সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

নলছিটিতে সেই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১১ ইউপি সদস্য অনাস্থা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মনির হোসেন ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝাালকাঠির নলছিটিতে বিতর্কিত ও বহু অপকর্মের হোতা সুবিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান আঃ মান্নান সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাত ও অশালীন আচরণসহ অভিযোগের পাহাড় এনে ১১ ইউপি সদস্য দ্বিতীয়বারের মত অনাস্থা প্রদান করেছেন। রবিবার নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ১১ সদস্য এ অভিযোগ তুলে অনাস্তা পত্র দাখিল করেন। এর আগে ১৬ আগস্ট ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক বরাবরে একই অভিযোগে অনাস্থা প্রদান করেন।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. সাখাওয়াত হোসেন লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এর আগে গত ১৬ আগস্ট ৯ জন ইউপি সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব লিখিতভাবে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর কাছে দেন। তাদের লিখিত অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছেন বলে জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে।

লিখিত অনাস্থা পত্রে ও ইউপি সদস্যরা জানান, সুবিদপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান সিকদার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ক্ষমতার অপব্যবহার, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা করে সাধারণ জনগনকে ধোকা দিয়ে নিজের আখের গুছিয়ে আসছেন। এমনকি তিনি নিজে স্বঘোষিত একটি সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করে এলাকায় সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করেছে। এদের দিয়ে ইউপি সদস্যদের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে বিভিন্ন প্রকল্প বানিয়ে রেজুলেশনে ইচ্ছার বিরুদ্ধে সই নিতেন। অথচ প্রকল্পের কোন কাজ না করেই লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করে কোটিপতি বনে এ দূর্ণীতিবাজ ইউপি চেয়ারম্যান। অভিযোগ রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের পুরনো ভবন ভাড়া দিয়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাঁর এহেন অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে কথা বললে সদস্য পদ থেকে বরখাস্তের ষড়যন্ত্র, হামলা, মামলা ও মেরে ফেলার হুমকি দিতো চেয়ারম্যান ও তার বাহিনী। অবশেষে পরিষদের সকল সদস্যরা নিরুপায় হয়ে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা দেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিতে আসেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মানছুর খান, ফিরোজ আলম সোহাগ জোমাদ্দার, ইউপি সদস্য আমানুর রহমান সুমন, শাহ আলম হাওলাদার, রেজাউর রহমান রেজা, আবদুল জলিল মৃধা, রেজাউল করিম সোহাগ খান, মিজানুর রহমান, শারমিন বেগম, লাভলী বেগম ও রাফিকা বেগম।

অনাস্থাপত্রের লিখিত অভিযোগে সুনির্দিষ্ট ২৪টি অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগ তুরে ধরে প্রশাসনের সর্বোচ্চ আইনগত সহায়তা দাবী করেন।।

এ ব্যাপারে সুবিদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আঃ মান্নান সিকদার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা ইউপি সদস্যদের দিয়ে এসব করাচ্ছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নলছিটিতে সেই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১১ ইউপি সদস্য অনাস্থা

আপডেট সময় : ১১:১৮:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

মনির হোসেন ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝাালকাঠির নলছিটিতে বিতর্কিত ও বহু অপকর্মের হোতা সুবিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান আঃ মান্নান সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাত ও অশালীন আচরণসহ অভিযোগের পাহাড় এনে ১১ ইউপি সদস্য দ্বিতীয়বারের মত অনাস্থা প্রদান করেছেন। রবিবার নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ১১ সদস্য এ অভিযোগ তুলে অনাস্তা পত্র দাখিল করেন। এর আগে ১৬ আগস্ট ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক বরাবরে একই অভিযোগে অনাস্থা প্রদান করেন।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. সাখাওয়াত হোসেন লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এর আগে গত ১৬ আগস্ট ৯ জন ইউপি সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব লিখিতভাবে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর কাছে দেন। তাদের লিখিত অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছেন বলে জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে।

লিখিত অনাস্থা পত্রে ও ইউপি সদস্যরা জানান, সুবিদপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান সিকদার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ক্ষমতার অপব্যবহার, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা করে সাধারণ জনগনকে ধোকা দিয়ে নিজের আখের গুছিয়ে আসছেন। এমনকি তিনি নিজে স্বঘোষিত একটি সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করে এলাকায় সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করেছে। এদের দিয়ে ইউপি সদস্যদের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে বিভিন্ন প্রকল্প বানিয়ে রেজুলেশনে ইচ্ছার বিরুদ্ধে সই নিতেন। অথচ প্রকল্পের কোন কাজ না করেই লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করে কোটিপতি বনে এ দূর্ণীতিবাজ ইউপি চেয়ারম্যান। অভিযোগ রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের পুরনো ভবন ভাড়া দিয়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাঁর এহেন অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে কথা বললে সদস্য পদ থেকে বরখাস্তের ষড়যন্ত্র, হামলা, মামলা ও মেরে ফেলার হুমকি দিতো চেয়ারম্যান ও তার বাহিনী। অবশেষে পরিষদের সকল সদস্যরা নিরুপায় হয়ে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা দেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিতে আসেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মানছুর খান, ফিরোজ আলম সোহাগ জোমাদ্দার, ইউপি সদস্য আমানুর রহমান সুমন, শাহ আলম হাওলাদার, রেজাউর রহমান রেজা, আবদুল জলিল মৃধা, রেজাউল করিম সোহাগ খান, মিজানুর রহমান, শারমিন বেগম, লাভলী বেগম ও রাফিকা বেগম।

অনাস্থাপত্রের লিখিত অভিযোগে সুনির্দিষ্ট ২৪টি অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগ তুরে ধরে প্রশাসনের সর্বোচ্চ আইনগত সহায়তা দাবী করেন।।

এ ব্যাপারে সুবিদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আঃ মান্নান সিকদার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা ইউপি সদস্যদের দিয়ে এসব করাচ্ছে।’