সংবাদ শিরোনাম ::
ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী”

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভাত খেতে চাইলেন বানারীপাড়ার মনোয়ারা বেগম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩ ৬৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের পাকা ঘর ও দুই শতক জমি পেয়েছেন বরিশালের বানারীপাড়ার মনোয়ারা বেগম সুন্দরী। এখন মনোয়ারা বেগম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভাত খাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি আমার মা। মা জীবনে আপনার কাছে আর কিছুই চাই না। আপনি জমিসহ পাকা ঘর দিয়েছেন। আপনার সঙ্গে একসাথে বসে একটু খেতে চাই। আমার জীবনে আর কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৮ বছর আগে আপনার সঙ্গে বসে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় ভাত খেয়েছিলাম,নামাজ আদায় করেছিলাম। এবার আপনি বানারীপাড়ায় আসবেন। আপনার সঙ্গে বসে একটু ভাত খাব। এটাই আমার জীবনের শেষ চাওয়া। ২২ মার্চ বুধবার সকালে গণভবন থেকে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় আবেগাপ্লুত মনোয়ারা বেগম সুন্দরী কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে ভাত খাওয়ার আবদার জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার আবেগঘন কথা শুণে অশ্রুসজল হয়ে পড়েন এবং বলেন, আমি আসবো বানারীপাড়ায়। মনোয়ারা বেগম বলেন, ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী আমাদের ঘর বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। তারপর আমার মা ভিক্ষা করে একটা ঘর তুলেছিল। সেই ঘরও বন্যা নিয়ে যায়। এরপর আর নিজের ঘরে থাকতে পারিনি। আজ আপনি ঘর দিয়েছেন। আমি পাকা ঘর পেয়েছি এটা স্বপ্ন না সত্যি বিশ্বাস করতে পারছি না। তিনি বলেন, বানারীপাড়া সাধারণ মানুষের আপনাকে দেখার জন্য অপেক্ষায় আছে। মা আপনি একবার বানারীপাড়া আসেন। বানারীপাড়া গরীব দুঃখী সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা আপনি, আপনি আবারও প্রধানমন্ত্রী হন। হাজার বছর প্রধানমন্ত্রী থাকেন এ দোয়া করি। আপনারও মা-বাবা, ভাই নেই আমারও মা-বাবা, কোন ভাই-বোন নেই। বানারীপাড়া থেকে আপনাকে আবারও জয়েরমালা পড়াবো।
বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চালনায় এছাড়াও উপকারভোগী হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার আবেগঘন অনুভূমি ব্যক্ত করেন। ২২ মার্চ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাচুর্য়ালি বানারীপাড়া পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়ে সন্ধ্যা নদীর তীরে মনোরম পরিবেশে গড়ে তোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৮৭ টি ঘরসহ উপজেলায় মোট ১৪২টি জমিসহ সেমি পাকা ঘর হস্তান্তরের উদ্বোধন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভাত খেতে চাইলেন বানারীপাড়ার মনোয়ারা বেগম

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের পাকা ঘর ও দুই শতক জমি পেয়েছেন বরিশালের বানারীপাড়ার মনোয়ারা বেগম সুন্দরী। এখন মনোয়ারা বেগম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভাত খাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি আমার মা। মা জীবনে আপনার কাছে আর কিছুই চাই না। আপনি জমিসহ পাকা ঘর দিয়েছেন। আপনার সঙ্গে একসাথে বসে একটু খেতে চাই। আমার জীবনে আর কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৮ বছর আগে আপনার সঙ্গে বসে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় ভাত খেয়েছিলাম,নামাজ আদায় করেছিলাম। এবার আপনি বানারীপাড়ায় আসবেন। আপনার সঙ্গে বসে একটু ভাত খাব। এটাই আমার জীবনের শেষ চাওয়া। ২২ মার্চ বুধবার সকালে গণভবন থেকে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় আবেগাপ্লুত মনোয়ারা বেগম সুন্দরী কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে ভাত খাওয়ার আবদার জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার আবেগঘন কথা শুণে অশ্রুসজল হয়ে পড়েন এবং বলেন, আমি আসবো বানারীপাড়ায়। মনোয়ারা বেগম বলেন, ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী আমাদের ঘর বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। তারপর আমার মা ভিক্ষা করে একটা ঘর তুলেছিল। সেই ঘরও বন্যা নিয়ে যায়। এরপর আর নিজের ঘরে থাকতে পারিনি। আজ আপনি ঘর দিয়েছেন। আমি পাকা ঘর পেয়েছি এটা স্বপ্ন না সত্যি বিশ্বাস করতে পারছি না। তিনি বলেন, বানারীপাড়া সাধারণ মানুষের আপনাকে দেখার জন্য অপেক্ষায় আছে। মা আপনি একবার বানারীপাড়া আসেন। বানারীপাড়া গরীব দুঃখী সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা আপনি, আপনি আবারও প্রধানমন্ত্রী হন। হাজার বছর প্রধানমন্ত্রী থাকেন এ দোয়া করি। আপনারও মা-বাবা, ভাই নেই আমারও মা-বাবা, কোন ভাই-বোন নেই। বানারীপাড়া থেকে আপনাকে আবারও জয়েরমালা পড়াবো।
বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চালনায় এছাড়াও উপকারভোগী হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার আবেগঘন অনুভূমি ব্যক্ত করেন। ২২ মার্চ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাচুর্য়ালি বানারীপাড়া পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়ে সন্ধ্যা নদীর তীরে মনোরম পরিবেশে গড়ে তোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৮৭ টি ঘরসহ উপজেলায় মোট ১৪২টি জমিসহ সেমি পাকা ঘর হস্তান্তরের উদ্বোধন করেন।