সংবাদ শিরোনাম ::
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার ​নলছিটির সাবেক পিআইও বিজন কৃষ্ণ খরাতীর ৫ মাসের কারাদণ্ড ১২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড

বানারীপাড়ায় ৭ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি॥
বরিশালের বানারীপাড়ায় উদয়কাঠি ইউনিয়নের তেতলা পিজিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার এক মাস পরে ৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রীর পিতা মো. হেলাল ঘরামী বাদী হয়ে স্থানীয় শেরে বাংলা বাজার সংলগ্ন খালের খেয়া মাঝি মো. ইউসুফকে আসামী করে বানারীপাড়া থানায় শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা সুত্রে জানা গেছে,গত ৫ আগস্ট ভোর ৬টার দিকে তেতলা গ্রামের বাড়ি থেকে ওই স্কুল ছাত্রী স্থানীয় শেরেবাংলা বাজার জামে মসজিদে কোরআন শরীফ পড়া শিখতে যান। এসময় শেরে বাংলা বাজারের খালের খেয়া মাঝি তিন কন্যা সন্তানের জনক মো. ইউসুফ খেয়া পারাপারের সময় ওই কিশোরী স্কুল ছাত্রীকে ভুল বুঝিয়ে ও ফুসলিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে ফাঁকা ঘরে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ওই ছাত্রী পরে নিজ বাড়িতে ফিরে গিয়ে মা-বাবার কাছে বিষয়টি জানায়। তারা বিষয়টি জেনে ওই দিনই থানায় মামলা দায়েরের সিন্ধান্ত নেয়। কিন্তু ধর্ষক ইউসুফের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় ৪ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মন্টু মিয়া সুবিচারের আশ^াস দিয়ে তাদেরকে মামলা দায়ের করা থেকে বিরত রাখেন। ঘটনার ৪ দিন পরে এক রাতে ইউপি সদস্য মন্টু মিয়া দুই পক্ষকে নিয়ে তার বাড়িতে বসে শালিস-বৈঠকে ওই ছাত্রীর ইজ্জতের মূল্য ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেন। ওই বৈঠকে স্থানীয় সেলিম,মোক্তার ও শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন। এসময় অভিযুক্ত ইউসুফ জরিমানার টাকা দেওয়ার বিষয়ে ১৫ দিনের সময় নিয়ে গাডাকা দেন। এদিকে শালিস-বৈঠকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করার কথা বৈঠকে উপস্থিত অন্যরা স্বীকার করলেও ইউপি সদস্য মন্টু মিয়া অস্বীকার করেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি এসএম মাসুদ আলম চৌধুরী বলেন,অভিযোগ পেয়ে মামলা নেওয়া হয়েছে এবং ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন,ইউপি সদস্য মন্টুকে থানায় ডেকে এনে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বানারীপাড়ায় ৭ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি॥
বরিশালের বানারীপাড়ায় উদয়কাঠি ইউনিয়নের তেতলা পিজিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার এক মাস পরে ৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রীর পিতা মো. হেলাল ঘরামী বাদী হয়ে স্থানীয় শেরে বাংলা বাজার সংলগ্ন খালের খেয়া মাঝি মো. ইউসুফকে আসামী করে বানারীপাড়া থানায় শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা সুত্রে জানা গেছে,গত ৫ আগস্ট ভোর ৬টার দিকে তেতলা গ্রামের বাড়ি থেকে ওই স্কুল ছাত্রী স্থানীয় শেরেবাংলা বাজার জামে মসজিদে কোরআন শরীফ পড়া শিখতে যান। এসময় শেরে বাংলা বাজারের খালের খেয়া মাঝি তিন কন্যা সন্তানের জনক মো. ইউসুফ খেয়া পারাপারের সময় ওই কিশোরী স্কুল ছাত্রীকে ভুল বুঝিয়ে ও ফুসলিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে ফাঁকা ঘরে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ওই ছাত্রী পরে নিজ বাড়িতে ফিরে গিয়ে মা-বাবার কাছে বিষয়টি জানায়। তারা বিষয়টি জেনে ওই দিনই থানায় মামলা দায়েরের সিন্ধান্ত নেয়। কিন্তু ধর্ষক ইউসুফের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় ৪ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মন্টু মিয়া সুবিচারের আশ^াস দিয়ে তাদেরকে মামলা দায়ের করা থেকে বিরত রাখেন। ঘটনার ৪ দিন পরে এক রাতে ইউপি সদস্য মন্টু মিয়া দুই পক্ষকে নিয়ে তার বাড়িতে বসে শালিস-বৈঠকে ওই ছাত্রীর ইজ্জতের মূল্য ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেন। ওই বৈঠকে স্থানীয় সেলিম,মোক্তার ও শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন। এসময় অভিযুক্ত ইউসুফ জরিমানার টাকা দেওয়ার বিষয়ে ১৫ দিনের সময় নিয়ে গাডাকা দেন। এদিকে শালিস-বৈঠকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করার কথা বৈঠকে উপস্থিত অন্যরা স্বীকার করলেও ইউপি সদস্য মন্টু মিয়া অস্বীকার করেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি এসএম মাসুদ আলম চৌধুরী বলেন,অভিযোগ পেয়ে মামলা নেওয়া হয়েছে এবং ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন,ইউপি সদস্য মন্টুকে থানায় ডেকে এনে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়েছে।