সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার”

প্রেমের টানে জীবননগরে গয়েশপুর এসে বিয়ে করলেন চীন দেশের যুবক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ সূদুর চীন থেকে প্রেমের টানে পাড়া গাঁয়ে এসে এক মেয়েকে বিয়ে করলেন এক যুবক।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী গয়েশপুর গ্রামের দিনমজুর সানোয়ার হোসেনের মেয়ে ফারিয়া সুলতানা মুন(২০)’র সাথে দীর্ঘ এক বছর যাবত ফেইসবুকের মাধ্যমে চীন দেশের যুবক সাউই(২৮)’র সাথে পরিচয় হয়। একসময় চীনের ওই যুবক মুনকে বিয়ে করতে চায় বলে জানায়। পরে দুজনের মধ্যে প্রায় ৭/৮ মাস উই চ্যাটের মাধ্যমে কথোপকথন চলে।সম্প্রতি সে চীন থেকে গয়েশপুর গ্রামে আসে ও মেয়ের বাড়িতেই পারিবারিক ভাবে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।
প্রতিবেশী মুনমুন খাতুন বলেন, অন্য সকল বিয়ের চেয়ে রাতে এটি ছিল ভিন্ন
একটি বিয়ে। কারণ ভীনদেশী ছেলে আর দেশি মেয়ের বিয়ে। আনন্দ ও উল্লাসই ছিল আলাদা।বিয়ের দিন হতে আজ পর্যন্ত আশেপাশের৷ অনেক গ্রামের মানুষেরা বিদেশী জামাইকে দেখার জন্য ছুটে আসছে। মুনের বাবা সানোয়ার হোসেন বলেন,মোবাইলের মাধ্যমে আমার মেয়ের সাথে চীনের ওই ছেলের পরিচয় হয়। । পরিচয় হওয়ার পর ওই ছেলে আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চাইলে আমরা তাকে আমাদের দেশে আসতে বলি এবং আইন মেনে ধুমধাম করে তাদের বিয়ের ব্যাবস্থা করে দিয়েছি।
মুনের মা আনজুরা খাতুন বলেন, আমরা পারিবারিকভাবে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। জামাই অনেক ভাল ও শান্ত স্বভাবের। আমার মেয়েকে জামাই চীনে নিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে।
মুন বলেন,সাউইর সাথে আমার মোবাইলে পরিচয় হয়। পরে বাড়িতে জানালে পরিবারের সকলের পছন্দ হয়। আমার পরিবার রাজি থাকায় প্রায় আট মাস উই চ্যাটের মাধ্যমে কথাবলি। সাউই আমাকে কিছু ভাষা শিখিয়ে দিয়েছিল। সেগুলো দিয়ে তার সাথে আমি কথা বলি। আর সম্প্রতি সে আমাদের গ্রামে আসলে পারিবারিক ভাবে আমাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। স্বামী হিসেবে সে অনেক ভালো মনের মানুষ। সে সবকিছু মানিয়ে নিতে চেষ্টা করছে।তাদের ভাষাগুলো শিখতে আর আমাদের ভাষা তার শিখতে সময় লাগবে।আমরা চেষ্টা করছি।সে বলেছে কিছু দিনের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে আমাকে চীন দেশে নিয়ে যাবে।
মাহমুদ হাসান রনি, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
১৩/০৭/২৩

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

প্রেমের টানে জীবননগরে গয়েশপুর এসে বিয়ে করলেন চীন দেশের যুবক

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ সূদুর চীন থেকে প্রেমের টানে পাড়া গাঁয়ে এসে এক মেয়েকে বিয়ে করলেন এক যুবক।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী গয়েশপুর গ্রামের দিনমজুর সানোয়ার হোসেনের মেয়ে ফারিয়া সুলতানা মুন(২০)’র সাথে দীর্ঘ এক বছর যাবত ফেইসবুকের মাধ্যমে চীন দেশের যুবক সাউই(২৮)’র সাথে পরিচয় হয়। একসময় চীনের ওই যুবক মুনকে বিয়ে করতে চায় বলে জানায়। পরে দুজনের মধ্যে প্রায় ৭/৮ মাস উই চ্যাটের মাধ্যমে কথোপকথন চলে।সম্প্রতি সে চীন থেকে গয়েশপুর গ্রামে আসে ও মেয়ের বাড়িতেই পারিবারিক ভাবে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।
প্রতিবেশী মুনমুন খাতুন বলেন, অন্য সকল বিয়ের চেয়ে রাতে এটি ছিল ভিন্ন
একটি বিয়ে। কারণ ভীনদেশী ছেলে আর দেশি মেয়ের বিয়ে। আনন্দ ও উল্লাসই ছিল আলাদা।বিয়ের দিন হতে আজ পর্যন্ত আশেপাশের৷ অনেক গ্রামের মানুষেরা বিদেশী জামাইকে দেখার জন্য ছুটে আসছে। মুনের বাবা সানোয়ার হোসেন বলেন,মোবাইলের মাধ্যমে আমার মেয়ের সাথে চীনের ওই ছেলের পরিচয় হয়। । পরিচয় হওয়ার পর ওই ছেলে আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চাইলে আমরা তাকে আমাদের দেশে আসতে বলি এবং আইন মেনে ধুমধাম করে তাদের বিয়ের ব্যাবস্থা করে দিয়েছি।
মুনের মা আনজুরা খাতুন বলেন, আমরা পারিবারিকভাবে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। জামাই অনেক ভাল ও শান্ত স্বভাবের। আমার মেয়েকে জামাই চীনে নিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে।
মুন বলেন,সাউইর সাথে আমার মোবাইলে পরিচয় হয়। পরে বাড়িতে জানালে পরিবারের সকলের পছন্দ হয়। আমার পরিবার রাজি থাকায় প্রায় আট মাস উই চ্যাটের মাধ্যমে কথাবলি। সাউই আমাকে কিছু ভাষা শিখিয়ে দিয়েছিল। সেগুলো দিয়ে তার সাথে আমি কথা বলি। আর সম্প্রতি সে আমাদের গ্রামে আসলে পারিবারিক ভাবে আমাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। স্বামী হিসেবে সে অনেক ভালো মনের মানুষ। সে সবকিছু মানিয়ে নিতে চেষ্টা করছে।তাদের ভাষাগুলো শিখতে আর আমাদের ভাষা তার শিখতে সময় লাগবে।আমরা চেষ্টা করছি।সে বলেছে কিছু দিনের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে আমাকে চীন দেশে নিয়ে যাবে।
মাহমুদ হাসান রনি, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
১৩/০৭/২৩