সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

ঘুর্ণিঝড় মোচা আসার আগেই দ্রুত বোরো ধান কাটার পরামর্শ ,কৃষি বিভাগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও কৃষাণীরা। ঘুর্ণিঝড় “মোচা” আসার আগেই মাঠের ধান ঘরে তুলতে কৃষক কৃষাণীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ দ্রুত বোরো ধান কাটতে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আবহাওয়া ভালো থাকায় গতবারের চেয়ে এবার ধানের ফলনও অনেক ভালো হয়েছে।

বিরামপুর পৌর চাঁদপুর গ্রামের কৃষক রায়হান আলী জানান, অন্যান্য বছর ফলন কম হলেও এবার প্রতি বিঘা (.৩৩ শতক) জমিতে ২৫/২৬ মন হারে ফলন হচ্ছে। আড়ৎদার মন্টু ঘোষ জানান, সদ্য কেটে আনা সরু জাতের মিনিকেট ধান এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১১শ’ টাকা মন দরে বেচা-কেনা চলছে।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াছ জানান, চলতি মে মাসের ১৩ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে ঘুর্ণিঝড় “মোচা” আঘাত হানার পূর্বাভাস রয়েছে। ঝড়ের আগে ধান কাটার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এলক্ষ্যে কৃষকদের লিফলেট বিতরণ, অন্যান্য প্রচার মাধ্যম, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, অনলাইন, অফলাইন, উপজেলা কৃষি বিভাগের সকল কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের নিকট বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফিরোজ আহমেদ জানান, উপজেলার পৌর এলাকা ও ৭টি ইউনিয়নে এবার ১৫ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও আবাদ হয়েছে ১৫ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে। কৃষকদের আবাদকৃত ধানের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, জিরাশাইল, মিনিকেট,আাটাশ,সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হাইব্রিড জাতের ধান। সীমিত জনবল দিয়েই নিরলস ভাবে বিরামপুর পৌর এলাকা ও ৭টি ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একারণে রোগ বালাইহীন ভাবে উপজেলার প্রতিটি বোরো ক্ষেত পরিপূর্ণ শীষে ভরে উঠেছে। কৃষকরাও ঘরে তুলছেন আশাতীত ফলন।

এদিকে কাল বৈশাখী মোচা আসার আগেই মাঠের বোরো ধান কেটে ঘরে তোলার জন্য কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেক এলাকায় হারভেস্টার মেশিনের মাধ্যমে দ্রুত ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঘুর্ণিঝড় মোচা আসার আগেই দ্রুত বোরো ধান কাটার পরামর্শ ,কৃষি বিভাগ

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও কৃষাণীরা। ঘুর্ণিঝড় “মোচা” আসার আগেই মাঠের ধান ঘরে তুলতে কৃষক কৃষাণীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ দ্রুত বোরো ধান কাটতে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আবহাওয়া ভালো থাকায় গতবারের চেয়ে এবার ধানের ফলনও অনেক ভালো হয়েছে।

বিরামপুর পৌর চাঁদপুর গ্রামের কৃষক রায়হান আলী জানান, অন্যান্য বছর ফলন কম হলেও এবার প্রতি বিঘা (.৩৩ শতক) জমিতে ২৫/২৬ মন হারে ফলন হচ্ছে। আড়ৎদার মন্টু ঘোষ জানান, সদ্য কেটে আনা সরু জাতের মিনিকেট ধান এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১১শ’ টাকা মন দরে বেচা-কেনা চলছে।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াছ জানান, চলতি মে মাসের ১৩ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে ঘুর্ণিঝড় “মোচা” আঘাত হানার পূর্বাভাস রয়েছে। ঝড়ের আগে ধান কাটার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এলক্ষ্যে কৃষকদের লিফলেট বিতরণ, অন্যান্য প্রচার মাধ্যম, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, অনলাইন, অফলাইন, উপজেলা কৃষি বিভাগের সকল কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের নিকট বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফিরোজ আহমেদ জানান, উপজেলার পৌর এলাকা ও ৭টি ইউনিয়নে এবার ১৫ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও আবাদ হয়েছে ১৫ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে। কৃষকদের আবাদকৃত ধানের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, জিরাশাইল, মিনিকেট,আাটাশ,সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হাইব্রিড জাতের ধান। সীমিত জনবল দিয়েই নিরলস ভাবে বিরামপুর পৌর এলাকা ও ৭টি ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একারণে রোগ বালাইহীন ভাবে উপজেলার প্রতিটি বোরো ক্ষেত পরিপূর্ণ শীষে ভরে উঠেছে। কৃষকরাও ঘরে তুলছেন আশাতীত ফলন।

এদিকে কাল বৈশাখী মোচা আসার আগেই মাঠের বোরো ধান কেটে ঘরে তোলার জন্য কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেক এলাকায় হারভেস্টার মেশিনের মাধ্যমে দ্রুত ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজ করা হচ্ছে।