সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, চালকদের সম্মাননা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত নানা আয়োজনে ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাকে ব্যবহার করেছে। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ ৩২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরগুনা প্রতিনিধি::: তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী স্বামীর সংসার করতে তার বাড়িতে ডুকলে ওই ভাড়াটিয়া ঘরের মালিক মতিউর রহমানের ছেলে মাহমুদ হাওয়া বেগমকে (২২) মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় হাওয়া বেগমের আড়াই বছরের কন্যা শিশু জান্নাতিকে কোল থেকে টেনে ছুরে মাটিতে ছেলে দেয় মাহমুদ।

এঘটনায় শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধা ৬টার দিকে মা ও মেয়ে জান্নাতিকে পাথরঘাটা থানা পুলিশ উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করেন। বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানা পুলিশের ওসি শাহাবুদ্দিন।

হাওয়া বেগম উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জামাল মিস্ত্রির স্ত্রী ও সদর ইউনিয়নের হরিণঘাটা গ্রামের মো. ফারুক দফাদারের মেয়ে।

হাওয়া বেগম জানান, স্বামীর সাথে আমার তালাক হওয়ার পর থেকেই সে আমার সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে আমার সাথে যোগাযোগ করে ফের বিয়ে করে সংসার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার সাথে কয়েক দফায় শারিরীক সম্পর্ক করতে থাকে। এক পর্যায় আমাকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে গেলে আমি বিয়ের কথা বলি। সে সময় জামাল আমাকে ঘরের তালা ভেঙ্গে উঠতে বললে আমি ঘরে গিয়ে থাকতে শুরু করি। তার একদি পরেই ঘর মালিকে ছেলে মাহমুদ, দুলাল খান ও তার বোন ফাতিমা আমার ঘরে ঢুকে প্রথমে বৃদ্ধ মাকে মারধর শুরু করে। পরে আমি বাধাঁ দিলে আমার কোলে থাকা আড়াই বছরের শিশু জান্নাতিকে ছুরে ফেলে দেয় মাহমুদ। মেয়েকে ধরতে গেলে গাছের চ্যারা দিয়ে পিটিয়ে আমাকে অজ্ঞান করে ফেলে।

হাওয়া বেগমের মা ফিরোজা বেগম জানান, জামালের কাছ থেকে গত নভেম্বর মাসের ২৭ তারিখ আমার মেয়ের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এর পর থেকেই জামাল বিভিন্ন সময় আমার মেয়ের সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে শুরু করে। এক পর্যায় আমি বাড়ি না থাকায় মেয়েকে বিয়ের কথা বলে পাথরঘাটা বাজারে নিয়ে আসলে সেখান থেকে তার বাড়িতে নিয়ে পূর্ণরায় নির্যাতন শুরু করে। পরে পাথরঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার মেয়েকে জামালের বাড়ি থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। এবিষয়ে বৃহস্পতিকার পাথরঘাটা থানা অভিযোগ করেছি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাওয়া বেগম আমার ভাড়া দেয়া ঘরের তালা ভেঙ্গে প্রবেশের কারন জানতে চাইলে তারা উল্টো আমাদের উপর হামলার চেস্টা করে। পরে সামাল দিতে পুলিশকে অবহিত করেছি।

পাথরঘাটা থানা পুলিশের কর্মকর্তা (ওসি) শাহাবুদ্দিন জানান, এঘটনায় হাওয়ার মা ফিরোজা বেগম তার মেয়েকে ফুসলিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় থানা একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তবে শুক্রবার রাতের মারধরের ঘটনার এখনো লিখিত কোন অভিযোগ আসেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাকে ব্যবহার করেছে। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৯

বরগুনা প্রতিনিধি::: তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী স্বামীর সংসার করতে তার বাড়িতে ডুকলে ওই ভাড়াটিয়া ঘরের মালিক মতিউর রহমানের ছেলে মাহমুদ হাওয়া বেগমকে (২২) মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় হাওয়া বেগমের আড়াই বছরের কন্যা শিশু জান্নাতিকে কোল থেকে টেনে ছুরে মাটিতে ছেলে দেয় মাহমুদ।

এঘটনায় শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধা ৬টার দিকে মা ও মেয়ে জান্নাতিকে পাথরঘাটা থানা পুলিশ উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করেন। বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানা পুলিশের ওসি শাহাবুদ্দিন।

হাওয়া বেগম উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জামাল মিস্ত্রির স্ত্রী ও সদর ইউনিয়নের হরিণঘাটা গ্রামের মো. ফারুক দফাদারের মেয়ে।

হাওয়া বেগম জানান, স্বামীর সাথে আমার তালাক হওয়ার পর থেকেই সে আমার সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে আমার সাথে যোগাযোগ করে ফের বিয়ে করে সংসার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার সাথে কয়েক দফায় শারিরীক সম্পর্ক করতে থাকে। এক পর্যায় আমাকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে গেলে আমি বিয়ের কথা বলি। সে সময় জামাল আমাকে ঘরের তালা ভেঙ্গে উঠতে বললে আমি ঘরে গিয়ে থাকতে শুরু করি। তার একদি পরেই ঘর মালিকে ছেলে মাহমুদ, দুলাল খান ও তার বোন ফাতিমা আমার ঘরে ঢুকে প্রথমে বৃদ্ধ মাকে মারধর শুরু করে। পরে আমি বাধাঁ দিলে আমার কোলে থাকা আড়াই বছরের শিশু জান্নাতিকে ছুরে ফেলে দেয় মাহমুদ। মেয়েকে ধরতে গেলে গাছের চ্যারা দিয়ে পিটিয়ে আমাকে অজ্ঞান করে ফেলে।

হাওয়া বেগমের মা ফিরোজা বেগম জানান, জামালের কাছ থেকে গত নভেম্বর মাসের ২৭ তারিখ আমার মেয়ের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এর পর থেকেই জামাল বিভিন্ন সময় আমার মেয়ের সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে শুরু করে। এক পর্যায় আমি বাড়ি না থাকায় মেয়েকে বিয়ের কথা বলে পাথরঘাটা বাজারে নিয়ে আসলে সেখান থেকে তার বাড়িতে নিয়ে পূর্ণরায় নির্যাতন শুরু করে। পরে পাথরঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার মেয়েকে জামালের বাড়ি থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। এবিষয়ে বৃহস্পতিকার পাথরঘাটা থানা অভিযোগ করেছি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাওয়া বেগম আমার ভাড়া দেয়া ঘরের তালা ভেঙ্গে প্রবেশের কারন জানতে চাইলে তারা উল্টো আমাদের উপর হামলার চেস্টা করে। পরে সামাল দিতে পুলিশকে অবহিত করেছি।

পাথরঘাটা থানা পুলিশের কর্মকর্তা (ওসি) শাহাবুদ্দিন জানান, এঘটনায় হাওয়ার মা ফিরোজা বেগম তার মেয়েকে ফুসলিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় থানা একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তবে শুক্রবার রাতের মারধরের ঘটনার এখনো লিখিত কোন অভিযোগ আসেনি।