সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

স্যার আমাকে জীবনটা ভিক্ষা দেন: মেজর সিনহা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২০ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেক্স প্রতিবেদক

সেনাবাহিনীর (অব.) মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান (৩৬)। তিনজনের একটি দল প্রায় একমাস আগে ‘জাস্ট গো’ নামের একটি ডকুমেন্টারি ফ্লিম করার জন্য কক্সবাজারের হিমছড়ির একটি কটেজে উঠেছিলেন। এরই প্রেক্ষিতে ৩১ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে মাথাভাঙ্গা ও মারিশবনিয়া একটি পাহাড়ে ওই ফ্লিমের কাজ করেন। ফেরার সময় কক্সবাজার টেকনাফ মেরিনড্রাইভের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের নির্মম গুলিতে প্রাণ হারান। এ ঘটনায় রাষ্ট্রীয়ভাবে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি বাহারছড়া ইউনিয়নে পরিস্থিতি থমথমে বিরাজ করছে। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে,

সেনাবাহিনী থেকে ২০১৮ সালে সেচ্ছায় অবসর নেন মেজর সিনহা রাশেদ খান। প্রায় এক মাস আগে তার একটি দল ‘জাস্ট গো’নামের একটি ফ্লিমের শুটিং করার জন্য কক্সবাজারের হিমছড়িতে এসে একটি হোটেলে দুই কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকতেন। ওই দিন বিকেলে বাহারছড়া ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা থেকে শহিদুল নামের এক কিশোরকে নিয়ে পাহাড়ে উঠেন। তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষার্থী শিফাত। কিশোরটি তাদের পথ দেখিয়ে ফিরে আসলে তারা লাইটের আলো জ্বালিয়ে কাজ করেন। এতে স্থানীয় অনেকেই অপরিচিত লোকজন দেখে কৌতূহল ও নানা রকম ধারণা করতে থাকেন। সন্ধ্যা শেষে রাতের শুরুতে গন্থব্যস্থলে ফেরার জন্য রওনা করেন। প্রথমে কক্সবাজার টেকনাফ সড়কের ২ বিজিবির চেকপোস্ট পরে বাহারছড়া পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রের তল্লাশি চৌকিতে পৌঁছলেই উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কেন্দ্রের ইনচার্জের গুলিতে ঢলে পড়েন ওই সাবেক মেজর।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা সঙ্গীয় সিফাতকে আটক করে তদন্ত কেন্দ্রে নেয়া হয়। জানা যায়, নিহত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান যশোরের ১৩ বীর হেমায়েত সড়কের সেনানিবাস এলাকার মৃত এরশাদ খানের ছেলে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও পরে সংশোধন করে চার সদস্যদের একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (চট্টগ্রাম) ও যুগ্ম সচিব মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে । কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলী সদস্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির একজন প্রতিনিধি সহকারে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন আগস্ট দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের নেতৃত্বে এক দল পুলিশ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে তদন্তে যান। তার আগে এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত হোসেনসহ পুলিশের ২০ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্যার আমাকে জীবনটা ভিক্ষা দেন: মেজর সিনহা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২০

ডেক্স প্রতিবেদক

সেনাবাহিনীর (অব.) মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান (৩৬)। তিনজনের একটি দল প্রায় একমাস আগে ‘জাস্ট গো’ নামের একটি ডকুমেন্টারি ফ্লিম করার জন্য কক্সবাজারের হিমছড়ির একটি কটেজে উঠেছিলেন। এরই প্রেক্ষিতে ৩১ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে মাথাভাঙ্গা ও মারিশবনিয়া একটি পাহাড়ে ওই ফ্লিমের কাজ করেন। ফেরার সময় কক্সবাজার টেকনাফ মেরিনড্রাইভের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের নির্মম গুলিতে প্রাণ হারান। এ ঘটনায় রাষ্ট্রীয়ভাবে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি বাহারছড়া ইউনিয়নে পরিস্থিতি থমথমে বিরাজ করছে। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে,

সেনাবাহিনী থেকে ২০১৮ সালে সেচ্ছায় অবসর নেন মেজর সিনহা রাশেদ খান। প্রায় এক মাস আগে তার একটি দল ‘জাস্ট গো’নামের একটি ফ্লিমের শুটিং করার জন্য কক্সবাজারের হিমছড়িতে এসে একটি হোটেলে দুই কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকতেন। ওই দিন বিকেলে বাহারছড়া ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা থেকে শহিদুল নামের এক কিশোরকে নিয়ে পাহাড়ে উঠেন। তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষার্থী শিফাত। কিশোরটি তাদের পথ দেখিয়ে ফিরে আসলে তারা লাইটের আলো জ্বালিয়ে কাজ করেন। এতে স্থানীয় অনেকেই অপরিচিত লোকজন দেখে কৌতূহল ও নানা রকম ধারণা করতে থাকেন। সন্ধ্যা শেষে রাতের শুরুতে গন্থব্যস্থলে ফেরার জন্য রওনা করেন। প্রথমে কক্সবাজার টেকনাফ সড়কের ২ বিজিবির চেকপোস্ট পরে বাহারছড়া পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রের তল্লাশি চৌকিতে পৌঁছলেই উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কেন্দ্রের ইনচার্জের গুলিতে ঢলে পড়েন ওই সাবেক মেজর।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা সঙ্গীয় সিফাতকে আটক করে তদন্ত কেন্দ্রে নেয়া হয়। জানা যায়, নিহত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান যশোরের ১৩ বীর হেমায়েত সড়কের সেনানিবাস এলাকার মৃত এরশাদ খানের ছেলে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও পরে সংশোধন করে চার সদস্যদের একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (চট্টগ্রাম) ও যুগ্ম সচিব মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে । কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলী সদস্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির একজন প্রতিনিধি সহকারে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন আগস্ট দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের নেতৃত্বে এক দল পুলিশ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে তদন্তে যান। তার আগে এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত হোসেনসহ পুলিশের ২০ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়।