ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও "ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী"
ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী”
- আপডেট সময় : ০২:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠির ঐতিহাসিক ধানসিঁড়ি নদী, গাবখান চ্যানেল, ভীমরুলীর বিখ্যাত ভাসমান পেয়ারা বাজার এবং পঞ্চমোহনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও বরিশাল বিভাগীয় “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যা ঝালকাঠির রূপান্তরের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মাইলফলক।
উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার-এঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রস্তাবটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রকল্পভূক্ত হয় এবং প্রাথমিকভাবে একশত পঞ্চাশ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য ও অবকাঠামো
প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের আলোকে পঞ্চমোহনার ৮৮.৩৬ একর সরকারি জমিতে গড়ে উঠবে বরিশাল বিভাগীয় “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” এবং “Riverine Eco-tourism Hub”। এই সমন্বিত প্রকল্পের আওতায় যেসব আধুনিক সুবিধা ও অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য ও গবেষণা কেন্দ্র
লোকজ জাদুঘর,সাংস্কৃতিক মঞ্চ,আধুনিক জেটি
রিভারফ্রন্ট ইকো-রিসোর্ট,
গাবখান চ্যানেল-ধানসিঁড়ি নদীভিত্তিক উন্নত পর্যটন সার্কিট স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে প্রভাব
জেলা প্রশাসনের সুদূরপ্রসারী ভাবনা এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার-এঁর কার্যকর পদক্ষেপের ফলে এই উদ্যোগ আজ বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা শুধু কবি জীবনানন্দ দাশের স্মৃতিধন্য ঐতিহ্যের সংরক্ষণই নিশ্চিত করবে না, বরং ঝালকাঠিতে প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে এক অভূতপূর্ব জাগরণ ঘটবে।























