সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বিয়ের প্রলোভনে ‘ধর্ষণ’, পুলিশ সদস্য গ্রে’প্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগে এক পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন। গ্রেপ্তার আইনুল হক ধর্মপাশা থানার কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

গ্রেপ্তার আইনুল (২৮) সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ইসলামপুর দুভাগ গ্রামের বাসিন্দা। জানা যায়, ভুক্তভোগী কলেজে যাতায়াতের সময় পরিচয় হয় আইনুল হকের সঙ্গে। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় তাদের দেখাসাক্ষাৎও হয়েছে। তরুণী নেত্রকোনার একটি কলেজ থেকে ২৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

ওইদিন দুপুর ২টার দিকে কনস্টেবল তাকে কল দিয়ে জানান, তিনি ছুটি নিয়েছেন এবং তরুণীকে ধর্মপাশা উপজেলার মহদীপুর স্পিডবোট ঘাটে যেতে বলেন। ভুক্তভোগী সেখানে পৌঁছালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে সুনামগঞ্জ জেলা শহরে নিয়ে যান তিনি। ওইদিন রাত ৮টায় শহরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে তরুণীর নাম গোপন করে রাতযাপন করেন তিনি। পরে হোটেলের কক্ষে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেন আইনুল।

এ ঘটনার পর বিয়ের কথা বললেই নানাভাবে এড়িয়ে যেতেন আইনুল। পরে ২৯ জুনের পরীক্ষা শেষে কনস্টেবলকে আবারও বিয়ের কথা বললে তিনি অস্বীকার করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে ভুক্তভোগী তরুণী থানায় গিয়ে ওসিকে সব জানান।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, ভুক্তভোগী তরুণী বিষয়টি জানানোর পর কনস্টেবল আইনুল হককে আমরা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছি। ওই তরুণী বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা রুজু করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিয়ের প্রলোভনে ‘ধর্ষণ’, পুলিশ সদস্য গ্রে’প্তার

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগে এক পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন। গ্রেপ্তার আইনুল হক ধর্মপাশা থানার কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

গ্রেপ্তার আইনুল (২৮) সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ইসলামপুর দুভাগ গ্রামের বাসিন্দা। জানা যায়, ভুক্তভোগী কলেজে যাতায়াতের সময় পরিচয় হয় আইনুল হকের সঙ্গে। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় তাদের দেখাসাক্ষাৎও হয়েছে। তরুণী নেত্রকোনার একটি কলেজ থেকে ২৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

ওইদিন দুপুর ২টার দিকে কনস্টেবল তাকে কল দিয়ে জানান, তিনি ছুটি নিয়েছেন এবং তরুণীকে ধর্মপাশা উপজেলার মহদীপুর স্পিডবোট ঘাটে যেতে বলেন। ভুক্তভোগী সেখানে পৌঁছালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে সুনামগঞ্জ জেলা শহরে নিয়ে যান তিনি। ওইদিন রাত ৮টায় শহরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে তরুণীর নাম গোপন করে রাতযাপন করেন তিনি। পরে হোটেলের কক্ষে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেন আইনুল।

এ ঘটনার পর বিয়ের কথা বললেই নানাভাবে এড়িয়ে যেতেন আইনুল। পরে ২৯ জুনের পরীক্ষা শেষে কনস্টেবলকে আবারও বিয়ের কথা বললে তিনি অস্বীকার করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে ভুক্তভোগী তরুণী থানায় গিয়ে ওসিকে সব জানান।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, ভুক্তভোগী তরুণী বিষয়টি জানানোর পর কনস্টেবল আইনুল হককে আমরা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছি। ওই তরুণী বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা রুজু করেছেন।