সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বিজয়নগরে, সরিষার বাম্পার ফলন সুন্দরী মুখরিত বিজয়নগর।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হুসাইন মোহাম্মদ (রুবেল)
দৈনিক রুদ্র বাংলা, বিজয়নগর প্রতিনিধি,,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় সরিষার রঙ্গে ও সুঘ্রাণ মনে হচ্ছে ফলনে বাম্পার হবে। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। সকল উৎপাদিত কৃষির মধ্যে সরিষা উল্লেখযোগ্য।

নতুন জাতের সম্প্রসারণ, এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে উপজেলা কৃষি অফিস চেষ্টা করে যাচ্ছে। উপজেলার চান্দুরা, বুধন্তী, চর-ইসলামপুর, পত্তন, ইছাপুরা, চম্পকনগর, হরষপুর ও পাহাড়পুর ইউনিয়নে কৃষকদের সরিষার আবাদ করা হয়েছে।

কৃষি অফিসের তথ্য মতে, ৬১০ হেক্টর জমিতে বারি সরিষা ১৪, ১৭, ১৮ ও বিনা সরিষা ৪, ৯, ১১, ১২ ও স্থানীয় সরিষা টরি ৭, কল্যাণী ও সোনালিকা জাতের সরিষা আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে বিজয়নগরে বারি সরিষা ১৪ বেশি আবাদ করা হয়েছে।

আমন ধান কাটার পর লাভজনক বিকল্প ফসল হিসেবে কৃষকরা সরিষার চাষ করছে। আমদানিকৃত সয়াবিনের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার সরিষা চাষে কৃষকদের বিভিন্ন রকম সহযোগিতা করছে।

২০২৫-২৬ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে সরিষা ফসলের আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিজয়নগরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

৭৫০ জন উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীর প্রত্যেকের হাতে ১ কেজি করে সরিষা বীজ, ১০ কেজি এমওপি (MOP) এবং ১০ কেজি ডিএপি (DAP) সার তুলে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার জিয়াউল ইসলাম বলেন, সরকারি এই সহায়তায় মাঠ পর্যায়ের ক্ষুদ্র কৃষকদের সরিষা উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং কৃষকরা কৃষি অফিসের পরামর্শ মেনে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছে। উপজেলায় চলমান বিভিন্ন প্রকল্প যেমন- ফ্রিপ প্রকল্প, কুমিল্লা অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্প ও বি-স্ট্রং প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে সরিষা প্রদর্শনীর বীজ ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বিনা থেকে ১৪২ জনকে কৃষককে সরিষা বীজ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এ বছর সরিষার আবাদ থেকে প্রায় ৭০০ মেট্রিক টনের বেশি সরিষা উৎপাদন সম্ভব যা থেকে ২৯০ মেট্রিক টনের অধিক ভোজ্যতেল উৎপাদন হতে পারে যা কৃষকের নিজস্ব তেলের চাহিদা পূরণ করবে এবং বাজারজাত করে কৃষককে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করবে।
অন্যদিকে সরিষা মানবদেহের হার্টের জন্য উপকারী এবং রক্তে গ্লুকোজ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিজয়নগরে, সরিষার বাম্পার ফলন সুন্দরী মুখরিত বিজয়নগর।

আপডেট সময় : ০৫:২১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

হুসাইন মোহাম্মদ (রুবেল)
দৈনিক রুদ্র বাংলা, বিজয়নগর প্রতিনিধি,,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় সরিষার রঙ্গে ও সুঘ্রাণ মনে হচ্ছে ফলনে বাম্পার হবে। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। সকল উৎপাদিত কৃষির মধ্যে সরিষা উল্লেখযোগ্য।

নতুন জাতের সম্প্রসারণ, এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে উপজেলা কৃষি অফিস চেষ্টা করে যাচ্ছে। উপজেলার চান্দুরা, বুধন্তী, চর-ইসলামপুর, পত্তন, ইছাপুরা, চম্পকনগর, হরষপুর ও পাহাড়পুর ইউনিয়নে কৃষকদের সরিষার আবাদ করা হয়েছে।

কৃষি অফিসের তথ্য মতে, ৬১০ হেক্টর জমিতে বারি সরিষা ১৪, ১৭, ১৮ ও বিনা সরিষা ৪, ৯, ১১, ১২ ও স্থানীয় সরিষা টরি ৭, কল্যাণী ও সোনালিকা জাতের সরিষা আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে বিজয়নগরে বারি সরিষা ১৪ বেশি আবাদ করা হয়েছে।

আমন ধান কাটার পর লাভজনক বিকল্প ফসল হিসেবে কৃষকরা সরিষার চাষ করছে। আমদানিকৃত সয়াবিনের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার সরিষা চাষে কৃষকদের বিভিন্ন রকম সহযোগিতা করছে।

২০২৫-২৬ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে সরিষা ফসলের আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিজয়নগরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

৭৫০ জন উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীর প্রত্যেকের হাতে ১ কেজি করে সরিষা বীজ, ১০ কেজি এমওপি (MOP) এবং ১০ কেজি ডিএপি (DAP) সার তুলে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার জিয়াউল ইসলাম বলেন, সরকারি এই সহায়তায় মাঠ পর্যায়ের ক্ষুদ্র কৃষকদের সরিষা উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং কৃষকরা কৃষি অফিসের পরামর্শ মেনে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছে। উপজেলায় চলমান বিভিন্ন প্রকল্প যেমন- ফ্রিপ প্রকল্প, কুমিল্লা অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্প ও বি-স্ট্রং প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে সরিষা প্রদর্শনীর বীজ ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বিনা থেকে ১৪২ জনকে কৃষককে সরিষা বীজ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এ বছর সরিষার আবাদ থেকে প্রায় ৭০০ মেট্রিক টনের বেশি সরিষা উৎপাদন সম্ভব যা থেকে ২৯০ মেট্রিক টনের অধিক ভোজ্যতেল উৎপাদন হতে পারে যা কৃষকের নিজস্ব তেলের চাহিদা পূরণ করবে এবং বাজারজাত করে কৃষককে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করবে।
অন্যদিকে সরিষা মানবদেহের হার্টের জন্য উপকারী এবং রক্তে গ্লুকোজ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।