সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

আগামী জুন পর্যন্ত ঋণের কিস্তি না নিতে নির্দেশ দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০ ১১৮০৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে আসে পুরো বিশ্ব। বন্ধ রয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য তথা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও। এ অবস্থায় দেশের এনজিওগুলোকে আগামী জুন পর্যন্ত ঋণের কিস্তি না নিতে নির্দেশ দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। সেইসঙ্গে জুনের পর ওই কিস্তির ওপর নতুন কোনো জরিমানা নেওয়া যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, রোববার মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির পরিচালক মোহাম্মাদ ইয়াকুব হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা এনজিওগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে একাধিক এনজিও’র সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দেশনা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

এমআরএ’র ওই নির্দেশনায় বলা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব বাণিজ‌্যের পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ অবস্থায় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণ গ্রহীতাদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরটি বিধিমালা ২০১০ এর বিধি ৪৪ অনুসরণে ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। তবে কোনো ঋণের শ্রেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে।

নির্দেশনার চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বেসরকারি সংস্থা আর্স বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক শামসুল আলম বলেন, এর ফলে আগামী জুন পর্যন্ত কোনো ঋণ গ্রহীতা কিস্তি না দিলে তাকে চাপ দেওয়া যাবে না। সেইসঙ্গে নির্ধারিত সময় শেষে কোনো প্রকার জরিমানা ছাড়াই বকেয়া কিস্তি গ্রহণ করে ঋণ শ্রেণিকরণ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আগামী জুন পর্যন্ত ঋণের কিস্তি না নিতে নির্দেশ দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:৩১:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে আসে পুরো বিশ্ব। বন্ধ রয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য তথা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও। এ অবস্থায় দেশের এনজিওগুলোকে আগামী জুন পর্যন্ত ঋণের কিস্তি না নিতে নির্দেশ দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। সেইসঙ্গে জুনের পর ওই কিস্তির ওপর নতুন কোনো জরিমানা নেওয়া যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, রোববার মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির পরিচালক মোহাম্মাদ ইয়াকুব হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা এনজিওগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে একাধিক এনজিও’র সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দেশনা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

এমআরএ’র ওই নির্দেশনায় বলা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব বাণিজ‌্যের পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ অবস্থায় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণ গ্রহীতাদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরটি বিধিমালা ২০১০ এর বিধি ৪৪ অনুসরণে ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। তবে কোনো ঋণের শ্রেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে।

নির্দেশনার চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বেসরকারি সংস্থা আর্স বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক শামসুল আলম বলেন, এর ফলে আগামী জুন পর্যন্ত কোনো ঋণ গ্রহীতা কিস্তি না দিলে তাকে চাপ দেওয়া যাবে না। সেইসঙ্গে নির্ধারিত সময় শেষে কোনো প্রকার জরিমানা ছাড়াই বকেয়া কিস্তি গ্রহণ করে ঋণ শ্রেণিকরণ করতে হবে।