সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

আ’লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় হাজির জামায়াত নেতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৭:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা। তবে তাকে ছাড়িয়ে আনার জন্য থানায় যান জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা। এসময় জামায়াতের আরেক নেতা ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভ করেন। পুরো বিষয়টি এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

আটক আওয়ামী লীগের নেতার নাম মো. সেলিম। তিনি উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ছিলেন তিনি। সীতাকুণ্ড পৌরসভার বাইপাস সড়কের পাশে ‘কাতার টাওয়ার’ নামে একটি বহুতল ভবনের ৮ম তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছিল।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ছাদ ঢালাইয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত ভোজে আত্মীয়তার সুবাদে অংশ নেন সেলিম। এরপর কিছু রাজনৈতিক নেতাকর্মী তাকে আটক করে থানায় খবর দেন। পুলিশ আসতে দেখে সেলিম সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় পড়ে গিয়ে আহতও হন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেলিমকে ছাড়িয়ে আনতে জামায়াত নেতা প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী থানায় হাজির হন। তখন অনেকে বিষয়টি ফেসবুকে লাইভ করেন। রুবেল আনছারী নামেন এক জামায়াত নেতা তার ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ করেন। এরপর জামায়াত ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা থানা থেকে বের হয়ে যান।

এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর স্পেশাল ইউনিটের রুকনের দায়িত্বে থাকা প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সীতাকুণ্ড পৌর সদরের পশ্চিম পাশে কাতার টাওয়ারে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছিল।

কাতার টাওয়ারে চলমান কাজের ইট, বালু, সিমেন্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করতে চেয়েছিলেন স্থানীয় রুবেল আনসারী। তাকে এই সরঞ্জাম সরবরাহ করতে না দেওয়ায় তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তাছাড়া আটক সেলিমের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা সেলিমের উপস্থিতির খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে। তিনি জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের প্রতিহত করতে সংঘাতে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। তবে তাকে ছাড়ানোর জন্য কেউ থানায় আসেনি দাবি করে ওসি বলেন, থানার ভেতর থেকে ফেসবুক লাইভে দেওয়া তথ্যও সঠিক নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আ’লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় হাজির জামায়াত নেতা

আপডেট সময় : ০৯:২৭:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা। তবে তাকে ছাড়িয়ে আনার জন্য থানায় যান জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা। এসময় জামায়াতের আরেক নেতা ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভ করেন। পুরো বিষয়টি এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

আটক আওয়ামী লীগের নেতার নাম মো. সেলিম। তিনি উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ছিলেন তিনি। সীতাকুণ্ড পৌরসভার বাইপাস সড়কের পাশে ‘কাতার টাওয়ার’ নামে একটি বহুতল ভবনের ৮ম তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছিল।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ছাদ ঢালাইয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত ভোজে আত্মীয়তার সুবাদে অংশ নেন সেলিম। এরপর কিছু রাজনৈতিক নেতাকর্মী তাকে আটক করে থানায় খবর দেন। পুলিশ আসতে দেখে সেলিম সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় পড়ে গিয়ে আহতও হন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেলিমকে ছাড়িয়ে আনতে জামায়াত নেতা প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী থানায় হাজির হন। তখন অনেকে বিষয়টি ফেসবুকে লাইভ করেন। রুবেল আনছারী নামেন এক জামায়াত নেতা তার ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ করেন। এরপর জামায়াত ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা থানা থেকে বের হয়ে যান।

এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর স্পেশাল ইউনিটের রুকনের দায়িত্বে থাকা প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সীতাকুণ্ড পৌর সদরের পশ্চিম পাশে কাতার টাওয়ারে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছিল।

কাতার টাওয়ারে চলমান কাজের ইট, বালু, সিমেন্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করতে চেয়েছিলেন স্থানীয় রুবেল আনসারী। তাকে এই সরঞ্জাম সরবরাহ করতে না দেওয়ায় তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তাছাড়া আটক সেলিমের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা সেলিমের উপস্থিতির খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে। তিনি জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের প্রতিহত করতে সংঘাতে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। তবে তাকে ছাড়ানোর জন্য কেউ থানায় আসেনি দাবি করে ওসি বলেন, থানার ভেতর থেকে ফেসবুক লাইভে দেওয়া তথ্যও সঠিক নয়।