সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

সংসদ নির্বাচনের জন্য ১২২৬ কোটি টাকা চাইলো পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩ ২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা বজায় রাখতে ১২২৬ কোটি টাকার বাজেট চেয়েছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের জন্য জ্বালানি, গোয়েন্দা, অপারেশনাল ও নিরাপত্তা সামগ্রী কেনার জন্য এই বাজেট প্রণয়ন করেছে পুলিশ সদর দপ্তরের ফিন্যান্স অ্যান্ড বাজেট শাখা।

এর মধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ কিনতে ব্যয় হবে ১৫৮ কোটি টাকা। সম্প্রতি বাজেটের টাকা চেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ফিন্যান্স অ্যান্ড বাজেট শাখার অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক আতিকুর রহমানের সই করা একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

পুলিশের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং নির্বাচনের পূর্ব ও পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ বাহিনীর যেসব দাঙ্গা দমন সামগ্রী ও অপারেশনাল সামগ্রী রয়েছে তা নিতান্তই অপ্রতুল।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণের জন্য বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার, অপারেশনাল ও নিরাপত্তা সামগ্রী কেনার লক্ষ্যে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন অপরিহার্য।

উল্লিখিত খাতগুলোর মধ্যে ১৫৮ কোটি টাকায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনাকাটায় ব্যয় হবে। সাড়ে ৭৭ কোটি টাকায় নিরাপত্তা সামগ্রী কেনা হবে। নির্বাচনে পুলিশের ডিউটি পালন করার জন্য ২২৬ কোটি টাকা গাড়ি কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঠেকাতে ৫৪০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি ক্রয়ের প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি সরঞ্জামাদি ও কম্পিউটার এবং সফটওয়্যার কিনতে মোট ব্যয় হবে ২০ কোটি টাকা।

সর্বশেষ ৮ নম্বর খাতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক কর্মসূচি বৃদ্ধির ফলে পুলিশের গতিও বাড়াতে হবে। নতুন সৃষ্ট পদে পুলিশের পদায়ন ও পদোন্নতি হওয়ায় গাড়ির প্রয়োজন। জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল, ডিজেল ও লুব্রিকেন্ট কিনতে ২০৪ কোটি টাকা প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংসদ নির্বাচনের জন্য ১২২৬ কোটি টাকা চাইলো পুলিশ

আপডেট সময় : ০৮:৩০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা বজায় রাখতে ১২২৬ কোটি টাকার বাজেট চেয়েছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের জন্য জ্বালানি, গোয়েন্দা, অপারেশনাল ও নিরাপত্তা সামগ্রী কেনার জন্য এই বাজেট প্রণয়ন করেছে পুলিশ সদর দপ্তরের ফিন্যান্স অ্যান্ড বাজেট শাখা।

এর মধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ কিনতে ব্যয় হবে ১৫৮ কোটি টাকা। সম্প্রতি বাজেটের টাকা চেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ফিন্যান্স অ্যান্ড বাজেট শাখার অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক আতিকুর রহমানের সই করা একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

পুলিশের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং নির্বাচনের পূর্ব ও পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ বাহিনীর যেসব দাঙ্গা দমন সামগ্রী ও অপারেশনাল সামগ্রী রয়েছে তা নিতান্তই অপ্রতুল।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণের জন্য বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার, অপারেশনাল ও নিরাপত্তা সামগ্রী কেনার লক্ষ্যে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন অপরিহার্য।

উল্লিখিত খাতগুলোর মধ্যে ১৫৮ কোটি টাকায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনাকাটায় ব্যয় হবে। সাড়ে ৭৭ কোটি টাকায় নিরাপত্তা সামগ্রী কেনা হবে। নির্বাচনে পুলিশের ডিউটি পালন করার জন্য ২২৬ কোটি টাকা গাড়ি কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঠেকাতে ৫৪০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি ক্রয়ের প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি সরঞ্জামাদি ও কম্পিউটার এবং সফটওয়্যার কিনতে মোট ব্যয় হবে ২০ কোটি টাকা।

সর্বশেষ ৮ নম্বর খাতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক কর্মসূচি বৃদ্ধির ফলে পুলিশের গতিও বাড়াতে হবে। নতুন সৃষ্ট পদে পুলিশের পদায়ন ও পদোন্নতি হওয়ায় গাড়ির প্রয়োজন। জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল, ডিজেল ও লুব্রিকেন্ট কিনতে ২০৪ কোটি টাকা প্রয়োজন।