সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, চালকদের সম্মাননা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত নানা আয়োজনে ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত

আওয়ামী লীগ নেতার ছেলের মারধরের শিকার হয়েছে এক প্রকৌশলী। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২০ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: অনিয়মের অভিযোগে রাজশাহীর বাঘায় রাস্তার নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়ায় আওয়ামী লীগ নেতার ছেলের মারধরের শিকার হয়েছে এক প্রকৌশলী।

গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলা সদরে নিজ দপ্তরেই হামলার শিকার হন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহম্মেদ। আর এই হামলা চালিয়েছেন বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কুদ্দুস সরকারের ছেলে সেলিম আহম্মেদ।

জানা গেছে, ৩৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে উপজেলার হাবাসপুর এলাকায় ৫০০ মিটার সাব-বেইজ রাস্তা নির্মাণ কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কার্যাদেশ পায় রাজশাহীর ‘মম এন্টারপ্রাইজ’। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের হয়ে বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কুদ্দুস সরকার এ কাজ করছিলেন। পুরো কাজ দেখভাল করছিলেন তার বড় ছেলে সেলিম আহাম্মেদ।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শুরু থেকেই রাস্তা নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করছিল ঠিকাদার। বিষয়টি রোববার সকালে উপজেলা প্রকৌশলীকে জানায় এলাকাবাসী। অভিযোগ পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে আসেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহাম্মেদ। অনিয়মের প্রমাণ পেয়ে তিনি নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়ে ফিরে যান।

খবর পেয়ে ঠিকাদার আবদুল কুদ্দুস সরকারের ছেলে সেলিম আহম্মেদ উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহাম্মেদের দপ্তরে যান। কাজ বন্ধ করায় তিনি ওই প্রকৌশলীর ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করেন। অফিসের অন্য কর্মীরা এসে তাকে রক্ষা করেন। পরে তার বিচার দাবিতে বিক্ষোভও করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

জানতে চাইলে প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন সেলিম আহাম্মেদ। অন্যদিকে রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল কুদ্দুস সরকার।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা প্রকৌশলী রতন কুমার জানান, বেআইনিভাবে সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলা হয়েছে। এটা গুরুতর অপরাধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আওয়ামী লীগ নেতার ছেলের মারধরের শিকার হয়েছে এক প্রকৌশলী। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৭:০২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: অনিয়মের অভিযোগে রাজশাহীর বাঘায় রাস্তার নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়ায় আওয়ামী লীগ নেতার ছেলের মারধরের শিকার হয়েছে এক প্রকৌশলী।

গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলা সদরে নিজ দপ্তরেই হামলার শিকার হন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহম্মেদ। আর এই হামলা চালিয়েছেন বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কুদ্দুস সরকারের ছেলে সেলিম আহম্মেদ।

জানা গেছে, ৩৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে উপজেলার হাবাসপুর এলাকায় ৫০০ মিটার সাব-বেইজ রাস্তা নির্মাণ কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কার্যাদেশ পায় রাজশাহীর ‘মম এন্টারপ্রাইজ’। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের হয়ে বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কুদ্দুস সরকার এ কাজ করছিলেন। পুরো কাজ দেখভাল করছিলেন তার বড় ছেলে সেলিম আহাম্মেদ।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শুরু থেকেই রাস্তা নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করছিল ঠিকাদার। বিষয়টি রোববার সকালে উপজেলা প্রকৌশলীকে জানায় এলাকাবাসী। অভিযোগ পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে আসেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহাম্মেদ। অনিয়মের প্রমাণ পেয়ে তিনি নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়ে ফিরে যান।

খবর পেয়ে ঠিকাদার আবদুল কুদ্দুস সরকারের ছেলে সেলিম আহম্মেদ উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহাম্মেদের দপ্তরে যান। কাজ বন্ধ করায় তিনি ওই প্রকৌশলীর ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করেন। অফিসের অন্য কর্মীরা এসে তাকে রক্ষা করেন। পরে তার বিচার দাবিতে বিক্ষোভও করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

জানতে চাইলে প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন সেলিম আহাম্মেদ। অন্যদিকে রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল কুদ্দুস সরকার।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা প্রকৌশলী রতন কুমার জানান, বেআইনিভাবে সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলা হয়েছে। এটা গুরুতর অপরাধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।