সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়া বন্দর বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন সম্পাদক সুমন উজিরপুরে ভাঙ্গা সড়কে মানববন্ধন করায় শিক্ষার্থী ও জনগনকে শাসালেন প্রকৌশলী উজিরপুরের লাল শাপলার বিলকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ। ​তেঁতুলিয়ায় আনসার ও ভিডিপি’র ১০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু তেঁতুলিয়ায় ইউএনওসহ ১৭ দপ্তরে কর্মকর্তাসহ জনবল সংকট স্থবির প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, নাগরিক সেবায় চরম বিপর্যয় চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০ পরিবারকে ৮২ লাখ টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর ভান্ডারিয়ায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ বেহুন্দী জাল, চাক জাল, বেড় জাল জব্দ বিজয়নগরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ -২০২৬-এর উদ্বোধন , আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়,, ভাণ্ডারিয়ায় মাদ্রাসার ফল বিপর্যয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতের মিথ্যাচার ও হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে সংবাদ সম্মেলন

বাবুগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: নির্মাণাধীন পাকা ঘর ভাঙচুর, আগুন দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ১৩০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের বারইখালি গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একটি নির্মাণাধীন পাকা বসতঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অসহায় রুমানা বেগম (৪৫) ন্যায়বিচারের জন্য পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত জালাল হোসেন মোল্লার স্ত্রী রুমানা বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর দুই ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে দুঃখ–কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন। তিন মেয়ের বিয়ে দেওয়ার পর মেয়েদের সহায়তায় গত কয়েক মাস আগে তিনি একটি পাকা ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু ওই সম্পত্তির ওপর দীর্ঘদিন ধরে অসৎ দৃষ্টি ছিল স্থানীয় মৃত চান্দে আলী হাওলাদারের ছেলে জামাল হাওলাদারের। একাধিকবার জমি দখলের চেষ্টা চালালেও সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হয়েছিল বলে জানান রুমানা বেগম। সালিশের পর তিনি পুনরায় ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা নির্মাণাধীন পাকা ঘরের সম্পূর্ণ ইটের দেয়াল ভেঙে ফেলে চলে যায়। শুধু তাই নয় ওই সময় রুমানা বেগমের বর্তমান বসতঘরে অগ্নিসংযোগেরও চেষ্টা করা হয়। পরিবারের সদস্যদের টের পেয়ে আগুন লাগানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলে অভিযুক্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

রুমানা বেগমের মেয়ে দেখতে পান—স্থানীয় জামাল হাওলাদারের ছেলে রিমন হাওলাদার ও কামাল হাওলাদারের ছেলে সাগর হাওলাদার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর গ্রাম্যভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে জানান ভুক্তভোগী। বর্তমানে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাগর হাওলাদার বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে আগুন দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ক্ষতিগ্রস্ত রুমানা বেগম দ্রুত ন্যায়বিচার এবং নিজের পরিবারকে নিয়ে নিরাপদে বসবাসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাবুগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: নির্মাণাধীন পাকা ঘর ভাঙচুর, আগুন দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের বারইখালি গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একটি নির্মাণাধীন পাকা বসতঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অসহায় রুমানা বেগম (৪৫) ন্যায়বিচারের জন্য পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত জালাল হোসেন মোল্লার স্ত্রী রুমানা বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর দুই ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে দুঃখ–কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন। তিন মেয়ের বিয়ে দেওয়ার পর মেয়েদের সহায়তায় গত কয়েক মাস আগে তিনি একটি পাকা ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু ওই সম্পত্তির ওপর দীর্ঘদিন ধরে অসৎ দৃষ্টি ছিল স্থানীয় মৃত চান্দে আলী হাওলাদারের ছেলে জামাল হাওলাদারের। একাধিকবার জমি দখলের চেষ্টা চালালেও সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হয়েছিল বলে জানান রুমানা বেগম। সালিশের পর তিনি পুনরায় ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা নির্মাণাধীন পাকা ঘরের সম্পূর্ণ ইটের দেয়াল ভেঙে ফেলে চলে যায়। শুধু তাই নয় ওই সময় রুমানা বেগমের বর্তমান বসতঘরে অগ্নিসংযোগেরও চেষ্টা করা হয়। পরিবারের সদস্যদের টের পেয়ে আগুন লাগানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলে অভিযুক্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

রুমানা বেগমের মেয়ে দেখতে পান—স্থানীয় জামাল হাওলাদারের ছেলে রিমন হাওলাদার ও কামাল হাওলাদারের ছেলে সাগর হাওলাদার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর গ্রাম্যভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে জানান ভুক্তভোগী। বর্তমানে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাগর হাওলাদার বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে আগুন দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ক্ষতিগ্রস্ত রুমানা বেগম দ্রুত ন্যায়বিচার এবং নিজের পরিবারকে নিয়ে নিরাপদে বসবাসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চান।