সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

স্বরূপকাঠীতে নিখোঁজের একদিন পর ওঝার মরদেহ উদ্ধার, মেলেনি স্বর্ণালংকার ও টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,
বিশেষ প্রতিনিধি

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে (নেছারাবাদ) নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নির্মল হালদার ওরফে নির্মল ওঝা (৬০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলার স্বরূপকাঠী সদর ইউনিয়নের পানাউল্লাহপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নির্মল হালদার উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের পশ্চিম কুড়িয়ানা গ্রামের বাসিন্দা এবং বিপেন হালদারের ছেলে। এলাকায় তিনি ‘নির্মল ওঝা’ নামে পরিচিত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সুদের ব্যবসাও করতেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৮ মে) রাত ১১টার দিকে নির্মল হালদার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না মেলায় নেছারাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পানাউল্লাহপুর গ্রামে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে যান।
নির্মলের ভাগনে দিলীপ হালদার জানান, তাঁর মামার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি সবসময় গলায় প্রায় দেড় ভরি সোনার দুটি লকেটসহ চেইন পড়

তেন এবং সঙ্গে নগদ টাকাও রাখতেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সমীরণ রায় বলেন, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে নির্মল কুড়িয়ানা বাজারে গিয়েছিলেন। রাতের পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে নেছারাবাদ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সঞ্জয় মজুমদার জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় নির্মল হালদারের গলায় কোনো স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা কিংবা মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ময়না তদন্তের জন্য তার মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্বরূপকাঠীতে নিখোঁজের একদিন পর ওঝার মরদেহ উদ্ধার, মেলেনি স্বর্ণালংকার ও টাকা

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

রাহাদ সুমন,
বিশেষ প্রতিনিধি

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে (নেছারাবাদ) নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নির্মল হালদার ওরফে নির্মল ওঝা (৬০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলার স্বরূপকাঠী সদর ইউনিয়নের পানাউল্লাহপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নির্মল হালদার উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের পশ্চিম কুড়িয়ানা গ্রামের বাসিন্দা এবং বিপেন হালদারের ছেলে। এলাকায় তিনি ‘নির্মল ওঝা’ নামে পরিচিত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সুদের ব্যবসাও করতেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৮ মে) রাত ১১টার দিকে নির্মল হালদার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না মেলায় নেছারাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পানাউল্লাহপুর গ্রামে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে যান।
নির্মলের ভাগনে দিলীপ হালদার জানান, তাঁর মামার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি সবসময় গলায় প্রায় দেড় ভরি সোনার দুটি লকেটসহ চেইন পড়

তেন এবং সঙ্গে নগদ টাকাও রাখতেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সমীরণ রায় বলেন, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে নির্মল কুড়িয়ানা বাজারে গিয়েছিলেন। রাতের পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে নেছারাবাদ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সঞ্জয় মজুমদার জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় নির্মল হালদারের গলায় কোনো স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা কিংবা মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ময়না তদন্তের জন্য তার মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।