সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

হিরন ও তাপস একই সূত্রে গাঁথা নাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর সফল মেয়র এড.শওকত হোসেন হিরন এর সাথে নানাভাবে গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস। তারা ছিলেন ব্যাবসায়ী পার্টনার।হিরন ভাই যখন মেয়র পদে বরিশালে দাঁড়িয়েছিলেন তখন তাঁর পাশে ছিলেন তাপস।মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর হিরন ভায়ের বদলে দেওয়ার পিছনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস।দু’জনই ছিলেন কাজ পাগল মানুষ। সাধারণ মানুষের সাথে তাদের সম্পর্ক ছিল গভীর। সেসময় অনেক অনুষ্ঠানে এক সাথে দুজনকে দেখা গেছে।প্রিয় হিরন ভাই নিজেও একসময় জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতেন।জাতীয় পার্টির সকলের সাথে ছিল গভীর সম্পর্ক।তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করে সেখান থেকে মেয়র নির্বাচিত হলেও জাতীয় পার্টির তৃণমূলের কাউকে ভুলে যাননি।সেসময় হিরন ভায়ের সাথে অনেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছিলেন। হিরন ভায়ের মৃত্যুতে বরিশালের উন্নয়ন মূখ থুবড়ে পড়ে যায়।তখন হিরন ভায়ের অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার জন্য ২০১৮ সালে প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস মেয়র নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন।তিনি সব সময় হিরন ভায়ের কবর জিয়ারত করে কাজ শুরু করেন।সেই নির্বাচনে ভোট ডাকাতির ফলে নিশিরাতের সরকারের মেয়র ৫ বছর হন নৌকার মাঝি সেরনিয়াবাত পরিবারের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদেক আবদুল্লাহ। তার চরম ভরাডুবিতে এবার তাকে টিকিট না দিলেও সেরনিয়াবাত পরিবারের বাইরে যেতে পারিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিঁনি এবার টিকিট দিয়েছেন সাদেক আবদুল্লাহর আপন ছোট চাচা খোকন সেরনিয়াবাতকে।খোকন সাহেব তিঁনি মুরব্বি মানুষ, অনেক বয়স হয়েছে। জীবনের সব সময় টুকু খুলনায় কাটিয়েছেন। বরিশালের মানুষের সাথে তাঁর কোন সম্পর্ক ছিলনা।হিরন ভাই বেঁচে থাকতে তিনি বরিশালে আসেননি।তাহলে যারা বলছেন বা লিখছেন খোকন হতে পারে হিরনের প্রতিচ্ছবি। তারা কিভাবে লিখেছেন আমি জানিনা।বরং রক্তের সূত্রে মেয়র সাদেক আবদুল্লাহর প্রতিচ্ছবি হতে পারেন খোকন সেরনিয়াবাত সাহেব। আর হিরন ভায়ের আসল প্রতিচ্ছবি হতে পারেন প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস। এবারও তাপস ভাই প্রথমে হিরন ভায়ের কবর জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হিরন ভাইকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে হিরন ভাই ও তাপস ভায়ের অনেক স্মৃতিকথা তুলে ধরেন আর বলেন,হিরন ভাই অসময়ে চলে না গেলে তিনি নির্বাচনেই আসতেন না।এখন আমি পাঠকদের কাছে বিনীতভাবে প্রশ্ন করতে চায়? আপনারা নির্নয় করুন।কে কার প্রতিচ্ছবি। (চলবে)
মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা
একজন সচেতন
নাগরিক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হিরন ও তাপস একই সূত্রে গাঁথা নাম

আপডেট সময় : ০৫:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর সফল মেয়র এড.শওকত হোসেন হিরন এর সাথে নানাভাবে গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস। তারা ছিলেন ব্যাবসায়ী পার্টনার।হিরন ভাই যখন মেয়র পদে বরিশালে দাঁড়িয়েছিলেন তখন তাঁর পাশে ছিলেন তাপস।মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর হিরন ভায়ের বদলে দেওয়ার পিছনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস।দু’জনই ছিলেন কাজ পাগল মানুষ। সাধারণ মানুষের সাথে তাদের সম্পর্ক ছিল গভীর। সেসময় অনেক অনুষ্ঠানে এক সাথে দুজনকে দেখা গেছে।প্রিয় হিরন ভাই নিজেও একসময় জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতেন।জাতীয় পার্টির সকলের সাথে ছিল গভীর সম্পর্ক।তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করে সেখান থেকে মেয়র নির্বাচিত হলেও জাতীয় পার্টির তৃণমূলের কাউকে ভুলে যাননি।সেসময় হিরন ভায়ের সাথে অনেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছিলেন। হিরন ভায়ের মৃত্যুতে বরিশালের উন্নয়ন মূখ থুবড়ে পড়ে যায়।তখন হিরন ভায়ের অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার জন্য ২০১৮ সালে প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস মেয়র নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন।তিনি সব সময় হিরন ভায়ের কবর জিয়ারত করে কাজ শুরু করেন।সেই নির্বাচনে ভোট ডাকাতির ফলে নিশিরাতের সরকারের মেয়র ৫ বছর হন নৌকার মাঝি সেরনিয়াবাত পরিবারের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদেক আবদুল্লাহ। তার চরম ভরাডুবিতে এবার তাকে টিকিট না দিলেও সেরনিয়াবাত পরিবারের বাইরে যেতে পারিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিঁনি এবার টিকিট দিয়েছেন সাদেক আবদুল্লাহর আপন ছোট চাচা খোকন সেরনিয়াবাতকে।খোকন সাহেব তিঁনি মুরব্বি মানুষ, অনেক বয়স হয়েছে। জীবনের সব সময় টুকু খুলনায় কাটিয়েছেন। বরিশালের মানুষের সাথে তাঁর কোন সম্পর্ক ছিলনা।হিরন ভাই বেঁচে থাকতে তিনি বরিশালে আসেননি।তাহলে যারা বলছেন বা লিখছেন খোকন হতে পারে হিরনের প্রতিচ্ছবি। তারা কিভাবে লিখেছেন আমি জানিনা।বরং রক্তের সূত্রে মেয়র সাদেক আবদুল্লাহর প্রতিচ্ছবি হতে পারেন খোকন সেরনিয়াবাত সাহেব। আর হিরন ভায়ের আসল প্রতিচ্ছবি হতে পারেন প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস। এবারও তাপস ভাই প্রথমে হিরন ভায়ের কবর জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হিরন ভাইকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে হিরন ভাই ও তাপস ভায়ের অনেক স্মৃতিকথা তুলে ধরেন আর বলেন,হিরন ভাই অসময়ে চলে না গেলে তিনি নির্বাচনেই আসতেন না।এখন আমি পাঠকদের কাছে বিনীতভাবে প্রশ্ন করতে চায়? আপনারা নির্নয় করুন।কে কার প্রতিচ্ছবি। (চলবে)
মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা
একজন সচেতন
নাগরিক।