সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

এক মহিষের দাম সাড়ে ১২ কোটি, নিরাপত্তায় ১২ বন্দুকধারী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
একটি মহিষের দাম সাড়ে ১২ কোটি টাকা, তার নিরাপত্তায় আবার ১২ জন বন্দুকধারী! অবাক লাগছে, তাই না? অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এমনই ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের মোরেনা জেলায়।

জানা যায়, শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) মোরেনায় শুরু হয় তিনদিনের কৃষক মেলা। সেখানে হরিয়ানা থেকে নিজের পোষা দেড় টন বা দেড় হাজার কেজি ওজনের মহিষ গোলু-২কে নিয়ে যান নবীন সিং নামের এক ব্যক্তি। এরপরই মেলার মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠে মহিষটি। এটির দাম হাঁকা হয় ১০ লাখ রুপি বা বাংলাদেশি টাকায় সাড়ে ১২ কোটি (১ রুপি=১.২৫ হিসাবে)।

মহিষটির নামকরণের বিষয়ে নবীন সিং জানান, গোলু- ১ নামের একটি মহিষ ছিল তার। সেটি থেকে জন্ম নেয় গোলু-২ এর বাবাসহ আরও দুটি মহিষ। দাদার নামানুসারেই এটির নাম রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গোলুর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় ১২ জন বন্ধুকধারী নিয়োজিত আছেন। গোলুকে যখন কৃষক মেলায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন স্থানীয় প্রশাসন মহিষটির নিরাপত্তায় আলাদা করে তিন ‍পুলিশ সদস্যকে নিয়োগ দেয়।

গোলুর খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে নবীন জানান, দিনের শুরুতেই এটিকে ১০ কেজি ভুসি খাওয়ানো হয়। তার ঠিক দেড় ঘণ্টা পরে দেশি ঘি মেশানো সাত লিটার দুধ খায় সে। সারাদিনে ২০ লিটার দুধ খাওয়ানো হয় গোলুকে। দুধ খাওয়ানোর পর মহিষটিকে কিছুক্ষণ রোদে বেঁধে রাখা হয়।

পরে শুধু মহিষদের জন্য বানানো আড়াই হাজার বর্গফুটের একটি সুইমিংপুলে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা ধরে গোসল করানো হয় গোলুকে। দুপুরে ঘাসের সঙ্গে ১৫ কেজি ভুসি মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। এর ঠিক দুই ঘণ্টা পর আবারও ১৫ কেজি ভুসি দেওয়া হয় গোলুকে। তাছাড়া গাজর, বাতাবি লেবু বা মাল্টাসহ বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি ফল খেতে দেওয়া হয় তাকে।

খাওয়া-দাওয়া ও অন্যান্য দিক ধরে দিনে ১০ হাজার রুপি হিসাবে মাসে ৩ লাখ রুপি খরচ করতে হয় গোলুর পেছনে।

নবীনের আরও বলেন, গোলুকে আমি সব পশু মেলায় নিয়ে যাই, ও আমার সন্তানের মতো। মেলায় নিয়ে গেলেও গোলুকে বিক্রি করার ইচ্ছা নেই।

বাজারে গোলুর বীর্যের প্রচুর চাহিদা বলে দাবি নবীনের। মহিষটি থেকে একবারে এক হাজার-দুই হাজার ইউনিট বীর্য নিষ্কাশন করা হয়। প্রতি ইউনিট বীর্য ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়। বীর্য বিক্রি করেই প্রতি মাসে ১২ লাখ টাকা আয় হয় বলে জানান নবীন।

সূত্র: ইন্ডিয়া পোস্টস ইংলিশ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এক মহিষের দাম সাড়ে ১২ কোটি, নিরাপত্তায় ১২ বন্দুকধারী

আপডেট সময় : ০৩:০০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
একটি মহিষের দাম সাড়ে ১২ কোটি টাকা, তার নিরাপত্তায় আবার ১২ জন বন্দুকধারী! অবাক লাগছে, তাই না? অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এমনই ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের মোরেনা জেলায়।

জানা যায়, শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) মোরেনায় শুরু হয় তিনদিনের কৃষক মেলা। সেখানে হরিয়ানা থেকে নিজের পোষা দেড় টন বা দেড় হাজার কেজি ওজনের মহিষ গোলু-২কে নিয়ে যান নবীন সিং নামের এক ব্যক্তি। এরপরই মেলার মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠে মহিষটি। এটির দাম হাঁকা হয় ১০ লাখ রুপি বা বাংলাদেশি টাকায় সাড়ে ১২ কোটি (১ রুপি=১.২৫ হিসাবে)।

মহিষটির নামকরণের বিষয়ে নবীন সিং জানান, গোলু- ১ নামের একটি মহিষ ছিল তার। সেটি থেকে জন্ম নেয় গোলু-২ এর বাবাসহ আরও দুটি মহিষ। দাদার নামানুসারেই এটির নাম রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গোলুর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় ১২ জন বন্ধুকধারী নিয়োজিত আছেন। গোলুকে যখন কৃষক মেলায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন স্থানীয় প্রশাসন মহিষটির নিরাপত্তায় আলাদা করে তিন ‍পুলিশ সদস্যকে নিয়োগ দেয়।

গোলুর খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে নবীন জানান, দিনের শুরুতেই এটিকে ১০ কেজি ভুসি খাওয়ানো হয়। তার ঠিক দেড় ঘণ্টা পরে দেশি ঘি মেশানো সাত লিটার দুধ খায় সে। সারাদিনে ২০ লিটার দুধ খাওয়ানো হয় গোলুকে। দুধ খাওয়ানোর পর মহিষটিকে কিছুক্ষণ রোদে বেঁধে রাখা হয়।

পরে শুধু মহিষদের জন্য বানানো আড়াই হাজার বর্গফুটের একটি সুইমিংপুলে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা ধরে গোসল করানো হয় গোলুকে। দুপুরে ঘাসের সঙ্গে ১৫ কেজি ভুসি মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। এর ঠিক দুই ঘণ্টা পর আবারও ১৫ কেজি ভুসি দেওয়া হয় গোলুকে। তাছাড়া গাজর, বাতাবি লেবু বা মাল্টাসহ বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি ফল খেতে দেওয়া হয় তাকে।

খাওয়া-দাওয়া ও অন্যান্য দিক ধরে দিনে ১০ হাজার রুপি হিসাবে মাসে ৩ লাখ রুপি খরচ করতে হয় গোলুর পেছনে।

নবীনের আরও বলেন, গোলুকে আমি সব পশু মেলায় নিয়ে যাই, ও আমার সন্তানের মতো। মেলায় নিয়ে গেলেও গোলুকে বিক্রি করার ইচ্ছা নেই।

বাজারে গোলুর বীর্যের প্রচুর চাহিদা বলে দাবি নবীনের। মহিষটি থেকে একবারে এক হাজার-দুই হাজার ইউনিট বীর্য নিষ্কাশন করা হয়। প্রতি ইউনিট বীর্য ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়। বীর্য বিক্রি করেই প্রতি মাসে ১২ লাখ টাকা আয় হয় বলে জানান নবীন।

সূত্র: ইন্ডিয়া পোস্টস ইংলিশ