সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

ঝালকাঠিতে শিশু সন্তানের লাশ নিয়ে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাওতিতা এলাকায় ভুক্তভোগী লিয়া মনি তার ১৩ মাসের সন্তান জেসমিন এর লাশ নিয়ে জন্মদাতা প্রেমিক হৃদয় বেপারির বিচারের দাবিতে
সোমবার দুপুরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাউতিতা সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০২১ সালে একই এলাকার হৃদয় বেপারির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান লিয়া মনি। ওই সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে তারা অবৈধভাবে মেলামেশা করতে থাকেন এবং এতে লিয়া মনি গর্ভবতী হন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বরিশালের শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। সন্তান জন্মের পর হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেন প্রেমিক হৃদয় বেপারি। কিন্তু ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কৌশলে নবজাতক শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যান হৃদয় বেপারি। পরে তিনি শিশুটিকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যান এবং এক ভিক্ষুক শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশের মাধ্যামে একটি চাইল্ড হোমে পাঠান। ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে লিয়া মনি চাইল্ড হোমে যোগাযোগ করেন। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষা ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে ২০২৬ সালের ৯ মার্চ তিনি শিশুটিকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। তখন শিশুটি অসুস্থ অবস্থায় ছিল। পরে তাকে পুনরায় শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় অদ্য সকালে শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মৃত্যুর জন্য প্রেমিক হৃদয় বেপারিকে দায়ী করে প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য যে, গত ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে ধর্ষনের অভিযোগ এনে লিয়া মনি বাদি হয়ে হৃদয় বেপারী সহ তিন জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযুক্ত হৃদয় বেপারীর বাবা আবুল বেপারী তার ছেলে বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহম্মেদ বলেন,‘ ধর্ষনে অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামী পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারের চেষ্ঠা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঝালকাঠিতে শিশু সন্তানের লাশ নিয়ে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০২:৫১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাওতিতা এলাকায় ভুক্তভোগী লিয়া মনি তার ১৩ মাসের সন্তান জেসমিন এর লাশ নিয়ে জন্মদাতা প্রেমিক হৃদয় বেপারির বিচারের দাবিতে
সোমবার দুপুরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাউতিতা সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০২১ সালে একই এলাকার হৃদয় বেপারির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান লিয়া মনি। ওই সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে তারা অবৈধভাবে মেলামেশা করতে থাকেন এবং এতে লিয়া মনি গর্ভবতী হন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বরিশালের শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। সন্তান জন্মের পর হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেন প্রেমিক হৃদয় বেপারি। কিন্তু ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কৌশলে নবজাতক শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যান হৃদয় বেপারি। পরে তিনি শিশুটিকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যান এবং এক ভিক্ষুক শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশের মাধ্যামে একটি চাইল্ড হোমে পাঠান। ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে লিয়া মনি চাইল্ড হোমে যোগাযোগ করেন। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষা ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে ২০২৬ সালের ৯ মার্চ তিনি শিশুটিকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। তখন শিশুটি অসুস্থ অবস্থায় ছিল। পরে তাকে পুনরায় শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় অদ্য সকালে শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মৃত্যুর জন্য প্রেমিক হৃদয় বেপারিকে দায়ী করে প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য যে, গত ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে ধর্ষনের অভিযোগ এনে লিয়া মনি বাদি হয়ে হৃদয় বেপারী সহ তিন জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযুক্ত হৃদয় বেপারীর বাবা আবুল বেপারী তার ছেলে বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহম্মেদ বলেন,‘ ধর্ষনে অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামী পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারের চেষ্ঠা চলছে।