ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পিরোজপুরে গৃহবধূর পরকীয়া দেখে ফেলায় শাশুড়িকে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার তালাকের কাগজ ছিঁড়ে আদালতেই স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী ঝালকাঠিতে গ্রাম আদালত সেবার সচেতনতায় বার্ষিক ক্যাম্পেইন ও ভিডিও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে স্বপ্নসারথী কিশোরীদের মাঝে ব্র্যাকের হাঁস-মুরগি বিতরণ। বাবুগঞ্জে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রহমতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঝালকাঠিতে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা ঝালকাঠিতে অসোহায় মেধাবী শিক্ষার্থীকে নগদ ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন আনিছুর রহমান তাপু দর্শনার বারাদী সীমান্তে বিদেশী পিস্তল, ম্যাগাজিন,গুলিসহ ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার সুগন্ধা নদীতে নিহত যুবকের পরিবারের খোঁজখবর নিলেন জামায়াত নেতা বাবর। রাজন শিকদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে খেয়াঘাটে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ, স্বস্তি যাত্রীদের

চুয়াডাঙ্গায় এক বছরে বিবাহ বন্ধন ৮ হাজার, বিচ্ছেদ সাড়ে ৫ হাজার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার ৪ উপজেলায় গত ১ বছরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে ৮ হাজার, একই সময়ে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে সাড়ে ৫ হাজার দম্পতি।
চুয়াডাঙ্গা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের তথ্যসূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলায় মোট ৮ হাজার ১০৬টি বিবাহ হয়েছে।অন্যদিকে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে ৫ হাজার ৫২১টি।
জেলার চারটি উপজেলার বিচ্ছিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যায় পারিবারিক অস্থিরতা, ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা, পরকীয়া, বাল্যবিবাহ, বনিবনা না হওয়া ও মতবিরোধসহ নানা কারণে দাম্পত্য সম্পর্কের ছেদ ধরেছে।তা পরে রুপ নেয় বিবাহ বিচ্ছেদের মতো ঘটনায়।আলাদা আলাদা উপজেলার মধ্যে দেখা যায়
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় বিবাহ হয়েছে ২ হাজার ২২৬টি, বিচ্ছেদ ২ হাজার ১৭৭টি। আলমডাঙ্গায় বিবাহ হয়েছে ২ হাজার ৪৩১টি, বিচ্ছেদ ১ হাজার ২৩৭টি। দামুড়হুদায় বিবাহ হয়েছে ১ হাজার ৮২৮টি, বিচ্ছেদ ৯২১টি। জীবননগরে বিবাহ হয়েছে ১ হাজার ৬২১টি, বিচ্ছেদ ১ হাজার ৯৬টি।
সব মিলিয়ে গত বছর জেলার চার উপজেলায় মোট বিবাহ হয়েছে ৮ হাজার ১০৬টি, আর তালাক বা বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে ৫ হাজার ৫২১টি।যা মোট বিবাহের প্রায় ৬৮ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার কাজী সামসুল হক জানান, “বিবাহবিচ্ছেদের পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে পরকীয়া। এছাড়া সংসারে বনিবনা না হওয়া, স্বামীর প্রবাসজীবন, পারস্পরিক অবিশ্বাসসহ নানা কারণ রয়েছে।”
জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, বেশিরভাগ তালাকের উদ্যোগ নারীদের দিক থেকেই আসছে। বিশেষ করে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে তালাকের হার বেশি।
দাম্পত্য জীবনের এ ভাঙনের কারণে বাড়ছে সামাজিক ও মানসিক সংকট। সন্তানরা বেড়ে উঠছে অবহেলা ও অনিশ্চয়তার মাঝে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুয়াডাঙ্গায় এক বছরে বিবাহ বন্ধন ৮ হাজার, বিচ্ছেদ সাড়ে ৫ হাজার

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার ৪ উপজেলায় গত ১ বছরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে ৮ হাজার, একই সময়ে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে সাড়ে ৫ হাজার দম্পতি।
চুয়াডাঙ্গা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের তথ্যসূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলায় মোট ৮ হাজার ১০৬টি বিবাহ হয়েছে।অন্যদিকে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে ৫ হাজার ৫২১টি।
জেলার চারটি উপজেলার বিচ্ছিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যায় পারিবারিক অস্থিরতা, ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা, পরকীয়া, বাল্যবিবাহ, বনিবনা না হওয়া ও মতবিরোধসহ নানা কারণে দাম্পত্য সম্পর্কের ছেদ ধরেছে।তা পরে রুপ নেয় বিবাহ বিচ্ছেদের মতো ঘটনায়।আলাদা আলাদা উপজেলার মধ্যে দেখা যায়
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় বিবাহ হয়েছে ২ হাজার ২২৬টি, বিচ্ছেদ ২ হাজার ১৭৭টি। আলমডাঙ্গায় বিবাহ হয়েছে ২ হাজার ৪৩১টি, বিচ্ছেদ ১ হাজার ২৩৭টি। দামুড়হুদায় বিবাহ হয়েছে ১ হাজার ৮২৮টি, বিচ্ছেদ ৯২১টি। জীবননগরে বিবাহ হয়েছে ১ হাজার ৬২১টি, বিচ্ছেদ ১ হাজার ৯৬টি।
সব মিলিয়ে গত বছর জেলার চার উপজেলায় মোট বিবাহ হয়েছে ৮ হাজার ১০৬টি, আর তালাক বা বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে ৫ হাজার ৫২১টি।যা মোট বিবাহের প্রায় ৬৮ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার কাজী সামসুল হক জানান, “বিবাহবিচ্ছেদের পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে পরকীয়া। এছাড়া সংসারে বনিবনা না হওয়া, স্বামীর প্রবাসজীবন, পারস্পরিক অবিশ্বাসসহ নানা কারণ রয়েছে।”
জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, বেশিরভাগ তালাকের উদ্যোগ নারীদের দিক থেকেই আসছে। বিশেষ করে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে তালাকের হার বেশি।
দাম্পত্য জীবনের এ ভাঙনের কারণে বাড়ছে সামাজিক ও মানসিক সংকট। সন্তানরা বেড়ে উঠছে অবহেলা ও অনিশ্চয়তার মাঝে।