সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

জাহাঙ্গীরকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চাইতে যাব: জায়েদা খাতুন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী মেয়র জায়েদা খাতুন বলেছেন, ছেলের (সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম) প্রতি অবিচারের প্রতিবাদে তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। নগরবাসী তাঁকে বিমুখ করেননি। শুক্রবার দুপুরে নগরীর ছয়দানার বাড়িতে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

জয়লাভে সন্তোষ প্রকাশ করে জায়েদা বলেন, ‘মিথ্যা সব সময়ই মিথ্যা। সত্যকে কখনও মিথ্যা দিয়ে ঢাকা যায় না। সত্যের জয় হয়েছে। ক্ষমা চাইতে ছেলেকে নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যাব। সবার সঙ্গে এবং আমার ছেলে জাহাঙ্গীরকে নিয়ে সিটির উন্নয়নে কাজ করব।’ তিনি বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী ও গাজীপুর নগরবাসীর প্রতি উৎসর্গ করেন।

এ সময় সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমার নেতাকর্মী ও সমর্থককে হয়রানি করা হচ্ছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হয়রানি বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা যাবে না। কারণ যাঁরা নগরীর মেয়র বানাতে পারেন, তাঁরা এ সমাজে সবকিছু প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পেশিশক্তি দিয়ে মানুষের মন জয় করা যায় না। ওয়ার্ড, থানা ও মহানগরের সবাইকে নিয়ে পঞ্চায়েত পদ্ধতিতে শাসন ব্যবস্থা এবং নগরীর উন্নয়নে কাজ করব। এ নগরীর মানুষ আমার আপনজন। প্রত্যেকের জন্য মা ও আমার দরজা খোলা। তাঁরাই যে নগরীর মালিক, ভোটে প্রমাণ হয়েছে। আর অপরাধীরা এখন চিহ্নিত হয়ে গেছে।’

শুক্রবার ভোর থেকে জায়েদা খাতুনের ছয়দানা বাড়িতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে মানুষ আসতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির আঙিনা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। উৎসুক জনতার উদ্দেশে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমার মা, আপনাদেরও মা। আমার বাড়িঘর আপনাদের সবার জন্য উন্মুক্ত। যে কোনো সময়, যে কোনো প্রয়োজনে আপনারা আসবেন। আমরা কারও সঙ্গে দ্বন্দ্ব চাই না। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। কেউ আঘাত করলে তাঁর পাল্টা দিতে হয় না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জাহাঙ্গীরকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চাইতে যাব: জায়েদা খাতুন

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী মেয়র জায়েদা খাতুন বলেছেন, ছেলের (সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম) প্রতি অবিচারের প্রতিবাদে তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। নগরবাসী তাঁকে বিমুখ করেননি। শুক্রবার দুপুরে নগরীর ছয়দানার বাড়িতে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

জয়লাভে সন্তোষ প্রকাশ করে জায়েদা বলেন, ‘মিথ্যা সব সময়ই মিথ্যা। সত্যকে কখনও মিথ্যা দিয়ে ঢাকা যায় না। সত্যের জয় হয়েছে। ক্ষমা চাইতে ছেলেকে নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যাব। সবার সঙ্গে এবং আমার ছেলে জাহাঙ্গীরকে নিয়ে সিটির উন্নয়নে কাজ করব।’ তিনি বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী ও গাজীপুর নগরবাসীর প্রতি উৎসর্গ করেন।

এ সময় সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমার নেতাকর্মী ও সমর্থককে হয়রানি করা হচ্ছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হয়রানি বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা যাবে না। কারণ যাঁরা নগরীর মেয়র বানাতে পারেন, তাঁরা এ সমাজে সবকিছু প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পেশিশক্তি দিয়ে মানুষের মন জয় করা যায় না। ওয়ার্ড, থানা ও মহানগরের সবাইকে নিয়ে পঞ্চায়েত পদ্ধতিতে শাসন ব্যবস্থা এবং নগরীর উন্নয়নে কাজ করব। এ নগরীর মানুষ আমার আপনজন। প্রত্যেকের জন্য মা ও আমার দরজা খোলা। তাঁরাই যে নগরীর মালিক, ভোটে প্রমাণ হয়েছে। আর অপরাধীরা এখন চিহ্নিত হয়ে গেছে।’

শুক্রবার ভোর থেকে জায়েদা খাতুনের ছয়দানা বাড়িতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে মানুষ আসতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির আঙিনা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। উৎসুক জনতার উদ্দেশে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমার মা, আপনাদেরও মা। আমার বাড়িঘর আপনাদের সবার জন্য উন্মুক্ত। যে কোনো সময়, যে কোনো প্রয়োজনে আপনারা আসবেন। আমরা কারও সঙ্গে দ্বন্দ্ব চাই না। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। কেউ আঘাত করলে তাঁর পাল্টা দিতে হয় না।’