সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

একটি যাত্রীবাহী বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কিছু বসতবাড়ির ওপর বিধ্বস্ত হয়। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯ ৪০৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে রোববার একটি যাত্রীবাহী বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কিছু বসতবাড়ির ওপর বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২৫ জন নিহত এবং বিমানের আরো দুজন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৭ জনই বিমানের আরোহী।
দেশটির নর্থ কিভু প্রদেশের গভর্নর কার্লি নজানজুর বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।

গভর্নর কার্লি নজানজুর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় এয়ারলাইন্স বিজি বি’র ১৯ আসনের ড্রেনিয়ার ২২৪-২০০ ফ্লাইটটি রোববার সকালে প্রদেশের রাজধানী গোমা থেকে সাড়ে ৩শ মাইল উত্তরের বেনি শহরের দিকে যাত্রা শুরু করেছিল। কিন্তু উড্ডয়নের অল্প সময় পরেই এটি গোমা বিমানবন্দরে কাছে মাপেন্দো জেলার কিছু বাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। গোটা এলাকা ছেয়ে যায় কালো ধোয়ায়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় উদ্ধার কর্মীরা। তারা বিমানের এক ক্রুসহ দুই আরোহীকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। আহত ওই দুইজনকে এলাকার এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উদ্ধার কর্মীদের পাশাপাশি এলাকার লোকজনও উদ্ধার কাজে সহায়তা করেন বলে জানা গেছে।

এই দুর্ঘটনায় সবমিলিয়ে ২৫ জন নিহত হয়েছেন বলে কঙ্গোর সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে এদের মধ্যে বিমানের কতজন এবং বসতবাড়ির ঠিক কতজন রয়েছেন, সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি।

তবে এয়ারলাইন্স কোমাম্পানির বিবৃতি মোতাবেক দুর্ঘটনার সময় বিমানটিতে ১৮ জন আরোহী ছিলেন। সেই হিসাবে নিহতদের ১৬ জনই বিমানের। বাকিরা যে বসবাড়ির ওপর এটি বিধ্বস্ত হয়েছে সেখানকার লোকজন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। জানা যায়নি দুর্ঘটনার কারণও।

প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা মানদণ্ডের অভাব ও বাজে ব্যবস্থাপনার জন্য কঙ্গোয় প্রায়ই বিমান দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এ কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে কঙ্গোর সব বাণিজ্যিক বিমান চলাচল নিষিদ্ধ। গত মাসে এই গোমা বিমানবন্দরে অন্য এক বিমান দুর্ঘটনায় আট আরোহীর সবাই নিহত হয়েছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একটি যাত্রীবাহী বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কিছু বসতবাড়ির ওপর বিধ্বস্ত হয়। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:২২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে রোববার একটি যাত্রীবাহী বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কিছু বসতবাড়ির ওপর বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২৫ জন নিহত এবং বিমানের আরো দুজন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৭ জনই বিমানের আরোহী।
দেশটির নর্থ কিভু প্রদেশের গভর্নর কার্লি নজানজুর বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।

গভর্নর কার্লি নজানজুর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় এয়ারলাইন্স বিজি বি’র ১৯ আসনের ড্রেনিয়ার ২২৪-২০০ ফ্লাইটটি রোববার সকালে প্রদেশের রাজধানী গোমা থেকে সাড়ে ৩শ মাইল উত্তরের বেনি শহরের দিকে যাত্রা শুরু করেছিল। কিন্তু উড্ডয়নের অল্প সময় পরেই এটি গোমা বিমানবন্দরে কাছে মাপেন্দো জেলার কিছু বাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। গোটা এলাকা ছেয়ে যায় কালো ধোয়ায়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় উদ্ধার কর্মীরা। তারা বিমানের এক ক্রুসহ দুই আরোহীকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। আহত ওই দুইজনকে এলাকার এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উদ্ধার কর্মীদের পাশাপাশি এলাকার লোকজনও উদ্ধার কাজে সহায়তা করেন বলে জানা গেছে।

এই দুর্ঘটনায় সবমিলিয়ে ২৫ জন নিহত হয়েছেন বলে কঙ্গোর সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে এদের মধ্যে বিমানের কতজন এবং বসতবাড়ির ঠিক কতজন রয়েছেন, সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি।

তবে এয়ারলাইন্স কোমাম্পানির বিবৃতি মোতাবেক দুর্ঘটনার সময় বিমানটিতে ১৮ জন আরোহী ছিলেন। সেই হিসাবে নিহতদের ১৬ জনই বিমানের। বাকিরা যে বসবাড়ির ওপর এটি বিধ্বস্ত হয়েছে সেখানকার লোকজন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। জানা যায়নি দুর্ঘটনার কারণও।

প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা মানদণ্ডের অভাব ও বাজে ব্যবস্থাপনার জন্য কঙ্গোয় প্রায়ই বিমান দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এ কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে কঙ্গোর সব বাণিজ্যিক বিমান চলাচল নিষিদ্ধ। গত মাসে এই গোমা বিমানবন্দরে অন্য এক বিমান দুর্ঘটনায় আট আরোহীর সবাই নিহত হয়েছিলেন।