সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

বরিশালে ভাষাসৈনিকের বাড়িতে ফুলসহ উপহারসামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন জেলা প্রশাসক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বরিশালে শয্যাশয়ী এক ভাষাসৈনিকের বাড়িতে ফুলসহ উপহারসামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দিন হায়দার। ভাষা দিবসের একদিন পুর্বে শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি শহরের বগুড়া রোডস্থ ভাষা সৈনিক ইউসুফ হোসেন কালুর বাড়িতে ছুটে যান। জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তার আকস্মিক উপস্থিতি ভাষাসৈনিকের পরিবার বিমুগ্ধ হলেও আশ্চর্যিত বটে। কারণ বিগত সময়ে এভাবে ভাষাসৈনিকের বাসা-বাড়িতে জেলা প্রশাসকদের ছুটি যাওয়ার উদাহরণ কম রয়েছে।
জেলা প্রশাসক বলেন- ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি বাঙালির সংস্কৃতির ও মননের প্রতীক। ভাষার দাবিতে ১৯৫২ সালে পুরো মাসই ছিল আন্দোলনে উত্তাল। তাই ফেব্রুয়ারির প্রতিটি দিনই বাঙালি জাতির জন্য অহঙ্কার আর গৌরবের দিন। গৌরবময় চিরভাস্বর দিনগুলো যাদের জন্য ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে আছে তাদের একজন বরিশালের ভাষাসৈনিক ইউসুফ হোসেন কালু।

তিনি বলেন- ভাষা আন্দোলনের তখনকার যুবক আজ ৯৫ বছরের বৃদ্ধ আর শারীরিক অসুস্থতা তাকে শয্যাশায়ী করেছে।

২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রাক্কালে জেলা প্রসাশকের এই উদ্যোগ এবং ভাষা সৈনিক ইউসুফ হোসেন কালুর বাড়িতে ছুটে গিয়ে খোঁজ-খবর নেওয়ার বিষয়টি বেশ প্রসংশিত হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জেলা প্রশাসক এসময় ভাষাসৈনিককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি ফলমূল এবং আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।

একপর্যায়ে জেলা প্রশাসকের সাথে আলাপচারিতায় কালু ১৯৫২ সালে পাকিস্তানি শাসকদের বাংলা ভাষা, সংস্কৃতির প্রতি বিরূপ আচরণ, তিনিসহ বরিশালে অন্যান্য যে সকল ব্যক্তি বাংলা ভাষার অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন তাদের এবং সে সময়ের সংগ্রামী দিনগুলোর কথা ব্যক্ত করেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে ভাষাসৈনিকের বাড়িতে ফুলসহ উপহারসামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন জেলা প্রশাসক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:০৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বরিশালে শয্যাশয়ী এক ভাষাসৈনিকের বাড়িতে ফুলসহ উপহারসামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দিন হায়দার। ভাষা দিবসের একদিন পুর্বে শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি শহরের বগুড়া রোডস্থ ভাষা সৈনিক ইউসুফ হোসেন কালুর বাড়িতে ছুটে যান। জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তার আকস্মিক উপস্থিতি ভাষাসৈনিকের পরিবার বিমুগ্ধ হলেও আশ্চর্যিত বটে। কারণ বিগত সময়ে এভাবে ভাষাসৈনিকের বাসা-বাড়িতে জেলা প্রশাসকদের ছুটি যাওয়ার উদাহরণ কম রয়েছে।
জেলা প্রশাসক বলেন- ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি বাঙালির সংস্কৃতির ও মননের প্রতীক। ভাষার দাবিতে ১৯৫২ সালে পুরো মাসই ছিল আন্দোলনে উত্তাল। তাই ফেব্রুয়ারির প্রতিটি দিনই বাঙালি জাতির জন্য অহঙ্কার আর গৌরবের দিন। গৌরবময় চিরভাস্বর দিনগুলো যাদের জন্য ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে আছে তাদের একজন বরিশালের ভাষাসৈনিক ইউসুফ হোসেন কালু।

তিনি বলেন- ভাষা আন্দোলনের তখনকার যুবক আজ ৯৫ বছরের বৃদ্ধ আর শারীরিক অসুস্থতা তাকে শয্যাশায়ী করেছে।

২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রাক্কালে জেলা প্রসাশকের এই উদ্যোগ এবং ভাষা সৈনিক ইউসুফ হোসেন কালুর বাড়িতে ছুটে গিয়ে খোঁজ-খবর নেওয়ার বিষয়টি বেশ প্রসংশিত হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জেলা প্রশাসক এসময় ভাষাসৈনিককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি ফলমূল এবং আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।

একপর্যায়ে জেলা প্রশাসকের সাথে আলাপচারিতায় কালু ১৯৫২ সালে পাকিস্তানি শাসকদের বাংলা ভাষা, সংস্কৃতির প্রতি বিরূপ আচরণ, তিনিসহ বরিশালে অন্যান্য যে সকল ব্যক্তি বাংলা ভাষার অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন তাদের এবং সে সময়ের সংগ্রামী দিনগুলোর কথা ব্যক্ত করেন।’