সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

কাল‌কি‌নি‌তে বিপাকে পাট চাষিরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২ ৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ রাজু আহ‌ম্মেদকোল‌কি‌নি(মাদারীপুর) প্রতিনিধি ঃ
মাদারীপুর জেলার প্রধান ফসলের মধ্যে পাট অন্যতম এই জেলার মাটি পাট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছর এই জেলায় ব্যপক আকারে পাট আবাদ করা হয়, প্রতি বছরের মতো এ বছর ও পাট চাষ করে এই জেলার কৃষকেরা, কিন্তু প্রকৃতির বৈরী আবাহওয়ায় জন্য ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন এই জেলার কৃষকরা। পাট চাষের মৌসুমে অতি খরার কারনে দুরথেকে সেচ মেশিনের সাহায্যে পানি এনে জমি ভিজিয়ে পাট বীজ বপন করে কৃষকরা, সাথে ছিল অতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের খরচ। বৈশাখ মাসের শেষের দিকে বৃষ্টি হলে স্বপ্ন দেখা শুরু করে কৃষকরা, কিন্তু আষাঢ় শ্রাবণ মাসে পর্যাপ্ত পরিমাণের বৃষ্টি না হওয়ায় খাল ও বিলে কোথাও পানি নেই, এখন কৃষকরা পাট জাগ দিতে পারছেনা, ফলে পাট কেটে ভ্যান গাড়িতে করে অন্যত্র ছোট ছোট ডোবা নালায় পাট জাগ দিচ্ছে কৃষকরা এতে করে ডোবা নালার পানি যেমন দূষিত হচ্ছে সাথে পাটের গুনাগুন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
কাল‌কি‌নির পাট চাষি ম‌জিবুর হাওলাদার বলেন, আমি তিন বিঘা জনিতে পাট চাষ করেছি এখন পাট কাইটা পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছিনা। এমন কি পাটের এক‌টি দুই‌টি বা‌ড়ীর ডোবায় দি‌য়ে ছিলাম সেই পাট ধোয়ার জন‌্য প্রায় এক কিঃ‌মিঃ দু‌রে পালরদী নদী‌তে যে‌তে হয়।একই ওয়া‌র্ডের পাট চাষী সুজন বেপারী বলেন, আমি আরাই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি এখন পাট নিয়ে বিপদে আছি পাট কাটতে প্রতি বদলাকে পাঁচশো টাকা করে দিতে হয় এরপরে ভ্যান গাড়ি ভাড়া করে অন্য জায়গায় নিয়ে পাট জাগ দিতে হবে, পাটের যে দাম তাতে আমাদের অনেক বড় ক্ষতির মূখে পড়তে হচ্ছে তাই সরকার যদি পাটের ন্যায্য দাম নির্ধারণ করে দিত তাহলে ভালো হতো।

কালকিনি উপজেলা কৃষি কমকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ার পাট চাষিরা ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এটি প্রকৃতিক দূর্যোগ এখানে করো হাত নেই, কৃষকদের সরকারি ভাবে সহযোগিতার কোন সুযোগ আমাদের হাতে নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কাল‌কি‌নি‌তে বিপাকে পাট চাষিরা

আপডেট সময় : ০৮:২৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

মোঃ রাজু আহ‌ম্মেদকোল‌কি‌নি(মাদারীপুর) প্রতিনিধি ঃ
মাদারীপুর জেলার প্রধান ফসলের মধ্যে পাট অন্যতম এই জেলার মাটি পাট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছর এই জেলায় ব্যপক আকারে পাট আবাদ করা হয়, প্রতি বছরের মতো এ বছর ও পাট চাষ করে এই জেলার কৃষকেরা, কিন্তু প্রকৃতির বৈরী আবাহওয়ায় জন্য ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন এই জেলার কৃষকরা। পাট চাষের মৌসুমে অতি খরার কারনে দুরথেকে সেচ মেশিনের সাহায্যে পানি এনে জমি ভিজিয়ে পাট বীজ বপন করে কৃষকরা, সাথে ছিল অতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের খরচ। বৈশাখ মাসের শেষের দিকে বৃষ্টি হলে স্বপ্ন দেখা শুরু করে কৃষকরা, কিন্তু আষাঢ় শ্রাবণ মাসে পর্যাপ্ত পরিমাণের বৃষ্টি না হওয়ায় খাল ও বিলে কোথাও পানি নেই, এখন কৃষকরা পাট জাগ দিতে পারছেনা, ফলে পাট কেটে ভ্যান গাড়িতে করে অন্যত্র ছোট ছোট ডোবা নালায় পাট জাগ দিচ্ছে কৃষকরা এতে করে ডোবা নালার পানি যেমন দূষিত হচ্ছে সাথে পাটের গুনাগুন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
কাল‌কি‌নির পাট চাষি ম‌জিবুর হাওলাদার বলেন, আমি তিন বিঘা জনিতে পাট চাষ করেছি এখন পাট কাইটা পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছিনা। এমন কি পাটের এক‌টি দুই‌টি বা‌ড়ীর ডোবায় দি‌য়ে ছিলাম সেই পাট ধোয়ার জন‌্য প্রায় এক কিঃ‌মিঃ দু‌রে পালরদী নদী‌তে যে‌তে হয়।একই ওয়া‌র্ডের পাট চাষী সুজন বেপারী বলেন, আমি আরাই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি এখন পাট নিয়ে বিপদে আছি পাট কাটতে প্রতি বদলাকে পাঁচশো টাকা করে দিতে হয় এরপরে ভ্যান গাড়ি ভাড়া করে অন্য জায়গায় নিয়ে পাট জাগ দিতে হবে, পাটের যে দাম তাতে আমাদের অনেক বড় ক্ষতির মূখে পড়তে হচ্ছে তাই সরকার যদি পাটের ন্যায্য দাম নির্ধারণ করে দিত তাহলে ভালো হতো।

কালকিনি উপজেলা কৃষি কমকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ার পাট চাষিরা ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এটি প্রকৃতিক দূর্যোগ এখানে করো হাত নেই, কৃষকদের সরকারি ভাবে সহযোগিতার কোন সুযোগ আমাদের হাতে নেই।