সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব ছোট ভাইকে গুলি করলেন পৌর মেয়র। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০ ১৭১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: খাগড়াছড়ির রামগড়ে ছোট ভাই কাজী শাহরিয়ার ইসলাম সাহেদের পায়ে গুলি করেছেন রামগড় পৌরসভার মেয়র কাজী রিপন। পারিবারিক কলহের জেরে রবিবার রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী আরেক সহোদর কাজী সাইফুল ইসলাম শিমুল জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক সম্পত্তি জোর করে দখল এবং টাকা আত্মসাতের কারণে মেয়র কাজী রিপনের সঙ্গে অন্য ভাইদের দ্বন্দ্ব চলছে। এর জেরে রবিবার রাতে অতর্কিত এ হামলার ঘটনা ঘটে। বাড়ির প্রবেশের দ্বারেই কাজী রিপন ও তাদের অন্য ভাই জিয়াউল হক শিপন এসেই ছোট ভাই সাহেদকে কিল, ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। একপর্যায়ে কাজী রিপন ক্ষিপ্ত হয়ে তার পায়ে একাধিক গুলি করেন।

এতে সে অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। গুলিবিদ্ধ কাজী সাহেদের অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তার তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এ সময় তাদের আরেক সহোদর জিয়াউল হক শিপনও মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে জানতে মেয়র কাজী রিপনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, পৌর মেয়র কাজী রিপন এবং তার ভাইদের মাঝে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে।

পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে ভাইদের মাঝে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন আহত এবং অন্যজনের মাথায় আঘাত পাওয়ার খবর শুনেছি। তবে এ নিয়ে থানায় গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব ছোট ভাইকে গুলি করলেন পৌর মেয়র। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: খাগড়াছড়ির রামগড়ে ছোট ভাই কাজী শাহরিয়ার ইসলাম সাহেদের পায়ে গুলি করেছেন রামগড় পৌরসভার মেয়র কাজী রিপন। পারিবারিক কলহের জেরে রবিবার রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী আরেক সহোদর কাজী সাইফুল ইসলাম শিমুল জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক সম্পত্তি জোর করে দখল এবং টাকা আত্মসাতের কারণে মেয়র কাজী রিপনের সঙ্গে অন্য ভাইদের দ্বন্দ্ব চলছে। এর জেরে রবিবার রাতে অতর্কিত এ হামলার ঘটনা ঘটে। বাড়ির প্রবেশের দ্বারেই কাজী রিপন ও তাদের অন্য ভাই জিয়াউল হক শিপন এসেই ছোট ভাই সাহেদকে কিল, ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। একপর্যায়ে কাজী রিপন ক্ষিপ্ত হয়ে তার পায়ে একাধিক গুলি করেন।

এতে সে অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। গুলিবিদ্ধ কাজী সাহেদের অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তার তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এ সময় তাদের আরেক সহোদর জিয়াউল হক শিপনও মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে জানতে মেয়র কাজী রিপনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, পৌর মেয়র কাজী রিপন এবং তার ভাইদের মাঝে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে।

পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে ভাইদের মাঝে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন আহত এবং অন্যজনের মাথায় আঘাত পাওয়ার খবর শুনেছি। তবে এ নিয়ে থানায় গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।