১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, ২০শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি, শুক্রবার, ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বাবুগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী সহিংসতা প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৫ উদযাপিত বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতার বড় পদ বহাল রেখে ছোট পদ স্থগিত নিয়ে প্রশ্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি বানারীপাড়ায় দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি নেতার পদ স্থগিত চুয়াডাঙ্গায় জেলা আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা কারাগারে তেঁতুলিয়ায় নবীণ শিক্ষকদের সংবর্ধনা প্রদান ও বার্ষিক বনভোজন তেঁতুলিয়ায় খাতেমুন জব্বার ফাউন্ডেশন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধাবৃত্তি প্রদান চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের ফায়ারিং মহড়ায় পথচারী গুলিবিদ্ধ দামুড়হুদায় পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে জমির ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধোর ও টাকা ছিনতাই।
বাবুগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: নির্মাণাধীন পাকা ঘর ভাঙচুর, আগুন দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

বাবুগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: নির্মাণাধীন পাকা ঘর ভাঙচুর, আগুন দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের বারইখালি গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একটি নির্মাণাধীন পাকা বসতঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অসহায় রুমানা বেগম (৪৫) ন্যায়বিচারের জন্য পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত জালাল হোসেন মোল্লার স্ত্রী রুমানা বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর দুই ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে দুঃখ–কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন। তিন মেয়ের বিয়ে দেওয়ার পর মেয়েদের সহায়তায় গত কয়েক মাস আগে তিনি একটি পাকা ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু ওই সম্পত্তির ওপর দীর্ঘদিন ধরে অসৎ দৃষ্টি ছিল স্থানীয় মৃত চান্দে আলী হাওলাদারের ছেলে জামাল হাওলাদারের। একাধিকবার জমি দখলের চেষ্টা চালালেও সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হয়েছিল বলে জানান রুমানা বেগম। সালিশের পর তিনি পুনরায় ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা নির্মাণাধীন পাকা ঘরের সম্পূর্ণ ইটের দেয়াল ভেঙে ফেলে চলে যায়। শুধু তাই নয় ওই সময় রুমানা বেগমের বর্তমান বসতঘরে অগ্নিসংযোগেরও চেষ্টা করা হয়। পরিবারের সদস্যদের টের পেয়ে আগুন লাগানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলে অভিযুক্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

রুমানা বেগমের মেয়ে দেখতে পান—স্থানীয় জামাল হাওলাদারের ছেলে রিমন হাওলাদার ও কামাল হাওলাদারের ছেলে সাগর হাওলাদার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর গ্রাম্যভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে জানান ভুক্তভোগী। বর্তমানে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাগর হাওলাদার বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে আগুন দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ক্ষতিগ্রস্ত রুমানা বেগম দ্রুত ন্যায়বিচার এবং নিজের পরিবারকে নিয়ে নিরাপদে বসবাসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চান।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019