সংবাদ শিরোনাম ::
চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার

সংলাপে ‘রাজি’ বিএনপি, তবে…

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
নির্বাচনকালীন সরকার কীভাবে গঠন হবে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা এলে সরকারের সঙ্গে সংলাপে বসা যেতে পারে। এ ছাড়া আর কোনো সংলাপ হবে না।

বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

এর আগে গত সোমবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সরকার দেশকে সাংঘর্ষিক অবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সতর্ক করেন ‘২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো’ নির্বাচন দেশে আর হবে না।’

‘বিএনপি সমঝোতার পথ বন্ধ করেছে’ বলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলকে যে বক্তব্য রেখেছেন, তাকে ‘মিথ্যা আখ্যা দেন ফখরুল।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা বাজে কথা, এটা কত বড় মিথ্যা কথা আপনারা ভালো করেই জানেন। আমরা বরাবরই বলে এসেছি যে, একটা বিষয় আলোচনা হতে পারে, অন্য কোনো বিষয় না। সেটা হচ্ছে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার।’

তবে এই সংলাপে বসার শর্তও দেন বিএনপি মহাসচিব। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অবশ্যই সরকারকে আগে ঘোষণা দিতে হবে যে, আমরা মেনে নেব। এবার আসো কীভাবে নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের বিষয় হতে পারে তা নিয়ে কথা বলি।’

‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ‘আমরা যেটা তাদের বলেছি, যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, এই অবস্থায় কোনো নির্বাচন হতে পারে না। সি (শেখ হাসিনা) মাস্ট রিজাইন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা না দেওয়া ছাড়া এখানে কোনো নির্বাচন হতে পারে না।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তারা এসেছেন এখানে ইলেকশন অবজারভার পাঠাবে কী পাঠাবে না সেটা দেখার জন্য, এখানে নির্বাচনের পরিস্থিতি আছে কিনা সেটা দেখতে এসেছে। তারা খুব পরিষ্কার কোনো মতামত দেননি। আমরা মতামত জানিয়ে দিয়েছি, যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে এই অবস্থায় কোনো নির্বাচন হতে পারে না। সি মাস্ট রিজাইন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা না দেওয়া ছাড়া এখানে কোনো নির্বাচন হতে পারে না।’

দলের মহাসচিব যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ, হবিগঞ্জের আহ্বায়ক সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জিকে গউসসহ ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম মিলন, নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলম রবি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ রবিন, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, বর্তমান সাধারণ সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনায়েম মুন্না, যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন, ঢাকা উত্তরের সহসভাপতি আজিজুর রহমান মোসাব্বিরসহ বন্দি নেতারা হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পরেও তাদেরকে আবার নতুন করে ‘গায়েবি’ মামলায় আসামি দেখিয়ে জেলগেট থেকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

একই সঙ্গে কারাগারে বন্দি নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন ও তাদের আত্মীয়-স্বজন যারা সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছে তাদের সাতে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সংলাপে ‘রাজি’ বিএনপি, তবে…

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক
নির্বাচনকালীন সরকার কীভাবে গঠন হবে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা এলে সরকারের সঙ্গে সংলাপে বসা যেতে পারে। এ ছাড়া আর কোনো সংলাপ হবে না।

বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

এর আগে গত সোমবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সরকার দেশকে সাংঘর্ষিক অবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সতর্ক করেন ‘২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো’ নির্বাচন দেশে আর হবে না।’

‘বিএনপি সমঝোতার পথ বন্ধ করেছে’ বলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলকে যে বক্তব্য রেখেছেন, তাকে ‘মিথ্যা আখ্যা দেন ফখরুল।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা বাজে কথা, এটা কত বড় মিথ্যা কথা আপনারা ভালো করেই জানেন। আমরা বরাবরই বলে এসেছি যে, একটা বিষয় আলোচনা হতে পারে, অন্য কোনো বিষয় না। সেটা হচ্ছে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার।’

তবে এই সংলাপে বসার শর্তও দেন বিএনপি মহাসচিব। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অবশ্যই সরকারকে আগে ঘোষণা দিতে হবে যে, আমরা মেনে নেব। এবার আসো কীভাবে নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের বিষয় হতে পারে তা নিয়ে কথা বলি।’

‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ‘আমরা যেটা তাদের বলেছি, যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, এই অবস্থায় কোনো নির্বাচন হতে পারে না। সি (শেখ হাসিনা) মাস্ট রিজাইন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা না দেওয়া ছাড়া এখানে কোনো নির্বাচন হতে পারে না।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তারা এসেছেন এখানে ইলেকশন অবজারভার পাঠাবে কী পাঠাবে না সেটা দেখার জন্য, এখানে নির্বাচনের পরিস্থিতি আছে কিনা সেটা দেখতে এসেছে। তারা খুব পরিষ্কার কোনো মতামত দেননি। আমরা মতামত জানিয়ে দিয়েছি, যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে এই অবস্থায় কোনো নির্বাচন হতে পারে না। সি মাস্ট রিজাইন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা না দেওয়া ছাড়া এখানে কোনো নির্বাচন হতে পারে না।’

দলের মহাসচিব যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ, হবিগঞ্জের আহ্বায়ক সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জিকে গউসসহ ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম মিলন, নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলম রবি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ রবিন, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, বর্তমান সাধারণ সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনায়েম মুন্না, যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন, ঢাকা উত্তরের সহসভাপতি আজিজুর রহমান মোসাব্বিরসহ বন্দি নেতারা হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পরেও তাদেরকে আবার নতুন করে ‘গায়েবি’ মামলায় আসামি দেখিয়ে জেলগেট থেকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

একই সঙ্গে কারাগারে বন্দি নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন ও তাদের আত্মীয়-স্বজন যারা সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছে তাদের সাতে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।