সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুল আলম মিঠু দামুড়হুদায় ৮ টি স্বর্নের বারসহ আটক১ ভান্ডারিয়ায় পরিছন্ন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উদ্যোগ বাস্তবায়নে (ইউএনও) বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে বিশ্বস্ত দালাল চক্রের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য করছেন এসও রতন ও সার্ভেয়ার ফারুক। বিএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার হান্নানের বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের দস্যুবিরোধী অভিযানের মুখে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ দস্যুর আত্মসমর্পণ ,উদ্ধার বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ মোরেলগঞ্জে দীর্ঘ ২০ বছরেও চালু হয়নি পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী কলারন ফেরিঘাট ! ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে হাজার হাজার যাত্রী ঝালকাঠিতে ‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ পালনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ​ঝালকাঠিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল

এবার স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বামী সারাদিন কাজে ব্যস্ত থাকে অভিযোগ তুলে বিয়ে বিচ্ছেদ করিয়েছিলেন স্ত্রী। কিন্তু, সন্দেহ থেকে যায় স্বামীর মনে। রহস্য মেলাতে মাঠে নামেন এক বেসরকারি গোয়েন্দা। পরে দেখা যায়, স্বামীর কাজের ব্যস্ততা বাহানা মাত্র, আসলে এক সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে স্ত্রীর। এর জন্যই ভেঙে গেছে তাদের ১২ বছরের সাজানো সংসার।

প্রতারিত হয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন ভুক্তভোগী স্বামী। আর সেখানেই মিলে যায় জ্যাকপট! অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই স্বামীকে সাড়ে সাত লাখ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ছয় কোটি ৩৪ লাখ টাকা) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনায় ঘটেছে এ ঘটনা।

মার্কিন নাগরিক কেভিন হাওয়ার্ড জানান, স্ত্রীর সহকর্মী তাদের বাসায় এসেছিলেন। তারা একসঙ্গে রাতের খাবার খান, নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগত অনেক বিষয় নিয়ে গল্প-গুজবও হয়েছিল।

পরে, স্ত্রীর কাছে প্রতারিত হয়ে ‘ভালোবাসার অবনমন’ আইনে আদালতে মামলা করেন কেভিন। এ আইনটি ১৮০০ সালে প্রণীত হয়েছিল। সেসময় স্ত্রীদের তাদের স্বামীর সম্পত্তি বলে মনে করা হতো।

এই আইনানুযায়ী, এক দম্পতির যে কোনো একজন অপরজনের বিরুদ্ধে বিবাহিত সম্পর্ক ভাঙার পেছনে ‘অন্যায় ও প্রতারণার’ অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করতে পারবেন। আইনটি নর্থ ক্যারোলিনা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের আর মাত্র পাঁচটি রাজ্যে প্রচলিত আছে- হাওয়াই, মিসিসিপি, নিউ মেক্সিকো, সাউথ ডাকোটা ও উতাহ।

কেভিন বলেন, আমি মামলা করেছি যেন সবাই বুঝতে পারে বিয়ের পবিত্রতা রক্ষা করা জরুরি। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে, যখন সবার নৈতিকতা ও দায়বদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ।

তার আইনজীবী সিনডি মিলস প্রতি বছর এ ধরনের অন্তত একটি মামলায় লড়েন। ২০১০ সালেই একই ধরনের মামলায় এক অভিযোগকারীকে তিনি ৫ দশমিক ৯ মিলিয়ন ইউএস ডলার পেতে সাহায্য করেছেন।

একই বছর, নর্থ ক্যারোলিনার এক আদালতে স্বামীর প্রেমিকার বিরুদ্ধে তাদের ৩৩ বছরের বিবাহিত জীবন ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ এনে এক নারী পেয়েছেন নয় মিলিয়ন ইউএস ডলার।

আইন সংস্থা ভ্যাভোনিজের মতে, এই আইনে প্রতি বছর নর্থ ক্যারোলিনায় দুই শতাধিক মামলা দায়ের করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এবার স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর মামলা

আপডেট সময় : ০৬:২৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০১৯

স্বামী সারাদিন কাজে ব্যস্ত থাকে অভিযোগ তুলে বিয়ে বিচ্ছেদ করিয়েছিলেন স্ত্রী। কিন্তু, সন্দেহ থেকে যায় স্বামীর মনে। রহস্য মেলাতে মাঠে নামেন এক বেসরকারি গোয়েন্দা। পরে দেখা যায়, স্বামীর কাজের ব্যস্ততা বাহানা মাত্র, আসলে এক সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে স্ত্রীর। এর জন্যই ভেঙে গেছে তাদের ১২ বছরের সাজানো সংসার।

প্রতারিত হয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন ভুক্তভোগী স্বামী। আর সেখানেই মিলে যায় জ্যাকপট! অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই স্বামীকে সাড়ে সাত লাখ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ছয় কোটি ৩৪ লাখ টাকা) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনায় ঘটেছে এ ঘটনা।

মার্কিন নাগরিক কেভিন হাওয়ার্ড জানান, স্ত্রীর সহকর্মী তাদের বাসায় এসেছিলেন। তারা একসঙ্গে রাতের খাবার খান, নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগত অনেক বিষয় নিয়ে গল্প-গুজবও হয়েছিল।

পরে, স্ত্রীর কাছে প্রতারিত হয়ে ‘ভালোবাসার অবনমন’ আইনে আদালতে মামলা করেন কেভিন। এ আইনটি ১৮০০ সালে প্রণীত হয়েছিল। সেসময় স্ত্রীদের তাদের স্বামীর সম্পত্তি বলে মনে করা হতো।

এই আইনানুযায়ী, এক দম্পতির যে কোনো একজন অপরজনের বিরুদ্ধে বিবাহিত সম্পর্ক ভাঙার পেছনে ‘অন্যায় ও প্রতারণার’ অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করতে পারবেন। আইনটি নর্থ ক্যারোলিনা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের আর মাত্র পাঁচটি রাজ্যে প্রচলিত আছে- হাওয়াই, মিসিসিপি, নিউ মেক্সিকো, সাউথ ডাকোটা ও উতাহ।

কেভিন বলেন, আমি মামলা করেছি যেন সবাই বুঝতে পারে বিয়ের পবিত্রতা রক্ষা করা জরুরি। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে, যখন সবার নৈতিকতা ও দায়বদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ।

তার আইনজীবী সিনডি মিলস প্রতি বছর এ ধরনের অন্তত একটি মামলায় লড়েন। ২০১০ সালেই একই ধরনের মামলায় এক অভিযোগকারীকে তিনি ৫ দশমিক ৯ মিলিয়ন ইউএস ডলার পেতে সাহায্য করেছেন।

একই বছর, নর্থ ক্যারোলিনার এক আদালতে স্বামীর প্রেমিকার বিরুদ্ধে তাদের ৩৩ বছরের বিবাহিত জীবন ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ এনে এক নারী পেয়েছেন নয় মিলিয়ন ইউএস ডলার।

আইন সংস্থা ভ্যাভোনিজের মতে, এই আইনে প্রতি বছর নর্থ ক্যারোলিনায় দুই শতাধিক মামলা দায়ের করা হয়।