সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

অবৈধ অনুপ্রবেশ কারী কারাভোগের পর দর্শনা দিয়ে ভারতে ফেরত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ ভারতীয় বিহার রাজ্যের এক নাগরিক বাংলাদেশে ৪ বছর ৩ মাস জেল খেটে আইনি প্রক্রিয়ায় তার পরিবারের হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গার দর্শনার জয়নগর সীমান্তে শূন্য রেখায় দুদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও থানা পুলিশের কর্মকর্তারাদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের বিহার রাজ্যের রানাগঞ্জ গ্রামের দেবনাথ ঋষির ছেলে শেখরন কুমার( ২৩) কে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এসময় বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির দর্শনা আইসিপি কমান্ডার সুবেদার জামাল হোসেন, দর্শনা ইমিগ্রেশন ইনচার্জ এসআই আতিকুর রহমান দর্শনা থানার এসআই শামীম হোসেন, ডিএসবি সেলিম হোসেন প্রমুখ।
ভারতের পক্ষে ছিলেন গেদে ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এসি বিতাশী, গেদে ইমিগ্রেশন ইনচার্জ জেসি দে, কাস্টমস সুপার দিলীপ কুমার পাল, রামাতার পি যাদব, কৃষ্ণগঞ্জ থানার এসআই পরিভ্রান্ত শিং, ডিআইবি সাধন মন্ডল, রেডক্রস প্রতিনিধি চিত্তরঞ্জন, শেভরন কুমারের বাবা দেবনাথ ঋষি, দুলাভাই ছোটু কুমার প্রমুখ।
শেভরন কুমারের বাবা দেবনাথ ঋষি বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। দীর্ঘদিন পর সবার প্রচেষ্টায় আমার ছেলেকে ফিরে পেলাম।কমি বড্ড খুশি।উল্লেখ, শেভরন নাটোর ও চুয়াডাঙ্গার জেলা কারাগারে মোট ৪ বছর ৩ মাস বন্দি ছিলেন। ।
পুলিশ জানায়, বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে ২০২০ সালের ২ জানুয়ারি শেভরনকে আটক করে নাটোর জেলা পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানে ছিলেন ২০২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর তাকে চুয়াডাঙ্গা কারাগারে নেওয়া হয়। সাজার মেয়াদ শেষ হলে গত ৩০ এপ্রিল প্রত্যাবাসনের জন্য তাকে দর্শনা চেকপোস্ট সীমান্তে নেওয়া হয়। কিন্তু সেদিন তার কোনো অভিভাবক উপস্থিত না থাকায় ভারতীয় থানা পুলিশ তাকে গ্রহণ করেনি। ফলে আবার তাকে কারাগারে ফিরতে হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অবৈধ অনুপ্রবেশ কারী কারাভোগের পর দর্শনা দিয়ে ভারতে ফেরত

আপডেট সময় : ০২:২১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ ভারতীয় বিহার রাজ্যের এক নাগরিক বাংলাদেশে ৪ বছর ৩ মাস জেল খেটে আইনি প্রক্রিয়ায় তার পরিবারের হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গার দর্শনার জয়নগর সীমান্তে শূন্য রেখায় দুদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও থানা পুলিশের কর্মকর্তারাদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের বিহার রাজ্যের রানাগঞ্জ গ্রামের দেবনাথ ঋষির ছেলে শেখরন কুমার( ২৩) কে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এসময় বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির দর্শনা আইসিপি কমান্ডার সুবেদার জামাল হোসেন, দর্শনা ইমিগ্রেশন ইনচার্জ এসআই আতিকুর রহমান দর্শনা থানার এসআই শামীম হোসেন, ডিএসবি সেলিম হোসেন প্রমুখ।
ভারতের পক্ষে ছিলেন গেদে ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এসি বিতাশী, গেদে ইমিগ্রেশন ইনচার্জ জেসি দে, কাস্টমস সুপার দিলীপ কুমার পাল, রামাতার পি যাদব, কৃষ্ণগঞ্জ থানার এসআই পরিভ্রান্ত শিং, ডিআইবি সাধন মন্ডল, রেডক্রস প্রতিনিধি চিত্তরঞ্জন, শেভরন কুমারের বাবা দেবনাথ ঋষি, দুলাভাই ছোটু কুমার প্রমুখ।
শেভরন কুমারের বাবা দেবনাথ ঋষি বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। দীর্ঘদিন পর সবার প্রচেষ্টায় আমার ছেলেকে ফিরে পেলাম।কমি বড্ড খুশি।উল্লেখ, শেভরন নাটোর ও চুয়াডাঙ্গার জেলা কারাগারে মোট ৪ বছর ৩ মাস বন্দি ছিলেন। ।
পুলিশ জানায়, বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে ২০২০ সালের ২ জানুয়ারি শেভরনকে আটক করে নাটোর জেলা পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানে ছিলেন ২০২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর তাকে চুয়াডাঙ্গা কারাগারে নেওয়া হয়। সাজার মেয়াদ শেষ হলে গত ৩০ এপ্রিল প্রত্যাবাসনের জন্য তাকে দর্শনা চেকপোস্ট সীমান্তে নেওয়া হয়। কিন্তু সেদিন তার কোনো অভিভাবক উপস্থিত না থাকায় ভারতীয় থানা পুলিশ তাকে গ্রহণ করেনি। ফলে আবার তাকে কারাগারে ফিরতে হয়।