সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

সামাজিক হয়রানির মুখে সেই শিক্ষিকার ‘আত্মহত্যা’ : পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্কের পর ছাত্রের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া সেই কলেজ শিক্ষিকা মোছা. খায়রুন নাহার (৪০) আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক ধারণা করছে পুলিশ।

রোববার বেলা ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন শেষে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) লিটন কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলাম।

তারা স্বামী-স্ত্রী তাদের বিয়েকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছিল। পরবর্তীতে সামাজিক, পারিবারিক এবং কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় তাদের মধ্যে একটা মানুসকি চাপ সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।’

‘তার (কলেজশিক্ষিকা) সন্তানদের পক্ষ থেকেও একটা মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। এসব চাপের কারণেই এটা আত্মহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হয়েছে। অথবা অন্য কোনো কারণ আছে কি না তা তদন্ত করে দেখে হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে এসপি লিটন কুমার সাহা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এটা আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। কারণ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তার ওড়নাটা প্যাঁচানো, সেটি তার স্বামী নামাতে না পেরে অগ্নিসংযোগ করে নামানো হয়।

একারণে ফ্যানের কিছুটা গলেও গেছে। এরপরও অন্য কোনো কারণ আছে কি না আমরা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছি। তদন্ত করে মূল রহস্য উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

উল্লেখ্য, কলেজশিক্ষিকা খাইরুন নাহারের প্রথম বিয়ে হয়েছিল রাজশাহীর বাঘায়। সেখানে তার এক সন্তানও রয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে সে সংসার বেশিদিন টেকেনি।

এরইমাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় নাটোর এনএস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ২২ বছরের মামুনের সঙ্গে। পরিচয়ের ছয় মাস পর বিয়ে করেন তারা। তাদের এই বিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হয়।

জানা গেছে, খাইরুনের সঙ্গে বিয়ে মামুনের পরিবার মেনে নিলেও কলেজ শিক্ষিকার পরিবার মেনে নেয়নি। সামাজিকভাবে বিভিন্ন মহলে নানা কুৎসিত মন্তব্য-কটাক্ষের শিকারও হচ্ছিলেন। কিন্তু এই দম্পতি সেসব তোয়াক্কা না করে নতুন সংসারে ব্যস্ত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সামাজিক হয়রানির মুখে সেই শিক্ষিকার ‘আত্মহত্যা’ : পুলিশ

আপডেট সময় : ১২:২৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্কের পর ছাত্রের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া সেই কলেজ শিক্ষিকা মোছা. খায়রুন নাহার (৪০) আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক ধারণা করছে পুলিশ।

রোববার বেলা ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন শেষে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) লিটন কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলাম।

তারা স্বামী-স্ত্রী তাদের বিয়েকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছিল। পরবর্তীতে সামাজিক, পারিবারিক এবং কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় তাদের মধ্যে একটা মানুসকি চাপ সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।’

‘তার (কলেজশিক্ষিকা) সন্তানদের পক্ষ থেকেও একটা মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। এসব চাপের কারণেই এটা আত্মহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হয়েছে। অথবা অন্য কোনো কারণ আছে কি না তা তদন্ত করে দেখে হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে এসপি লিটন কুমার সাহা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এটা আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। কারণ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তার ওড়নাটা প্যাঁচানো, সেটি তার স্বামী নামাতে না পেরে অগ্নিসংযোগ করে নামানো হয়।

একারণে ফ্যানের কিছুটা গলেও গেছে। এরপরও অন্য কোনো কারণ আছে কি না আমরা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছি। তদন্ত করে মূল রহস্য উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

উল্লেখ্য, কলেজশিক্ষিকা খাইরুন নাহারের প্রথম বিয়ে হয়েছিল রাজশাহীর বাঘায়। সেখানে তার এক সন্তানও রয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে সে সংসার বেশিদিন টেকেনি।

এরইমাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় নাটোর এনএস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ২২ বছরের মামুনের সঙ্গে। পরিচয়ের ছয় মাস পর বিয়ে করেন তারা। তাদের এই বিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হয়।

জানা গেছে, খাইরুনের সঙ্গে বিয়ে মামুনের পরিবার মেনে নিলেও কলেজ শিক্ষিকার পরিবার মেনে নেয়নি। সামাজিকভাবে বিভিন্ন মহলে নানা কুৎসিত মন্তব্য-কটাক্ষের শিকারও হচ্ছিলেন। কিন্তু এই দম্পতি সেসব তোয়াক্কা না করে নতুন সংসারে ব্যস্ত ছিলেন।