সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

নাগরপুরে বরশিতে ধরা পড়ল ১০০ কেজি ওজনের সামুদ্রিক শুশুক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২ ১১২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাগরপুর(টাংগাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরের ধলেশ্বরী নদী থেকে বরশিতে ধরা পড়েছে ১শ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির সামদ্রিক মাছ শুশুক। সমুদ্রের দূর্লভ মাছ নদীতে ভেসে লোকালয়ে আসায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল দেখা দিয়েছে। এক নজর শুশুক মাছটি দেখতে হাজার হাজার উৎসক জনতা ভিড় করছে । রোববার ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু নামের এক যুবকের বরশিতে ধরা পড়ে এ শুশুকটি। সেন্টু উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, রোববার ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু নামে এক যুবক সন্ধারাতে বোয়াল মাছ মারা বরশি (জিয়ালা বরশি) নদীতে ফেলে আসে। বরশি ফেলার পর ছোট একটি বোয়াল মাছ বরশিতে আটকে যায়। ওই যুবক মাছটি খুলে আনার জন্য উদ্দ্যোত হয়। এসময় আকস্মিক ভাবে বিশাল আকৃতির শুশুক মাছ বরশিতে আটকে যাওয়া বোয়াল মাছকে গিলতে গিয়ে আটকে যায়। পরে সেন্টু মাছটি দেখে ভয় পেয়ে ডাক চিৎকার করতে থাকে। এসময় তার চিৎকার শুনে নদী পাড়ের লোকজন ঘটনা স্থলে ছুটে আসে। স্থানীয় জনতার সহায়তায় মাছটি ডাঙ্গায় তুলে আনা হয়। এরপর শুশুক মাছটি স্থানীয় জাঙ্গালীয়া ভোর বাজারে নেয়া হয়। মুহুর্তের মধ্যে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আশ-পাশের লোকজন সহ দূরদুরান্ত থেকে হাজারো মানুষ শুশুক মাছটি দেখতে সেখানে ভির জমায়। এদিকে স্থানীয় ইসমাইল মিয়া জানান, মাছটি ১৫ হাজার টাকায় সেন্টুর কাছ থেকে কিনে নেয় এলাকাবাসী।

নাগরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাছুম বিল্লা বলেন, মাছটি বিলুপ্তির পথে । এটি সংরক্ষিত প্রাণী। যদি জীবিত থাকতো তাহলে আমরা উদ্বার করে অবমুক্ত করতাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাগরপুরে বরশিতে ধরা পড়ল ১০০ কেজি ওজনের সামুদ্রিক শুশুক

আপডেট সময় : ১০:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২

নাগরপুর(টাংগাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরের ধলেশ্বরী নদী থেকে বরশিতে ধরা পড়েছে ১শ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির সামদ্রিক মাছ শুশুক। সমুদ্রের দূর্লভ মাছ নদীতে ভেসে লোকালয়ে আসায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল দেখা দিয়েছে। এক নজর শুশুক মাছটি দেখতে হাজার হাজার উৎসক জনতা ভিড় করছে । রোববার ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু নামের এক যুবকের বরশিতে ধরা পড়ে এ শুশুকটি। সেন্টু উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, রোববার ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু নামে এক যুবক সন্ধারাতে বোয়াল মাছ মারা বরশি (জিয়ালা বরশি) নদীতে ফেলে আসে। বরশি ফেলার পর ছোট একটি বোয়াল মাছ বরশিতে আটকে যায়। ওই যুবক মাছটি খুলে আনার জন্য উদ্দ্যোত হয়। এসময় আকস্মিক ভাবে বিশাল আকৃতির শুশুক মাছ বরশিতে আটকে যাওয়া বোয়াল মাছকে গিলতে গিয়ে আটকে যায়। পরে সেন্টু মাছটি দেখে ভয় পেয়ে ডাক চিৎকার করতে থাকে। এসময় তার চিৎকার শুনে নদী পাড়ের লোকজন ঘটনা স্থলে ছুটে আসে। স্থানীয় জনতার সহায়তায় মাছটি ডাঙ্গায় তুলে আনা হয়। এরপর শুশুক মাছটি স্থানীয় জাঙ্গালীয়া ভোর বাজারে নেয়া হয়। মুহুর্তের মধ্যে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আশ-পাশের লোকজন সহ দূরদুরান্ত থেকে হাজারো মানুষ শুশুক মাছটি দেখতে সেখানে ভির জমায়। এদিকে স্থানীয় ইসমাইল মিয়া জানান, মাছটি ১৫ হাজার টাকায় সেন্টুর কাছ থেকে কিনে নেয় এলাকাবাসী।

নাগরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাছুম বিল্লা বলেন, মাছটি বিলুপ্তির পথে । এটি সংরক্ষিত প্রাণী। যদি জীবিত থাকতো তাহলে আমরা উদ্বার করে অবমুক্ত করতাম।