সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

ইকবাল এতদিন কোথায় ছিল, জানতে চান ফখরুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১ ৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
কুমিল্লার পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরীফ রাখার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজ বেশকিছু গণমাধ্যমে দেখছি কক্সবাজার থেকে ইকবাল নামের একজন মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে এতদিন কোথায় ছিল? তাকে কারা সেখানে নিয়ে গেল?

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ২০–দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্গাপূজায় পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের মদদ ছাড়া কখনো সাম্প্রদায়িক সমস্যা তৈরি হয় না। যারা সরকারে থাকে, তারাই করে।

এসময় তিনি সরকারকে উদ্দেশে বলেন, ‘কেন আপনারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে গেল, কোনো পুলিশ পাঠালেন না বা পুলিশ গেল না বা পুলিশ থেকেও কোনো ব্যবস্থা নিল না। কেন এটা হলো?’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘রংপুরের ঘটনায় দেখলাম একদিকে ওসি, চেয়ারম্যান সবাই মিলে আলোচনা করছে, একটা আপস করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে বাইরে থেকে এসে লোকজন মাঝিপাড়া জ্বালিয়ে দিয়েছে। দুর্ভাগ্য। তাহলে কি আমরা বলব যে তাদের ছত্রচ্ছায়ায় এই ঘটনা ঘটেছে।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘কুমিল্লার ঘটনার পর ওবায়দুল কাদের সাহেব কী করলেন? যখনই সেদিন ঘটনাগুলো ঘটল, প্রথমে ওবায়দুল কাদের সাহেব বললেন, এটা বিএনপি-জামায়াতের লোকেরা করেছে। কথায় কথায় উনি একটাই কথা বলেন যে যত দোষ নন্দ ঘোষ। আপনাদের চরম ব্যর্থতা যে আজকে এই সমাজে কোনো মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারেন না।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের ধর্ম পালন করবেন, মুসলিমরা তাদের ধর্ম পালন করবেন, বৌদ্ধরা-খ্রিষ্টানরা তাদের ধর্ম পালন করবেন এটাই তো বাংলাদেশ। আপনারা কী করছেন? অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছেন। শুধু মানুষের দৃষ্টিটা, মানুষের মনোযোগকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য সরকার এই বিষয়টাকে সামনে নিয়ে এসেছে।’

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, সরকার একেক সময় একেকটা বিভাজন তৈরি করছে আর সেই বিভাজনে একেক সময় একেকটাকে সামনে নিয়ে আসে। স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি, বিপক্ষের শক্তি, গণতন্ত্রের পক্ষে শক্তি, বিপক্ষের শক্তি। এখন তারা ধর্মীয় বিভাজনে নেমে পড়েছে, কী করে মানুষের মূল যে সমস্যা সেখান থেকে তাদের বিভ্রান্ত করা যায়।

তিনি বলেন, এখন সমস্যা জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, মানুষ ভোট দিতে পারে না, কথা বলতে পারে না, শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। সেই জায়গাগুলো থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে এসে একটা সাম্প্রদায়িক সংকট তৈরি করছে সরকার।

মির্জা ফখরুল বলেন, মানুষ দুঃসহ অবস্থার মধ্যে বাস করছে। প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ছে। চাল, তেল, লবণ, চিনির দাম বেড়ে গেছে। কিন্তু মানুষের আয় বাড়েনি। যার ফলে মানুষ গরিব থেকে আরও গরিব হচ্ছে, আর আওয়ামী লীগের লুটেরারা ধনী থেকে ধনী হচ্ছে।

লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর শফিকুল ইসলাম, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) আহসান হাবিব, জাগপার একাংশের সভাপতি খন্দকার লুৎফুর রহমান, লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফারুক রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরা খাতুন, মেজবাউল ইসলাম প্রমুখ।

এদিকে, অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে এসে পৌঁছায় তাকে বহনকারী মাইক্রোবাস। এর আগে তাকে নিয়ে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লার পথে রওনা হয় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইকবাল সন্দেহে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে একজনকে আটক করা হয়। পরে কুমিল্লার পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেন যে আটক ওই ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল।

উল্লেখ্য, শারদীয় দুর্গাপূজার মহা অষ্টমীর দিন গত বুধবার (১৩ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা শহরের নানুয়াদিঘির উত্তরপাড়ে দর্পণ সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন দেখা যায়। এরপর কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে ওই মণ্ডপে হামলা চালায় একদল লোক। সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।

ওই ঘটনায় প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজে ইকবাল নামের এক ব্যক্তিকে দেখা যায়। সিসিটিভি’র সে ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন কীভাবে, কখন মসজিদে যান এবং বের হন। এরপর মণ্ডপের দিকে যান এবং মণ্ডপ থেকে গদা হাতে ফেরেন তা ফুটেজে অনেকটা স্পষ্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইকবাল এতদিন কোথায় ছিল, জানতে চান ফখরুল

আপডেট সময় : ০৬:২৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
কুমিল্লার পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরীফ রাখার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজ বেশকিছু গণমাধ্যমে দেখছি কক্সবাজার থেকে ইকবাল নামের একজন মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে এতদিন কোথায় ছিল? তাকে কারা সেখানে নিয়ে গেল?

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ২০–দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্গাপূজায় পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের মদদ ছাড়া কখনো সাম্প্রদায়িক সমস্যা তৈরি হয় না। যারা সরকারে থাকে, তারাই করে।

এসময় তিনি সরকারকে উদ্দেশে বলেন, ‘কেন আপনারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে গেল, কোনো পুলিশ পাঠালেন না বা পুলিশ গেল না বা পুলিশ থেকেও কোনো ব্যবস্থা নিল না। কেন এটা হলো?’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘রংপুরের ঘটনায় দেখলাম একদিকে ওসি, চেয়ারম্যান সবাই মিলে আলোচনা করছে, একটা আপস করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে বাইরে থেকে এসে লোকজন মাঝিপাড়া জ্বালিয়ে দিয়েছে। দুর্ভাগ্য। তাহলে কি আমরা বলব যে তাদের ছত্রচ্ছায়ায় এই ঘটনা ঘটেছে।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘কুমিল্লার ঘটনার পর ওবায়দুল কাদের সাহেব কী করলেন? যখনই সেদিন ঘটনাগুলো ঘটল, প্রথমে ওবায়দুল কাদের সাহেব বললেন, এটা বিএনপি-জামায়াতের লোকেরা করেছে। কথায় কথায় উনি একটাই কথা বলেন যে যত দোষ নন্দ ঘোষ। আপনাদের চরম ব্যর্থতা যে আজকে এই সমাজে কোনো মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারেন না।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের ধর্ম পালন করবেন, মুসলিমরা তাদের ধর্ম পালন করবেন, বৌদ্ধরা-খ্রিষ্টানরা তাদের ধর্ম পালন করবেন এটাই তো বাংলাদেশ। আপনারা কী করছেন? অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছেন। শুধু মানুষের দৃষ্টিটা, মানুষের মনোযোগকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য সরকার এই বিষয়টাকে সামনে নিয়ে এসেছে।’

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, সরকার একেক সময় একেকটা বিভাজন তৈরি করছে আর সেই বিভাজনে একেক সময় একেকটাকে সামনে নিয়ে আসে। স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি, বিপক্ষের শক্তি, গণতন্ত্রের পক্ষে শক্তি, বিপক্ষের শক্তি। এখন তারা ধর্মীয় বিভাজনে নেমে পড়েছে, কী করে মানুষের মূল যে সমস্যা সেখান থেকে তাদের বিভ্রান্ত করা যায়।

তিনি বলেন, এখন সমস্যা জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, মানুষ ভোট দিতে পারে না, কথা বলতে পারে না, শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। সেই জায়গাগুলো থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে এসে একটা সাম্প্রদায়িক সংকট তৈরি করছে সরকার।

মির্জা ফখরুল বলেন, মানুষ দুঃসহ অবস্থার মধ্যে বাস করছে। প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ছে। চাল, তেল, লবণ, চিনির দাম বেড়ে গেছে। কিন্তু মানুষের আয় বাড়েনি। যার ফলে মানুষ গরিব থেকে আরও গরিব হচ্ছে, আর আওয়ামী লীগের লুটেরারা ধনী থেকে ধনী হচ্ছে।

লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর শফিকুল ইসলাম, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) আহসান হাবিব, জাগপার একাংশের সভাপতি খন্দকার লুৎফুর রহমান, লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফারুক রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরা খাতুন, মেজবাউল ইসলাম প্রমুখ।

এদিকে, অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে এসে পৌঁছায় তাকে বহনকারী মাইক্রোবাস। এর আগে তাকে নিয়ে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লার পথে রওনা হয় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইকবাল সন্দেহে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে একজনকে আটক করা হয়। পরে কুমিল্লার পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেন যে আটক ওই ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল।

উল্লেখ্য, শারদীয় দুর্গাপূজার মহা অষ্টমীর দিন গত বুধবার (১৩ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা শহরের নানুয়াদিঘির উত্তরপাড়ে দর্পণ সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন দেখা যায়। এরপর কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে ওই মণ্ডপে হামলা চালায় একদল লোক। সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।

ওই ঘটনায় প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজে ইকবাল নামের এক ব্যক্তিকে দেখা যায়। সিসিটিভি’র সে ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন কীভাবে, কখন মসজিদে যান এবং বের হন। এরপর মণ্ডপের দিকে যান এবং মণ্ডপ থেকে গদা হাতে ফেরেন তা ফুটেজে অনেকটা স্পষ্ট।