সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

বিচারককে ঘুষ দিতে গিয়ে ধরা খাওয়া সেই পিপি এবার জামায়াত থেকে বহিষ্কার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বিচারককে ঘুষ দিতে চাওয়া পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও জেলা জামায়াতের রোকন (সদস্য) অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন শিকদারকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পটুয়াখালী জেলা শাখার সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম আল কায়সারীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের পেশাগত অনিয়ম সম্পর্কিত সংবাদ প্রকাশের পর জেলা ও পৌর সংগঠনের দায়িত্বশীলরা জরুরি সভায় মিলিত হন। সভায় আলোচনার পর তার সদস্যপদ স্থগিত করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম আল কায়সারী ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি, তবে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বস্ত সূত্র পাইনি। তবুও জেলা আইনজীবী সমিতি থেকে তার সদস্যপদ যেহেতু স্থগিত করা হয়েছে, তাই আমরাও তার সদস্যপদ স্থগিত করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। এই কমিটি আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে জেলা কমিটির কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, কলাপাড়ায় সংঘটিত একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন নিশ্চিত করতে অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বিচারকের বাসায় ৫০ হাজার টাকা ও মামলার নথি পাঠান। এর আগে, হোয়াটসঅ্যাপে তিনি বিচারকের কাছে আসামির জামিনের জন্য তদবিরও করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় বিচারক নিলুফার শিরিন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিচারককে ঘুষ দিতে গিয়ে ধরা খাওয়া সেই পিপি এবার জামায়াত থেকে বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বিচারককে ঘুষ দিতে চাওয়া পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও জেলা জামায়াতের রোকন (সদস্য) অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন শিকদারকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পটুয়াখালী জেলা শাখার সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম আল কায়সারীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের পেশাগত অনিয়ম সম্পর্কিত সংবাদ প্রকাশের পর জেলা ও পৌর সংগঠনের দায়িত্বশীলরা জরুরি সভায় মিলিত হন। সভায় আলোচনার পর তার সদস্যপদ স্থগিত করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম আল কায়সারী ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি, তবে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বস্ত সূত্র পাইনি। তবুও জেলা আইনজীবী সমিতি থেকে তার সদস্যপদ যেহেতু স্থগিত করা হয়েছে, তাই আমরাও তার সদস্যপদ স্থগিত করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। এই কমিটি আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে জেলা কমিটির কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, কলাপাড়ায় সংঘটিত একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন নিশ্চিত করতে অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বিচারকের বাসায় ৫০ হাজার টাকা ও মামলার নথি পাঠান। এর আগে, হোয়াটসঅ্যাপে তিনি বিচারকের কাছে আসামির জামিনের জন্য তদবিরও করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় বিচারক নিলুফার শিরিন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।