নদী ভাঙ্গনে বিলীনের পথে রহমতপুর-মীরগঞ্জ সড়ক
- আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩ ১৩ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ আলী, বাবুগঞ্জ( বরিশাল) প্রতিনিধিঃ উজান থেকে নেমে আসা পানি ও পূবাল হাওয়ার কারণে বাবুগঞ্জের সুগন্ধা নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এতে প্লাবিত হয়েছে নদীর তীরবর্তি নির্মাঞ্চল ও চরাঞ্চল। পানির প্রবল ঢেউয়ে অসময়ে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ন রহমতপুর মীরগঞ্জ সড়কসহ ক্ষুদ্রকাঠী গ্রাম। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গ্রামটির বাকি অংশটুকুও ভাঙনের কবলে। ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নদীর ভাঙন পূর্ব ক্ষুদ্রকাঠীর দিঘির পাড় (বটতলা) এলাকার ৩০ গজের মধ্যে এসে পরায় শতভাগ ঝুঁকির কবলে পরেছে রহমতপুর মীরগঞ্জ সড়কটি। সুগন্ধার মুল নদী থেকে ওই এলাকায় ভাঙন প্রায় ১ শত ফুট ভিতরে প্রবেশ করেছে।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকেই সড়কটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে যে বাবুগঞ্জ, মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ এই চার টি উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ এই সড়কটি দিয়ে জেলা শহর, ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করছেন।
শুধু তাই নয় বরিশাল বিমানবন্দরের রানওয়ে, ঐতিহ্যবাহী বাবুগঞ্জ বন্দরসহ গুরুত্বপূর্ন স্থাপনাও রয়েছে ঝুকির মধ্যে।
অভিজ্ঞরা বলছেন জোয়ারের পানি নেমে যাওয়ার সময় এসব গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা বিলীন হয়ে যেতে পারে।
ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী আরাফাত হোসেন ফরিদ বলেন, ভাঙন রোধে অতি দ্রুত কার্যকারি ব্যবস্থা না নিলে ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের বাকি অংশ ও জনগুরুত্বপূর্ণ রহমতপুর মীরগঞ্জ সড়ক বিলীন হয়ে যাবে।
ভাঙন কবলিত আব্দুর রব হাওলাদার বলেন, সুগন্ধার ভাঙনে ইতিমধ্যে আমার বাড়ি তিনবার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন আবার ভাঙন বাড়ি ছুয়েছে। এইবার ভাঙলে আমার শেষ আশ্রয়স্থলটুকুও চলে যাবে। আমার আর কোথাও যাওয়ার জায়গা থাকবেনা।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিব হোসেন বলেন, বরিশাল বিমানবন্দরের রানওয়ের সুগন্ধা নদী সংলগ্ন অংশের ভাঙন রোধে আধা কিলোমিটার এলাকা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের জন্য সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। অতি শীগ্রই অনুমোদন হবে।
তবে স্থানীয়রা বলেন দীঘির পাড়সহ বর্তমান ভাঙন কবলিত এলাকাটি ওই আধা কিলোমিটারের বাহিরে।
বরিশাল -৩ (বাবুগঞ্জ -মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ গোলাম কিবরিয়া টিপু বলেন,
রহমতপুর মীরগঞ্জ সড়ক ও ক্ষুদ্রকাঠী গ্রাম রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহাদয়ের সাথে কথা বলে ভাঙন রোধে অতি দ্রুত কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


























