সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

কলাপাড়ার সেই নারী ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাকে বদলি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ::: পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আলোচিত সেই নারী ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তাকে অবশেষে বদলি করেছে জেলা প্রশাসন। খেপুপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে সরিয়ে তাকে গলাচিপা উপজেলার পাতাবুনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত ২১ সেপ্টেম্বরের অফিস আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে তানিয়া আক্তার মুক্তার বিভিন্ন দুর্নীতি ও জালিয়াতির তদন্ত শুরু করে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়।

এদিকে উপজেলার তুলাতলি গ্রামের জনৈক মো. ইউনুস খেপুপাড়া ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে জাল খাতিয়ান খুলে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেন।

এরপর জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। উক্ত অভিযোগের অনুলিপি মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ, চেয়ারম্যান, দুদক প্রধান কার্যালয়, ঢাকা ও বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল, বরাবর পাঠানো হয়।

অভিযোগে বলা হয়, সোনাতলা মৌজার ১ নম্বর সরকারি খাস খতিয়ানের জমি নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা জাল জালিয়াতিভাবে ৫৯১/১ নম্বর ভুয়া খতিয়ান সৃষ্টি করেন। অতঃপর রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে ১৬৪৪৩০ নম্বর খাজনা দাখিলা প্রদান করেন। এতে ঢাকার কোম্পানির কাছে একটি চক্র সরকারি জমি এক কোটি টাকায় বিক্রি করে আত্মসাত করে।

কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, “ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তার দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তা, ২০১৯ সালের ৮ মে সোনাতলা মৌজার এসএ ২ নম্বর সিটভুক্ত ১১৮৬, ১১৮৭ নদীর দাগের ২ দশমিক ৮৭ একর জমির, ১৩৭৯ থেকে ১৪২৫ পর্যন্ত, ৪৬ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর রসিদ দেন আম্বিয়া খাতুনের নামে।

অফিসে সংরক্ষিত উক্ত রসিদের কার্বন কপিতে সেটেলমেন্ট খতিয়ানের পরিবর্তে রেকর্ডীয় খতিয়ান ৯১ লেখা রয়েছে। জমির পরিমানও পাল্টে ১ দশমিক ৮৭৫০ এবং কর আদায়ের সাল ১৩৭৯-৯৭ লেখা রয়েছে। অথচ সোনাতলা মৌজার রেকর্ডীয় ৯১ খতিয়ানের মালিক আছিয়া খাতুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কলাপাড়ার সেই নারী ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাকে বদলি।

আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ::: পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আলোচিত সেই নারী ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তাকে অবশেষে বদলি করেছে জেলা প্রশাসন। খেপুপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে সরিয়ে তাকে গলাচিপা উপজেলার পাতাবুনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত ২১ সেপ্টেম্বরের অফিস আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে তানিয়া আক্তার মুক্তার বিভিন্ন দুর্নীতি ও জালিয়াতির তদন্ত শুরু করে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়।

এদিকে উপজেলার তুলাতলি গ্রামের জনৈক মো. ইউনুস খেপুপাড়া ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে জাল খাতিয়ান খুলে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেন।

এরপর জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। উক্ত অভিযোগের অনুলিপি মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ, চেয়ারম্যান, দুদক প্রধান কার্যালয়, ঢাকা ও বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল, বরাবর পাঠানো হয়।

অভিযোগে বলা হয়, সোনাতলা মৌজার ১ নম্বর সরকারি খাস খতিয়ানের জমি নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা জাল জালিয়াতিভাবে ৫৯১/১ নম্বর ভুয়া খতিয়ান সৃষ্টি করেন। অতঃপর রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে ১৬৪৪৩০ নম্বর খাজনা দাখিলা প্রদান করেন। এতে ঢাকার কোম্পানির কাছে একটি চক্র সরকারি জমি এক কোটি টাকায় বিক্রি করে আত্মসাত করে।

কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, “ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তার দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তা, ২০১৯ সালের ৮ মে সোনাতলা মৌজার এসএ ২ নম্বর সিটভুক্ত ১১৮৬, ১১৮৭ নদীর দাগের ২ দশমিক ৮৭ একর জমির, ১৩৭৯ থেকে ১৪২৫ পর্যন্ত, ৪৬ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর রসিদ দেন আম্বিয়া খাতুনের নামে।

অফিসে সংরক্ষিত উক্ত রসিদের কার্বন কপিতে সেটেলমেন্ট খতিয়ানের পরিবর্তে রেকর্ডীয় খতিয়ান ৯১ লেখা রয়েছে। জমির পরিমানও পাল্টে ১ দশমিক ৮৭৫০ এবং কর আদায়ের সাল ১৩৭৯-৯৭ লেখা রয়েছে। অথচ সোনাতলা মৌজার রেকর্ডীয় ৯১ খতিয়ানের মালিক আছিয়া খাতুন।