সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

যারা মাক্স ব্যবহার করবে না তাদের কোন সেবা দেওয়া হবে না -বরিশাল জেলা প্রশাসক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২২ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আরিফ হোসেন॥ বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ জসীম উদ্দীন হায়দার বলেছেন, আমরা শুরুতেই কারো আইন প্রয়োগ করে সচেতনতা সৃষ্টি করতে চাই না। আমি সহ আমার প্রশাসনের কর্মকর্তারা বরিশাল নগরী সহ প্রত্যেকটি উপজেলার সাধারন মানুষকে করোনা ও অমিক্রন থেকে রক্ষা করার জন্য সর্বস্থরে সচেতনমূলক প্রচার-প্রচারনা করার পাশাপাশি আমাদের পক্ষ থেকে মাক্স বিতরন করার হবে।

আমাদের কাছে সরকারের পক্ষ হতে যে নির্দেশ নামা রয়েছে তা প্রথমে ব্যবহার আমরা করছি না। আমরা যানি নগরীর মানুষ সচেতন তাই নিজেকে রক্ষা করবেন সেই সাথে অপরকে সু-রক্ষায় সহযোগীতা করবেন।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, আমি জেলা প্রশাসক হসেবে নয় আপনাদের একজন শুভাকাঙ্খি হয়ে আপনাদের সকলের কাছে মাক্স ব্যবহার করার মাধ্যমে সচেতন থাকার আহবান করছি। এসময় তিনি বিগত করোনার কথা স্মরন করে বলেন আপনারা সকলেই জানেন মেডিকেলে রোগি রাখার জায়গা দিতে চিকিৎসক ও প্রশাসনের বেগ পেতে হয়েছে। এবার আমরা আগে থেকেই নিজেরা সচেতন হয়ে সেই স্থানে যেতে চাই না।

তিনি বলেন ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনামা আমরা জারী করেছি যারা মাক্স ব্যবহার করবেন না তাদেরকে কোন সেবা দেওয়া হবে না এবং ব্যবসায়ীদেরকে সেবা দেয়া থেকে বিরত থাকার আহবান জানান।

এসময় তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগীতা কামনা করে আরো বলেন আজ থেকে আমরা মাক্স বিতরন ও প্রচার-প্রচারনার কার্যক্রম শুরু করেছি। শিঘ্রই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলস্থানে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে। আমাদের কার্যক্রম জিরোটলারেন্স থাকবে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদররোডে (ওমিক্রন) করোনা প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম উদ্বোধনী পথ সভায় জেলা প্রশাসক পথচারী ও গণমাধ্যম কর্মীদের উর্দেশ্যে একথাগুলো বলেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) গৌতম বাড়ৈ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুর রহমান খান, নেজারত ডিপুটি কালেক্টর (এনডিসি) নাজমুল হুদা সহ জেলা প্রশাসন দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা গণ। পরে জেলা প্রশাসক মোঃ জসীম উদ্দীন হায়দার সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা পথচারিদের মাক্স পরিয়ে দিয়ে করোনা প্রতিরোধের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেন। অপরদিকে অমিক্রন ঠেকাতে সরকার ঘোষিত সিদ্ধান্ত লঞ্চ যাত্রার ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন হয়নি। আগের মতই যাত্রী বহন করা হচ্ছে। তবে নদী বন্দর কর্মকর্তার নেতৃত্বে মাস্ক এবং হ্যান্ডস্যানিটাইজার নিশ্চিতে একটি টিম কাজ করছে।

যাত্রীরা লঞ্চে আগের ন্যায় বসছে। এক সিট খালি রেখে বসার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। এদিকে যেসব যাত্রীরা মাস্ক ব্যতীত লঞ্চে উঠতে যাচ্ছে তাদের একই অজুহাত ভুল করেছে বা মাস্ক ছিড়েগেছে। আর লঞ্চ স্টাফরা বলছেন ভাড়া বাড়ানো বা এক সিটে দুইজন বসানোর কোন সিদ্ধান্ত তারা মালিকের কাছ থেকে পায়নি।

এ ব্যাপারে বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে নির্দেশনা আসেনি। তবে মাস্ক ব্যতীত কাউকে লঞ্চে যাতায়াত করতে দিচ্ছেন না। তবে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা ব্যবস্থা নিবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যারা মাক্স ব্যবহার করবে না তাদের কোন সেবা দেওয়া হবে না -বরিশাল জেলা প্রশাসক

আপডেট সময় : ১০:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২২

আরিফ হোসেন॥ বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ জসীম উদ্দীন হায়দার বলেছেন, আমরা শুরুতেই কারো আইন প্রয়োগ করে সচেতনতা সৃষ্টি করতে চাই না। আমি সহ আমার প্রশাসনের কর্মকর্তারা বরিশাল নগরী সহ প্রত্যেকটি উপজেলার সাধারন মানুষকে করোনা ও অমিক্রন থেকে রক্ষা করার জন্য সর্বস্থরে সচেতনমূলক প্রচার-প্রচারনা করার পাশাপাশি আমাদের পক্ষ থেকে মাক্স বিতরন করার হবে।

আমাদের কাছে সরকারের পক্ষ হতে যে নির্দেশ নামা রয়েছে তা প্রথমে ব্যবহার আমরা করছি না। আমরা যানি নগরীর মানুষ সচেতন তাই নিজেকে রক্ষা করবেন সেই সাথে অপরকে সু-রক্ষায় সহযোগীতা করবেন।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, আমি জেলা প্রশাসক হসেবে নয় আপনাদের একজন শুভাকাঙ্খি হয়ে আপনাদের সকলের কাছে মাক্স ব্যবহার করার মাধ্যমে সচেতন থাকার আহবান করছি। এসময় তিনি বিগত করোনার কথা স্মরন করে বলেন আপনারা সকলেই জানেন মেডিকেলে রোগি রাখার জায়গা দিতে চিকিৎসক ও প্রশাসনের বেগ পেতে হয়েছে। এবার আমরা আগে থেকেই নিজেরা সচেতন হয়ে সেই স্থানে যেতে চাই না।

তিনি বলেন ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনামা আমরা জারী করেছি যারা মাক্স ব্যবহার করবেন না তাদেরকে কোন সেবা দেওয়া হবে না এবং ব্যবসায়ীদেরকে সেবা দেয়া থেকে বিরত থাকার আহবান জানান।

এসময় তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগীতা কামনা করে আরো বলেন আজ থেকে আমরা মাক্স বিতরন ও প্রচার-প্রচারনার কার্যক্রম শুরু করেছি। শিঘ্রই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলস্থানে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে। আমাদের কার্যক্রম জিরোটলারেন্স থাকবে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদররোডে (ওমিক্রন) করোনা প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম উদ্বোধনী পথ সভায় জেলা প্রশাসক পথচারী ও গণমাধ্যম কর্মীদের উর্দেশ্যে একথাগুলো বলেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) গৌতম বাড়ৈ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুর রহমান খান, নেজারত ডিপুটি কালেক্টর (এনডিসি) নাজমুল হুদা সহ জেলা প্রশাসন দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা গণ। পরে জেলা প্রশাসক মোঃ জসীম উদ্দীন হায়দার সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা পথচারিদের মাক্স পরিয়ে দিয়ে করোনা প্রতিরোধের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেন। অপরদিকে অমিক্রন ঠেকাতে সরকার ঘোষিত সিদ্ধান্ত লঞ্চ যাত্রার ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন হয়নি। আগের মতই যাত্রী বহন করা হচ্ছে। তবে নদী বন্দর কর্মকর্তার নেতৃত্বে মাস্ক এবং হ্যান্ডস্যানিটাইজার নিশ্চিতে একটি টিম কাজ করছে।

যাত্রীরা লঞ্চে আগের ন্যায় বসছে। এক সিট খালি রেখে বসার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। এদিকে যেসব যাত্রীরা মাস্ক ব্যতীত লঞ্চে উঠতে যাচ্ছে তাদের একই অজুহাত ভুল করেছে বা মাস্ক ছিড়েগেছে। আর লঞ্চ স্টাফরা বলছেন ভাড়া বাড়ানো বা এক সিটে দুইজন বসানোর কোন সিদ্ধান্ত তারা মালিকের কাছ থেকে পায়নি।

এ ব্যাপারে বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে নির্দেশনা আসেনি। তবে মাস্ক ব্যতীত কাউকে লঞ্চে যাতায়াত করতে দিচ্ছেন না। তবে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা ব্যবস্থা নিবেন।