সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বরিশাল রুপাতলী সবজির বাজার নিয়ান্ত্রনহীন, অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিতে হচ্ছে সবজিসহ নিত্যপুন্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামাল কাড়াল বরিশাল ব্যুরো প্রধান।

বরিশালে নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কমছেই না। পণ্যভেদে দাম ২০-৫০ টাকা করে বেড়েই চলছে। মাঝে মধ্যে দু’একটি পণ্যের দাম কমলেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের।রবিবার (১৬ জুলাই) বরিশাল নগরী রুপাতলী বাজারের গিয়ে দেখা গেছে এমন চিত্র।সবজির বাজারে
গিয়ে দেখা যায় পোটল ৪০ – ৫০ টাকা,করোল্লা-৮০-৯০ টাকা আলু-৪০-৪৫ টাকা
জিঙ্গা ৫০-৬০টাকা পেপে ৫০টাকা ধরে বিক্রয় করছে। এ দিকে জানা যায় রুপাতলী সবজির
বাজার নিয়ান্ত্রন না থাকার কারনে অন্যন্য বাজারের চেয়ে তুলনামূলক অতিরিক্ত সবজির
দাম বেশি নিচ্ছে বিক্রয়তারা। কিনকে আসা এক
ক্রেতার সাথে সবজি বিক্রয়তা রুহুলের সাথে সবজির দাম নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়,।প্রতিদিন কারো না সাথে সবজির দাম নিয়ে হাতাহাতির
ঘটনাও ঘটছে। সবজি বিক্রয়তা মোঃ আজহারী বলেন আমরা দাম বেশি নেওয়ার কারন আমাদের কাজ থেকে প্রতিদিন চাদা নেওয়া হয়
এই কারনে আমরা সবজির দাম বেশি রাখি।
তা ছাড়া এই তিন জন সবজি বিক্রয়তা মোঃ রুহুল, মোঃ আসলাম, মোঃ আজহারী নামে আরো একাধিক অনেক অভিযোগ রয়েছে
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির লাল ডিম গত সপ্তাহে ১৪৫ টাকা ডজন বিক্রি হলেও সেটি আজ ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও ফার্মের সাদা ডিমের ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারে ছোট চিংড়ি ৭০০ টাকা, মাঝারি আকারের চিংড়ি ৮০০ টাকা, পাবদা মাছ ৫০০ টাকা, রুই ৩০০-৪০০ টাকা, পাঙাস ২০০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, পুঁটি ৮০০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা, কাতলা ৩৫০ টাকা এবং কই মাছ ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস এক হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার ঘুরে তেমন ক্রেতা চোখে পড়েনি। পুরো বাজারে ২০-২৫ জন বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতা ছিলেন হাতে গোনা ১০-১৫ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশাল রুপাতলী সবজির বাজার নিয়ান্ত্রনহীন, অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিতে হচ্ছে সবজিসহ নিত্যপুন্য

আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩

জামাল কাড়াল বরিশাল ব্যুরো প্রধান।

বরিশালে নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কমছেই না। পণ্যভেদে দাম ২০-৫০ টাকা করে বেড়েই চলছে। মাঝে মধ্যে দু’একটি পণ্যের দাম কমলেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের।রবিবার (১৬ জুলাই) বরিশাল নগরী রুপাতলী বাজারের গিয়ে দেখা গেছে এমন চিত্র।সবজির বাজারে
গিয়ে দেখা যায় পোটল ৪০ – ৫০ টাকা,করোল্লা-৮০-৯০ টাকা আলু-৪০-৪৫ টাকা
জিঙ্গা ৫০-৬০টাকা পেপে ৫০টাকা ধরে বিক্রয় করছে। এ দিকে জানা যায় রুপাতলী সবজির
বাজার নিয়ান্ত্রন না থাকার কারনে অন্যন্য বাজারের চেয়ে তুলনামূলক অতিরিক্ত সবজির
দাম বেশি নিচ্ছে বিক্রয়তারা। কিনকে আসা এক
ক্রেতার সাথে সবজি বিক্রয়তা রুহুলের সাথে সবজির দাম নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়,।প্রতিদিন কারো না সাথে সবজির দাম নিয়ে হাতাহাতির
ঘটনাও ঘটছে। সবজি বিক্রয়তা মোঃ আজহারী বলেন আমরা দাম বেশি নেওয়ার কারন আমাদের কাজ থেকে প্রতিদিন চাদা নেওয়া হয়
এই কারনে আমরা সবজির দাম বেশি রাখি।
তা ছাড়া এই তিন জন সবজি বিক্রয়তা মোঃ রুহুল, মোঃ আসলাম, মোঃ আজহারী নামে আরো একাধিক অনেক অভিযোগ রয়েছে
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির লাল ডিম গত সপ্তাহে ১৪৫ টাকা ডজন বিক্রি হলেও সেটি আজ ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও ফার্মের সাদা ডিমের ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারে ছোট চিংড়ি ৭০০ টাকা, মাঝারি আকারের চিংড়ি ৮০০ টাকা, পাবদা মাছ ৫০০ টাকা, রুই ৩০০-৪০০ টাকা, পাঙাস ২০০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, পুঁটি ৮০০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা, কাতলা ৩৫০ টাকা এবং কই মাছ ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস এক হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার ঘুরে তেমন ক্রেতা চোখে পড়েনি। পুরো বাজারে ২০-২৫ জন বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতা ছিলেন হাতে গোনা ১০-১৫ জন।