২০ মে ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, ২রা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি, বুধবার, ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিজস্ব প্রতিবেদ//
ভূমিদস্যু আমিনের পাওয়া নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিভিশন দায়ের করলেন ব্যবসায়ী ইমন যাহার রিভিশন নাম্বার ৭৬/২০২৬। বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ আদালত ব্যবসায়ী ইমনের রিভিশন মঞ্জুর করে নিম্ন আদালতের নথি তলব করেন তাই নিম্ন আদালতের রায়ের কার্যক্রম স্থগিত হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ী ইমনের বিজ্ঞ আইনজীবী।
উক্ত বরিশাল বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ আদালতের আদেশ জানার পরেও তাহা অমান্য করে কতিপয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কে ভুল বুঝিয়ে জমি দখলের পাঁয়তারা করতেছেন ভূমিদস্য ডা: আমিনুল ইসলাম।
বরিশাল বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশনকারী মো: কামরুল হাসান ইমন প্রতিবেদককে বলেন নিম্ন আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যখন রিভিশন করা হয় এবং সেই রিভিশন যখন মঞ্জুর হয় তখন নিম্ন আদালতের কোন রায়ের কার্যক্রম থাকার কথা না এবং থাকতে পারেনা তাই আমার আইনজীবীর মাধ্যমে আমি রিভিশনের সার্চিং কপি সকল অফিসে দিয়ে এসেছি। এখানে উচ্ছেদ হওয়ার কোন কারণে নেই তবে ডাক্তার আমিন একজন চিহ্নিত ভূমি দস্যু তিনি বিভিন্নভাবে কর্মকর্তাদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল বুঝিয়ে আমাকে হয়রানি করতে পারে তাই আমি কর্মকর্তাদের কাছে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করি যাতে তারা আমিন এর কথা না শুনে অন্তত একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে যা করার তা করে। এটা আমার এবং আমার পরিবারের সকলের দাবি বরিশাল জেলা প্রশাসন এবং বরিশাল মেট্রোপলিটনের পুলিশ বিভাগের কাছে।
বিভিন্ন তথ্যসূত্র জানা যায়,
বরিশাল নগরীর চিহ্নিত ভূমিদস্যু ডা: আমিনুল ইসলাম একজন প্রতারক ঠকবাজ জমি খেকো হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে নগরীর সকলের কাছে। আমিনুলের নেশা হল অন্যের জমি বিভিন্নভাবে রায় ডিগ্রি সহ অর্থের মাধ্যমে ভুল কাগজ তৈরি করে মব সৃষ্টি করে বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে এর পূর্বে আ’লীগের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে জমি দখল করা হলো তার অন্যতম কাজ। আমিনুল ডাক্তারিতে সফল হতে না পারলেও জমিজমা ক্রয়-বিক্রয় ও প্রতারণা করে এবং অন্যের জমি দখল করে তিনি এখন সফল হয়েছেন বলে ধারণা করেছে অনেকেই।
সম্প্রতি বরিশালে ৫০ বছরের পুরনো দখলীয় সম্পত্তি বরিশাল সদর রোডের মেসার্স হাবিব স্টোর অবৈধভাবে দখল করার জন্য বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিভিন্ন উচ্চ আদালতের এস্টে অর্ডার ও দেওয়ানি মোকদ্দমার তথ্য গোপন করে একটি অর্ডার নিয়ে তড়িঘড়ি করে ডাক্তার আমিন দখলের চেষ্টা চালায় যা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে দখল করতে খানিকটা বেগ পেতে হয় ভূমিদস্যু ডাক্তার আমিনের।
ডাক্তার আমিনের দাবি তিনি ক্রয়ে সূত্রে মালিক আর মেসার্স হাবিব স্টোরে যারা স্বত্বাধিকারী আছে তাদের দাবি তারা এই জমি ক্রয় সূত্রে মালিক এবং ৫০ বছর যাবত নির্বিঘ্নে দখল সহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সুনামের সাথে পরিচালনা করে আসছে।
যদি ডাক্তার আমিন তার জমি বুঝিয়ে নিতে চায় তাহলে তিনি তার খরিদকৃত মালিকের কাছে দাবি করবে তা না করে তিনি অন্যের জমি গায়ের জোরে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে তথ্য গোপন করে ভুয়া ডিগ্রি জারি করে জমি দখল করার পাঁয়তারা করতেছে। যদি ওই জমি আমিন দখল করতে পারে তাহলে কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পথে বসে যাবে।
ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে এবং ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছেও সাহায্য চান কেননা ডাক্তার আমিন আ’লীগ আমলে আ’লীগের সমার্থক ও নেতা পরিচয় দিয়ে বিভিন্নভাবে জমি দখল করত এখন তিনি বিএনপির একানিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে ফের জমি দখলে মেতে উঠেছে তাই তার হাত থেকে বাঁচতে চায় ভুক্তভোগী পরিবারটি।
উপরোক্ত বিষয় ডাক্তার আমিনুল ইসলাম কে ফোন করলে তিনি সকল অভিযোগ মিথ্যা বলেন। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিশন মনজুর হওয়ার পরে নিম্ন আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি কোন কিছু না বলে ফোন কেটে দেন।