সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

চাপে পড়ে কলেজছাত্রীকে বিয়ে, টাকায় মীমাংসা করতে চান ওসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : চাপে পড়ে বিয়ের পর স্ত্রী ঝর্ণা আক্তারকে তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জে পাঠিয়ে দিয়েছেন গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার ওসি। এর আগে ওই কলেজছাত্রীকে গাজীপুর পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এজন্য কলেজছাত্রীকে নির্যাতন করা হয় এবং মেয়ের নির্যাতন দেখে তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার মাকে গাজীপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। শনিবার ওই কলেজছাত্রী মোবাইল ফোনে এসব তথ্য সাংবাদিকদের জানান।

কলেজছাত্রী ঝর্ণা আক্তার বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ের ঝর্ণাকে গাজীপুর শহরে ফেলে রেখে ওসি প্রথম স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে চলে যান। পরে ঝর্ণা তার মাকে নিয়ে সারা রাত জয়দেবপুর থানায় অবস্থান করেন। ওসিকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে শুক্রবার দুপুরে ওসি থানায় গিয়ে ঝর্ণাকে বকাঝকা করেন। তাকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে ঘটনার মিমাংসা করতে বলেন এবং পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া অভিযোগ প্রত্যাহারের চাপ প্রয়োগ করা হয়।

কলেজছাত্রী নিয়ে রিসোর্টে ওসি, চাপে দ্বিতীয় বিয়ে!কলেজছাত্রী নিয়ে রিসোর্টে ওসি, চাপে দ্বিতীয় বিয়ে! ঝর্ণা আরও জানান, বিকালে ওসি তাকে ও তার মাকে থানার নিকটবর্তী মনিপুর এলাকায় একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে রাখেন। ওই বাসায় ওসি ঝর্ণাকে শারীরিক নির্যাতন চালায়।

তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে মেয়ের উপর নির্যাতন দেখে মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সন্ধ্যার দিকে ঝর্ণা গাজীপুরের পুলিশ সুপার কাজী শফিকুল আলমকে ফোনে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরে তাদেরকে মানিকগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় ওসি। বাড়িতে যাওয়ার পর তার মা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মানিকগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকালে তার মাকে বাসায় নেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চাপে পড়ে কলেজছাত্রীকে বিয়ে, টাকায় মীমাংসা করতে চান ওসি

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪

আজকের ক্রাইম ডেক্স : চাপে পড়ে বিয়ের পর স্ত্রী ঝর্ণা আক্তারকে তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জে পাঠিয়ে দিয়েছেন গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার ওসি। এর আগে ওই কলেজছাত্রীকে গাজীপুর পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এজন্য কলেজছাত্রীকে নির্যাতন করা হয় এবং মেয়ের নির্যাতন দেখে তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার মাকে গাজীপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। শনিবার ওই কলেজছাত্রী মোবাইল ফোনে এসব তথ্য সাংবাদিকদের জানান।

কলেজছাত্রী ঝর্ণা আক্তার বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ের ঝর্ণাকে গাজীপুর শহরে ফেলে রেখে ওসি প্রথম স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে চলে যান। পরে ঝর্ণা তার মাকে নিয়ে সারা রাত জয়দেবপুর থানায় অবস্থান করেন। ওসিকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে শুক্রবার দুপুরে ওসি থানায় গিয়ে ঝর্ণাকে বকাঝকা করেন। তাকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে ঘটনার মিমাংসা করতে বলেন এবং পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া অভিযোগ প্রত্যাহারের চাপ প্রয়োগ করা হয়।

কলেজছাত্রী নিয়ে রিসোর্টে ওসি, চাপে দ্বিতীয় বিয়ে!কলেজছাত্রী নিয়ে রিসোর্টে ওসি, চাপে দ্বিতীয় বিয়ে! ঝর্ণা আরও জানান, বিকালে ওসি তাকে ও তার মাকে থানার নিকটবর্তী মনিপুর এলাকায় একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে রাখেন। ওই বাসায় ওসি ঝর্ণাকে শারীরিক নির্যাতন চালায়।

তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে মেয়ের উপর নির্যাতন দেখে মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সন্ধ্যার দিকে ঝর্ণা গাজীপুরের পুলিশ সুপার কাজী শফিকুল আলমকে ফোনে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরে তাদেরকে মানিকগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় ওসি। বাড়িতে যাওয়ার পর তার মা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মানিকগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকালে তার মাকে বাসায় নেওয়া হয়।