে হাজতে রাখে পুলিশ। সেখানে তাদের গালিগালাজ ও মারপিট করা হয়। শুধু তাই নয়, পুলিশ জোর করে মেয়েকে দিয়ে উল্টো চেংটুর বিরুদ্ধেই ধর্ষণ ও অকাল গর্ভপাত ঘটানোর মিথ্যা অভিযোগে জোর করে স্বাক্ষর নিয়ে মামলা দায়ের করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী, শিউলী বেগম, ধর্ষিতা, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এ টি এম রেজানুল ইসলাম বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, প্রকৃত পক্ষে একটি নিরীহ ছেলেকে ফাঁসাতে গিয়ে ইদ্রিস নিজেই ফেঁসে যান।