সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

৪ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হচ্ছে বেকুটিয়া সেতু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ উদ্বোধনের অপেক্ষায় পিরোজপুরের কচা নদীর বেকুটিয়া পয়েন্টে নির্মিত অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু। কাজ শেষ হয়েছে গত প্রায় দুই মাস আগে।

আগামী ৪ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হবে চালু হয়নি। বেকুটিয়া সেতু নামেই এ সেতুটি পরিচিতি লাভ করেছে।
জেলা প্রশাসক মো. জাহেদুর রহমান জানান, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটি উদ্বোধন করবেন। আর ওই দিন থেকে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

পিরোজপুর জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২০১৮ সালের অক্টোবর সেতুটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে নির্মিত সেতুটি ৯টি স্প্যান ও ১০টি পিলার বিশিষ্ট।

এর দৈর্ঘ্য ৯৯৮ মিটার ও প্রস্থ ১৩ দশমিক ৪০ মিটার। সেতুটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮৮৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬৫৪ কোটি টাকা চীন এবং ২৪৪ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে। ৪২৯ মিটার ভায়াডাক্টসহ ডাবল লেনের সৈতুটির দৈর্ঘ্য ১৪২৭ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার।

সেতুটি জেলার কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া অংশ ও পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমিরমারা প্রান্তে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুটি খুলে দিলে সড়ক পথে বরিশাল বিভাগের সঙ্গে খুলনাসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ১৬টি জেলার যোগাযোগ সহজ হবে। তাতে ব্যবসা ও জীবনমানেও পরিবর্তন আসবে এ অঞ্চলের মানুষের।

সেতুটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মাসুদুর রহমান সুমন জানান, চায়না রেলওয় ১৭তম ব্যুরো গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আওতায় ‘চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ রিকোনিসেন্স ডিজাউন ইনস্টিটিউট’ সেতুটি নির্মাণ করে।

গত ৭ আগস্ট চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর উপস্থিতিতে ঢাকায় চীনা দূতাবাসের ইকনোমি মিনিস্টার বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটি হস্তান্তরের দলিল স্বাক্ষর করেন।

পিরোজপুর সদর বাজারের কাগজ ব্যবসায়ী ও জেলা উদীচির সাধারণ সম্পাদক মো. খালিদ আবু জানান, বেকুটিয়া সেতুটি খুলে দিলে পিরোজপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা ক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা খুঁজে পাবেন।

পাশাপাশি বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা জেলার সঙ্গে যশোর, খুলনার দূরত্ব অন্তত এক ঘণ্টা কমে যাবে। আর পিরোজপুর হবে এক সম্ভাবনাময় জেলা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৪ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হচ্ছে বেকুটিয়া সেতু

আপডেট সময় : ১২:১৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ উদ্বোধনের অপেক্ষায় পিরোজপুরের কচা নদীর বেকুটিয়া পয়েন্টে নির্মিত অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু। কাজ শেষ হয়েছে গত প্রায় দুই মাস আগে।

আগামী ৪ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হবে চালু হয়নি। বেকুটিয়া সেতু নামেই এ সেতুটি পরিচিতি লাভ করেছে।
জেলা প্রশাসক মো. জাহেদুর রহমান জানান, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটি উদ্বোধন করবেন। আর ওই দিন থেকে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

পিরোজপুর জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২০১৮ সালের অক্টোবর সেতুটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে নির্মিত সেতুটি ৯টি স্প্যান ও ১০টি পিলার বিশিষ্ট।

এর দৈর্ঘ্য ৯৯৮ মিটার ও প্রস্থ ১৩ দশমিক ৪০ মিটার। সেতুটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮৮৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬৫৪ কোটি টাকা চীন এবং ২৪৪ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে। ৪২৯ মিটার ভায়াডাক্টসহ ডাবল লেনের সৈতুটির দৈর্ঘ্য ১৪২৭ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার।

সেতুটি জেলার কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া অংশ ও পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমিরমারা প্রান্তে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুটি খুলে দিলে সড়ক পথে বরিশাল বিভাগের সঙ্গে খুলনাসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ১৬টি জেলার যোগাযোগ সহজ হবে। তাতে ব্যবসা ও জীবনমানেও পরিবর্তন আসবে এ অঞ্চলের মানুষের।

সেতুটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মাসুদুর রহমান সুমন জানান, চায়না রেলওয় ১৭তম ব্যুরো গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আওতায় ‘চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ রিকোনিসেন্স ডিজাউন ইনস্টিটিউট’ সেতুটি নির্মাণ করে।

গত ৭ আগস্ট চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর উপস্থিতিতে ঢাকায় চীনা দূতাবাসের ইকনোমি মিনিস্টার বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটি হস্তান্তরের দলিল স্বাক্ষর করেন।

পিরোজপুর সদর বাজারের কাগজ ব্যবসায়ী ও জেলা উদীচির সাধারণ সম্পাদক মো. খালিদ আবু জানান, বেকুটিয়া সেতুটি খুলে দিলে পিরোজপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা ক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা খুঁজে পাবেন।

পাশাপাশি বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা জেলার সঙ্গে যশোর, খুলনার দূরত্ব অন্তত এক ঘণ্টা কমে যাবে। আর পিরোজপুর হবে এক সম্ভাবনাময় জেলা।