সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

শান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশ আজ একটি নির্ভরযোগ্য নাম: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘গত ৩৫ বছর ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এমনকি অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে অন্যান্য দেশ শান্তিরক্ষী পাঠাতে চায়নি, সেখানেও আমরা শান্তিরক্ষী প্রেরণ করেছি। শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ একটি নির্ভরযোগ্য নাম।’

সোমবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বজন স্বীকৃত বিশ্বের বুকে রোল মডেল। এই অর্জনের পেছনে রয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর চৌকস ও পরিশ্রমী নিবেদিত প্রাণ সদস্যদের অবদান ও আত্মত্যাগ। আমরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ৩৫ বছর উদযাপন করছি। অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের এই শুভক্ষণে আমি জাতিসংঘ মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীসহ সকল শান্তিরক্ষীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘শান্তির বার্তাকে স্থায়ী করতে এবং এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নে ‘কালচার অব পিস’ প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য বলে আমি বিশ্বাস করি।’’

তিনি বলেন, ‘‘নারী অধিকার এবং জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে আমাদের পদক্ষেপ ‘উইমেন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি এজেন্ডা’ তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখছে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে আমাদের নারীরা আগে ছিলেন না। আমি উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এখন আমাদের বিমান বাহিনী, পুলিশ বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী এবং শান্তিরক্ষী মিশনে নারীদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশ আজ একটি নির্ভরযোগ্য নাম: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:১২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘গত ৩৫ বছর ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এমনকি অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে অন্যান্য দেশ শান্তিরক্ষী পাঠাতে চায়নি, সেখানেও আমরা শান্তিরক্ষী প্রেরণ করেছি। শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ একটি নির্ভরযোগ্য নাম।’

সোমবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বজন স্বীকৃত বিশ্বের বুকে রোল মডেল। এই অর্জনের পেছনে রয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর চৌকস ও পরিশ্রমী নিবেদিত প্রাণ সদস্যদের অবদান ও আত্মত্যাগ। আমরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ৩৫ বছর উদযাপন করছি। অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের এই শুভক্ষণে আমি জাতিসংঘ মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীসহ সকল শান্তিরক্ষীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘শান্তির বার্তাকে স্থায়ী করতে এবং এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নে ‘কালচার অব পিস’ প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য বলে আমি বিশ্বাস করি।’’

তিনি বলেন, ‘‘নারী অধিকার এবং জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে আমাদের পদক্ষেপ ‘উইমেন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি এজেন্ডা’ তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখছে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে আমাদের নারীরা আগে ছিলেন না। আমি উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এখন আমাদের বিমান বাহিনী, পুলিশ বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী এবং শান্তিরক্ষী মিশনে নারীদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’’