সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

হাসানাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৯ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার দুদকের উপ-পরিচালক এস. এম. রাশেদুর রেজা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ অসৎ উদ্দেশে জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে ১৯ কোটি ৭১ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫৯ টাকার সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন।

পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৮০ কোটি ৪৯ লাখ ১৭ হাজার ৩২৭ টাকা ৮৫ পয়সা লেনদেন করেছেন, যা দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।

দুদক জানায়, অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, আসামির নামে ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকার স্থাবর এবং ৩৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। তার মোট সম্পদ ও পারিবারিক ব্যয় বাবদ খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৫৭ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা, অথচ বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেছে মাত্র ৩৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকার। ফলে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকায়।

মামলাটি দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে আসামির অন্যান্য সম্পদ বা অপরাধের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।

মামলায় ঘটনাস্থল হিসেবে ঢাকা মহানগর, বরিশাল জেলা এবং আসামির অন্যান্য সম্পদের অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাকাল ধরা হয়েছে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

হাসানাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলা

আপডেট সময় : ০৬:২১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৯ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার দুদকের উপ-পরিচালক এস. এম. রাশেদুর রেজা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ অসৎ উদ্দেশে জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে ১৯ কোটি ৭১ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫৯ টাকার সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন।

পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৮০ কোটি ৪৯ লাখ ১৭ হাজার ৩২৭ টাকা ৮৫ পয়সা লেনদেন করেছেন, যা দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।

দুদক জানায়, অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, আসামির নামে ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকার স্থাবর এবং ৩৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। তার মোট সম্পদ ও পারিবারিক ব্যয় বাবদ খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৫৭ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা, অথচ বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেছে মাত্র ৩৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকার। ফলে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকায়।

মামলাটি দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে আসামির অন্যান্য সম্পদ বা অপরাধের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।

মামলায় ঘটনাস্থল হিসেবে ঢাকা মহানগর, বরিশাল জেলা এবং আসামির অন্যান্য সম্পদের অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাকাল ধরা হয়েছে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।