২০ মে ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, ২রা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি, বুধবার, ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
ভূমিদস্যু আমিনের পাওয়া নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে ইমনের রিভিশন মঞ্জুর! এ বিষয়ে আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইমন। তেঁতুলিয়া পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাবুগঞ্জে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলা শুরু বাবুগঞ্জে ব্র্যাকের ‘শিখা’ প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে অধ্যক্ষের ঘুষিতে ২ টি দাঁত ভেঙে গেল কম্পিউটার অপারেটরের চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন বরিশালে ৬০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক, মামলা দায়ের মাথা উঁচু করে দ্রুত ফিরব/ আনন্দবাজারকে শেখ হাসিনা স্বরূপকাঠীতে নিখোঁজের একদিন পর ওঝার মরদেহ উদ্ধার, মেলেনি স্বর্ণালংকার ও টাকা চুয়াডাঙ্গায় আম কুড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজ ছাত্র’র মৃত্যু
স্বরূপকাঠীতে নিখোঁজের একদিন পর ওঝার মরদেহ উদ্ধার, মেলেনি স্বর্ণালংকার ও টাকা

স্বরূপকাঠীতে নিখোঁজের একদিন পর ওঝার মরদেহ উদ্ধার, মেলেনি স্বর্ণালংকার ও টাকা

রাহাদ সুমন,
বিশেষ প্রতিনিধি

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে (নেছারাবাদ) নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নির্মল হালদার ওরফে নির্মল ওঝা (৬০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলার স্বরূপকাঠী সদর ইউনিয়নের পানাউল্লাহপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নির্মল হালদার উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের পশ্চিম কুড়িয়ানা গ্রামের বাসিন্দা এবং বিপেন হালদারের ছেলে। এলাকায় তিনি ‘নির্মল ওঝা’ নামে পরিচিত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সুদের ব্যবসাও করতেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৮ মে) রাত ১১টার দিকে নির্মল হালদার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না মেলায় নেছারাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পানাউল্লাহপুর গ্রামে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে যান।
নির্মলের ভাগনে দিলীপ হালদার জানান, তাঁর মামার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি সবসময় গলায় প্রায় দেড় ভরি সোনার দুটি লকেটসহ চেইন পড়

তেন এবং সঙ্গে নগদ টাকাও রাখতেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সমীরণ রায় বলেন, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে নির্মল কুড়িয়ানা বাজারে গিয়েছিলেন। রাতের পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে নেছারাবাদ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সঞ্জয় মজুমদার জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় নির্মল হালদারের গলায় কোনো স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা কিংবা মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ময়না তদন্তের জন্য তার মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019