সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

বাবা-ছেলে-মেয়ে-নাতি একসঙ্গে এইচএসসি পাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৬৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রকাশিত হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফল। সারাদেশে উত্তীর্ণদের বাঁধভাঙা আনন্দ। তার ঢেউ লেগেছে পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ি। তবে এবার প্রকাশিত এইচএসসি ফলাফলে নজর কেড়েছে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তাইন্দং ইউনিয়নের একটি পরিবার।

৫০ বছর বয়সে উচ্চ মাধ্যমিক (আলিম) পাস করেছে মো. সিরাজুল ইসলাম। শুধু তাই নয় তাইন্দং ইউনিয়নের সাবেক এ চেয়ারম্যানের ছোট মেয়ে, একমাত্র ছেলে এবং বড় মেয়ের ঘরের নাতিও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের শুভেচ্ছায় সিক্ত করছেন স্থানীয়রা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিরাজুল ইসলামের ছয় মেয়ে এক ছেলে। এবার পরীক্ষায় ছোট মেয়ে মাহমুদা সিরাজ খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.১৭ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। একমাত্র ছেলে হাফেজ নেসার উদ্দিন আহম্মেদ চট্টগ্রাম বাইতুশ শরফ কামিল মাদ্রাসা থেকে জিপিএ ৪.০০ পেয়েছেন। সিরাজুল ইসলামের বড় মেয়ের ঘরের নাতি নাজমুল হাসান খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ ৪.৬৭ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ।

তবে বড় চমকটুকু সিরাজুল ইসলাম নিজেই। তিনি খাগড়াছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা থেকে জিপিএ ২.১৪ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এ বয়সে কেন পরীক্ষা দিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে সিরাজুল বলেন, ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত শিক্ষার কিন্তু শেষ নেই। আমার আগ্রহ ছিল বটেই, আমাকে দেখে অন্যরাও উৎসাহ পাবে এ ভাবনা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি।

সিরাজুল ইসলাম ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত মাটিরাঙ্গার তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশায় ব্যবসায়ী সিরাজুল আরও বলেন, শিক্ষার বিকল্প নেই। যত বয়স হোক জ্ঞান অর্জন করে দেশকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবা-ছেলে-মেয়ে-নাতি একসঙ্গে এইচএসসি পাস

আপডেট সময় : ০১:০৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রকাশিত হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফল। সারাদেশে উত্তীর্ণদের বাঁধভাঙা আনন্দ। তার ঢেউ লেগেছে পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ি। তবে এবার প্রকাশিত এইচএসসি ফলাফলে নজর কেড়েছে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তাইন্দং ইউনিয়নের একটি পরিবার।

৫০ বছর বয়সে উচ্চ মাধ্যমিক (আলিম) পাস করেছে মো. সিরাজুল ইসলাম। শুধু তাই নয় তাইন্দং ইউনিয়নের সাবেক এ চেয়ারম্যানের ছোট মেয়ে, একমাত্র ছেলে এবং বড় মেয়ের ঘরের নাতিও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের শুভেচ্ছায় সিক্ত করছেন স্থানীয়রা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিরাজুল ইসলামের ছয় মেয়ে এক ছেলে। এবার পরীক্ষায় ছোট মেয়ে মাহমুদা সিরাজ খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.১৭ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। একমাত্র ছেলে হাফেজ নেসার উদ্দিন আহম্মেদ চট্টগ্রাম বাইতুশ শরফ কামিল মাদ্রাসা থেকে জিপিএ ৪.০০ পেয়েছেন। সিরাজুল ইসলামের বড় মেয়ের ঘরের নাতি নাজমুল হাসান খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ ৪.৬৭ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ।

তবে বড় চমকটুকু সিরাজুল ইসলাম নিজেই। তিনি খাগড়াছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা থেকে জিপিএ ২.১৪ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এ বয়সে কেন পরীক্ষা দিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে সিরাজুল বলেন, ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত শিক্ষার কিন্তু শেষ নেই। আমার আগ্রহ ছিল বটেই, আমাকে দেখে অন্যরাও উৎসাহ পাবে এ ভাবনা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি।

সিরাজুল ইসলাম ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত মাটিরাঙ্গার তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশায় ব্যবসায়ী সিরাজুল আরও বলেন, শিক্ষার বিকল্প নেই। যত বয়স হোক জ্ঞান অর্জন করে দেশকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব।